Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ মোবারক।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ মোবারক।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ মোবারক।

আমার ভবের অভাব লয় হয়েছে

বাণী

(মা) আমার ভবের অভাব লয় হয়েছে শ্যামা-ভাব-সমাধিতে।
শ্যামা রসে যে-মন আছে ডুবে কাজ কিরে তার যশ-খ্যাতিতে।।
	মধু যে পায় শ্যামা-পদে,
	কাজ কিরে তার বিষয়-মদে;
যুক্ত যে মন যোগামায়াতে; ভাবনা কি তার রোগ ব্যাধিতে।।
কাজ কি’রে তার লক্ষ টাকায়, মোক্ষ লক্ষ্মী যাহার ঘরে,
কত রাজার রাজা প্রসাদ মাগে সেই ভিখারীর পায়ে ধরে।
ও মা শান্তিময়ী অন্তরে যার, দুঃখ শোকে ভয় কি রে তার
সে সদানন্দ সদাশিব জীবন্মুক্ত ধরণীতে।।

আমার হাতে কালি মুখে কালি

বাণী

আমার হাতে কালি মুখে কালি, মা 
আমার কালিমাখা মুখ দেখে মা 
পাড়ার লোকে হাসে খালি।। 
মোর লেখাপড়া হ’ল না মা, 
আমি ‘ম’ দেখিতেই দেখি শ্যামা, 
আমি ‘ক’ দেখতেই কালী ব’লে 
নাচি দিয়ে করতালি।। 
কালো আঁক দেখে মা ধারাপাতের 
ধারা নামে আঁখি পাতে, 
আমার বর্ণ পরিচয় হ’লো না মা 
তোর বর্ণ বিনা কালী। 
যা লিখিস মা বনের পাতায় 
সাগর জলে আকাশ খাতায়, 
আমি সে লেখা তো পড়তে পারি 
মূর্খ বলে দিক্‌ না গালি মা, 
লোকে মূর্খ ব’লে দিক্‌ না গালি।। 

আমি ছন্দ ভুল চির-সুন্দরের

বাণী

আমি	ছন্দ ভুল চির-সুন্দরের নট-নৃত্যে গো।
আমি	অপ্সরা-মায়া ধ্যানভঙ্গের
		যোগী মহেন্দ্রের চিত্তে গো।।
আমি	পঞ্চশর-তৃণে রক্তমাখা শর,
	অমৃত-পাত্রে গো স্মর-গরল খর
আমি	উর্বশীর খল-চরণ-নূপুর
		উদাসিনী দেব-চিত্তে গো।।

আমি নূতন ক’রে গড়ব ঠাকুর

বাণী

আমি নূতন ক’রে গড়ব ঠাকুর কষ্টি পাথর দে মা এনে।
দিব হাতে বাঁশি মুখে হাসি ডাগর চোখে কাজল টেনে।।
মথুরাতে আর যাবে না, মা যশোদায় কাঁদাবে না,
রইবে ব্রজগোপীর কেনা, চলবে রাধার আদেশ মেনে।।
শ্রীচরণ তার গড়ব না মা, গড়লে চরণ পালিয়ে যাবে
নাইবা শুনলে নূপুর-ধ্বনি, ঠাকুরকে তো কাছে পাবে।
চরণ পেলে দেশে দেশে, কুরুক্ষেত্র বাঁধাবে সে —
গন্ধমালা দিসনে মাগো, ভক্ত ভ্রমর ফেলবে জেনে।।
	দেখে কখন করবে চুরি
	একলা ঘরে মরব ঝুরি,
গন্ধমালা দিসনে মাগো, ভক্ত ভ্রমর ফেলবে জেনে।।

আনারকলি! আনারকলি!

বাণী

আনারকলি! আনারকলি!
স্বপ্নে দেখে’ কোন্ ডালিম-কুমারে
এসেছিলে রেবা ঝিলামের’ পারে,
দিতে তব রাঙা হৃদয়ের অঞ্জলি।।
মরুর মণিকা বাদশাহী নওরোজে
এসেছিলে কোন্ হারানো হিয়ার খোঁজে,
তব রূপ হেরি’ হেরেমের দীপ-মালা উঠেছিল চঞ্চলি’।।
পতঙ্গ সম পাপড়ির পাখা মেলি’ আনারকলি গো — 
সেলিমের অনুরাগ-মোমের প্রদীপে পড়িলে ঢলি’ গো — 
মিলায়েছে মাটিতে মোগলের মসনদ, আনারকলি।
তুমি আজো দুলিতেছ ফুলের হাসিতে
বিরহীর বাঁশিতে, আনারকলি;
তব জীবন্ত সমাধির বিগলিত পাষাণে
আজও প্রেম-যমুনার ঢেউ ওঠে উথলি’।।

সঙ্গীতালেখ্য: ‘পঞ্চাঙ্গনা’

আমি বাঁধন যত খুলিতে চাই

বাণী

আমি	বাঁধন যত খুলিতে চাই জড়িয়ে পড়ি তত।
	শুভদিন এলো না দিনে দিনে দিন হল হায় গত।।
		শত দুঃখ অভাব নিয়ে
		জগৎ আছে জাল বিছিয়ে
	অসহায় এ পরান কাঁদে জালে মীনের মত।।
	বোঝা যত কমাতে চাই ততই বাড়ে বোঝা,
	শান্তি কবে পাব কবে চল্‌ব হয়ে সোজা।
		দাও ব’লে হে জগৎ-স্বামী
		মুক্তি কবে পাব আমি?
কবে	উঠবে ফুটে জীবন আমার ভোরের ফুলের মত।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan