Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ মোবারক।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ মোবারক।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ মোবারক।

বাজে মঞ্জুল মঞ্জির রিনিকি ঝিনি

বাণী

বাজে মঞ্জুল মঞ্জির রিনিকি ঝিনি
নীর ভরণে চলে রাধা বিনোদিনী
তার চঞ্চল নয়ন টলে টলমল
যেন দু'টি ঝিনুকে ভরা সাগর জল।।
ও সে আঁখি না পাখি গো
রাই ইতি-উতি চায়
কভু তমাল-বনে কভু কদম-তলায়।
রাই শত ছলে ধীরে পথ চলে কভু কন্টক বেঁধে চরণে
তবু যে কাঁটা-লতায় আঁচল জড়ায় বেণী খুলে যায় অকারণে।
গিয়ে যমুনার তীরে চায় ফিরে ফিরে আনমনে ব'সে গণে ঢেউ
চকিতে কলসি ভরি’লয় তার যেই মনে হয় আসে কেউ।
হায় হায় কেউ আসে না
“ভোলো অভিমান রাধারানী” বলি’ শ্যাম এসে সম্ভাষে না।
রাই চলিতে পারে না পথ আর,
বিরস বদন অলস চরণ শূন্য-কলসি লাগে ভার।
বলি,কালা নাহি এলো যমুনা তো ছিল লইয়া শীতল কালো জল।
কেন ডুবিয়া সে-কলে উঠিলি আবার কাঁদায়ে ভাসাতে ধরাতল।।

বসিয়া বিজনে কে গো বিমনা

বাণী

	বসিয়া বিজনে কে গো বিমনা।
	নিরালায় বাসনা-তুলিকায় আঁকিছ কোন্ আল্‌পনা।।
			অনামিকায় কভু জড়াও অঞ্চল
		(কভু)	ভাসাও স্রোতে মালার ফুলদল,
কভু	আনমনে চাই গগন-কোণে যেন কোন্ উদাসী কামনা।।
পলক নাই চোখে, মুখে নাহি বাণী,
ফেলে যাওয়া যেন, কার বাঁশরিখানি।
	তাহারি আগমনী অন্তরে শুনি’
	উছলি’ উঠিবে মৌন সুরধুনী,
				বাজিবে মধু-মুরছনা।।

বেদিয়া বেদিনী ছুটে আয়

বাণী

বেদিয়া বেদিনী ছুটে আয়,আয়,আয়
ধাতিনা ধাতিনা তিনা ঢোলক মাদল বাজে
	বাঁশিতে পরান মাতায়।।
দলে দলে নেচে নেচে আয় চলে
আকাশের শামিয়ানা তলে
বর্শা তীর ধনুক ফেলে আয় আয় রে
	হাড়ের নূপুর প'রে পায়।।
বাঘ-ছাল প'রে আয় হৃদয়-বনের শিকারি
ঘাগরা প'রে প'রে পলার মালা আয় বেদের নারী
মহুয়ার মধু পিয়ে ধুতুরা ফুলের পিয়ালায়।।

বনে বনে জাগে কি আকুল হরষণ

বাণী

বনে বনে জাগে কি আকুল হরষণ।
ফুল-দেবতা এলো দিতে ফুল-পরশন।।
হরিৎতর আজি পল্লব বন-বাস
মুকুল-জাগানিয়া সমীরণ ফেলে শ্বাস,
বেপথু লতা যাচে মধুপের দরশন।।
কিশোর-হিয়া-মাঝে যৌবন-দেবতা,
গোপনে আনে নব জাগরণ-বারতা
বঁধূর সাথে খোঁজে বঁধু বন-নিরজন।।

বন্ধু আজো মনে রে পড়ে আম কুড়ানো খেলা

বাণী

		বন্ধু, আজো মনে রে পড়ে আম কুড়ানো খেলা।
		আম কুড়াইবার যাইতাম দুইজন নিশি-ভোরের বেলা।।
		জোষ্ঠি মাসের গুমোঁট রে বন্ধু আস্‌ত নাকো নিদ
					রাত্রে আস্‌ত নাকো নিদ্
		আম-তলায় এক চোর আইস্যা কাঁট্ত প্রাণে সিঁদ্
(আর)	নিদ্রা গেলে ফেল্‌ত সে চোর আঙিনাতে ঢেলা।।
		আমরা দুইজন আম কুড়াইতাম, ডাক্‌ত কোকিল গাছে,
		ভোলো যদি — বিহান বেলার সূয্যি সাক্ষী আছে,
(তুমি)	পায়ের কাছে আম ফেইল্যা গায়ে দিতে ঠেলা।।
		আমার বুকের আঁচল থাইক্যা কাইড়া নিতে আম,
		বন্ধু, আজও পাই নাই দাসী সেই না আমের দাম,
(আজ)	দাম চাইবার গিয়া দেখি তুমি দিছ মেলা।।
		নিশি জাইগ্যা বইস্যা আছি, জোষ্ঠি মাসের ঝড়ে
		সেই না গাছের তলায় বন্ধু এখনো আম পড়ে
		তুমি কোথায় আমি কোথায় দুইজনে একেলা।।

বৃথা তুই কাহার 'পরে করিস অভিমান

বাণী

বৃথা তুই কাহার পরে করিস অভিমান
পাষাণ-প্রতিমা সে যে হৃদয় পাষাণ।।
রূপসীর নয়নে জল নয়ন-শোভার তরে
ও শুধু মেঘের লীলা নভে যে বাদল ঝরে।
চাতকেরই তরে তাহার কাঁদে না পরান।।
প্রণয়ের স্বপন-মায়া,ধরিতে মিলায় কায়া
গো-ধূলির রঙের খেলা ক্ষণে অবসান।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan