


ঝুমঝুম ঝুমরা নাচ নেচে কে এলো গো সই লো দেখে আয়। বৈঁচি বনে বিরহে বাউরি বাতাস বহে এলোমেলো গো।। আঁড়বাঁশি বাজায় আড়চোখে তাকায় তীর হানার ভঙ্গিতে ধনুক বাঁকায় নন্দন পাহাড়ে তাহারে দেখে চাঁদ আঁউরে গেল গো।। ঝাঁকড়া চুলের পাশে টুলটুলে চোখ হাসে কতই ছলে মোরলা মাছ যেন খেলে বেড়ায় গো কালো জলে। মৌটুসির মো ফেলে ভোমরা রয় তাকিয়ে গুরুজনের মত বটের তরু দাঁড়িয়ে জট পাকিয়ে আমলকি গাছের আড়ালে লুকিয়ে দেখি, দেখতে কি তা পেল গো (সে)।।
নাটিকাঃ ‘অর্জুন বিজয়’
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

ঝুলে কদমকে ডারকে ঝুলনা পে কিশোরী কিশোর। দেখে দোউ এক এককে মুখকো চন্দ্রমা চকোর, য্যায়সে চন্দ্রমা চকোর হোকে প্রেম নেশা বিভোর।। মেঘ মৃদং বাজে ওহি ঝুলনাকে ছন্দ্ মে রিম্ঝিম্ বাদর বরসে আনন্দ্ মে, দেখনে যুগল শ্রীমুখ চন্দকো গগন ঘেরি ঘনঘটা ঘোর।। নব নীর বরসনে কো চাতকিনী চায় ওয়সে গোপী ঘনশ্যাম দেখ তৃষ্ণা মিটায়, সব দেবদেবী বন্দনা গীত গায় — ঝরে বরসামে ত্রিভুবনকি প্রেমাশ্রুলোর।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ঝুমকো-লতার চিকন পাতায় হেরেছি তোমার লাবনি প্রিয়া। মহুয়া-ফুলের মদির গন্ধে তোমারই মুখ-মদের অমিয়া।। শুকতারায় তব নয়নের মায়া, তমাল-বনে তারি স্নিগ্ধ-ঘন-ছায়া। তাল পিয়ালে হেরি দীঘল তনু তব, ইহুদী দুল্ দুলে শশী-লেখায় নব।। ডালিম-দানাতে তব গালের লালী, তোমারি সুরে গাহে পিয়া-পাপিয়া।।
রাগঃ মালবশ্রী মিশ্র
তালঃ লাউনি

ঝরঝর অঝোর ধারায় ঝুরছে মনে রঙের ঝুরি। দোলন-খোঁপায় দোল্ দিয়ে যায় দুলাল-চাঁপার তরুণ কুঁড়ি।। চঞ্চলতার আবেশ লেগে আঁচল আমার রয় না গায়ে, জরীন্ ফিতার বাঁধন টু’টে ব্যাকুল বেণী লুটায় পায়ে। খেল্ছে চোখে মন্মথ আজ রতির সাথে লুকোচুরি, নাচের তালে আপনি বাজে চপল হাতে কাঁকন চুড়ি।।
রাগঃ
তালঃ
ঝুলন ঝুলায়ে ঝাউ ঝক্ ঝোরে, দেখো সখি চম্পা লচ্কে বাদরা গরজে দামিনী দমকে আও বৃজকি কোঙারী ওড়ে নীল সাড়ি, নীল কমল-কলিকে পহনে ঝুমকে।। হায়রে ধান কি লও মে হো বালি ওড়নী রাঙাও সতরঙ্গী আলি, ঝুলা ঝুলো ডালি ডালি। আও প্রেম কোঙারী মন ভাও, প্যারে প্যারে সুরমে শাওনী সুনাও। রিমঝিম রিমঝিম পড়তে কোয়ারে সুন্ পিয়া পিয়া কহে মুরলী পুকারে, ওহি বোলী সে হিরদয় খটকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ঝাঁপিয়া অঞ্চলে কেন বিধুবদন অবনত কাঁদে নয়ান। অভিমান পরিহর হরি-হৃদি বিহারিণী প্রেম দিয়া জুড়াও এ প্রাণ। তুয়া বিনা নয়নে অন্যে না হেরি একই রাধা আছে ত্রিভুবন ঘেরি’ (আমি রাধা ছাড়া জানি’ না অনন্ত বিশ্বে রাধারই রূপধারা, রাধা ছাড়া দেখি না) ভৃঙ্গার ভরি’ তুমি শৃঙ্গার রস করাও পান, তাই হই যে অবশ।। তুমি রাধা হয়ে মধু দিলে মাধব হই, তুমি ধারা হয়ে নামিলে সৃষ্টিতে রই রাধা, সকলি তোমার খেলা তবে কেন কর অভিমান, কেন কর হেলা। প্রতি দেহ-বিম্বে তোরি পদতলে হর হয়ে রহি তাই ছবি। হরিরত হর-জ্ঞান মহামায়া হরিলী (এ যে) তোমারই ইচ্ছা, আমি নিজে নিজে রূপ ধরিণী। ভোল মানের খেলা দূরে থেকোনা, দাও চরণ ভেলা আমি তরে’ যাই, তরে’ যাই রাধা-প্রেম যমুনায় ডুবিয়া মরে’ যাই।।
পাঠান্তর : রেকর্ডের জন্য কবি এই গানটির বহু অংশ বর্জন করেন।বর্জিত অংশগুলো এই:
গলে দিয়া পীতধড়া গো, পদতলে দিয়া শিখী-চূড়া গো
পদযুগ ধরিয়া চাহি ক্ষমা, ক্ষম অপরাধ প্রিয়তমা!
হরি-মনোরমা ক্ষমা কর গো।।
তব প্রেমে অবগাহন করি সব দাহন চিরতরে জুড়াব
কল্প-কদম-তরু-তলে চিরদিন তোমার প্রেম-কণা কেশর কুড়াব।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (ছোট দশকোশী ও কাহার্বা)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan