Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কোন্ ফুলেরি মালা দিই তোমার গলে

বাণী

পুরুষ	:	কোন্ ফুলেরি মালা দিই তোমার গলে লো প্রিয়া
		বুলবুল গাহিয়া উঠে তব ফুলেল পরশ নিয়া॥
স্ত্রী	:	হাতে দিও হেনার গুছি কেশে শিরিন ফুল।
		কর্ণে দিও টগর কুঁড়ি অপ্‌রাজিতার দুল।
		বুন্দকলির মালা দিও নাই পেলে বকুল
		ফুলের সাথে হৃদয় দিতে হয় না যেন ভুল॥
পুরুষ	:	কোন ভূষণে রানী ও রূপের করি আরতি
		হয় সোনার বরণ মলিন হেরি তোমার রূপের জ্যোতি।
স্ত্রী	:	তোমার বাহুর বাঁধন প্রিয় সেই তো গলার হার
		হাতে দিও মিলন রাখি খুলবে না যা আর।
		কানে দিও কানে কানে কথার দু’টি দুল
		নিত্য নূতন ভূষণ দিও প্রেমের কামনার॥
পুরুষ	:	কোন নামেতে ডাকি সাধ না মেটে কোনো নামে
		তব নাম-গানে সব কবি হার মানে ধরাধামে।
স্ত্রী	:	সুখের দিনে সখি ব’লো সেই তো মধুর নাম
		দুখের দিনে বন্ধু ব’লে ডেকো অবিরাম।
		নিরালাতে রানী বলো শ্রবণ অভিরাম
		বুকে চেপে প্রিয়া ব’লো সেই তো আমার নাম॥

নাটিকাঃ ‘বিয়ে বাড়ি’

কেন ফোটে কেন কুসুম ঝ'রে যায়

বাণী

কেন ফোটে কেন কুসুম ঝ'রে যায়!
মুখের হাসি চোখের জলে ম'রে যায়, হায়।।
নিশীথে যে কাঁদিল প্রিয় ব'লে
হায় নিশি-ভোরে সে কেন হায় স'রে যায়।।
হায় আজ যাহার প্রেম করে গো রাজাধিরাজ
কাল কেন সে চির-কাঙাল ক'রে যায়।।
মান-অভিমান খেলার ছলে
ফেরে না আর যে যায় চ'লে
মিলন-মালা মলিন ধূলায় ভ'রে যায়।।

কে সাজালো মাকে আমার

বাণী

	কে সাজালো মাকে আমার বিসর্জনের বিদায় সাজে
	আজ সারাদিন কেন এমন করুণ সুরে বাঁশি বাজে॥
	আনন্দেরি প্রতিমাকে হায়, বিদায় দিতে পরান নাহি চায়
	মা-কে ভাসিয়ে জলে কেমন করে রইব আঁধার ভবন মাঝে॥
মা’র	আগমনে বেজেছিল প্রাণে নূতন আশার বাঁশি
	দুঃখ শোক ভয় ভুলেছিলাম দেখে মা অভয়ার মুখের হাসি।
	মা দশ হাতে আনন্দ এনেছিল, বিশ হাতে আজ দুঃখ ব্যথা দিল
মা	মৃন্ময়ীকে ভাসিয়ে জলে, পাব চিন্ময়ীকে বুকের মাঝে॥

কাঁদিস্‌নে আর কাঁদিস্‌নে মা

বাণী

কাঁদিস্‌নে আর কাঁদিস্‌নে মা, আমি মা তোর দুঃখ ঘুচাব।
বসন-ভূষণ দেব এনে মা তোর চোখের জল মুছাব।।
	তুই হবি মা রাজ-জননী
	এনে দেব রত্ন-মণি,
রাজার আসন আন্‌ব ছিনি তোরে সেই আসনে বসাব।।

চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’ (ধ্রুবের গীত)

কোথায় গেলে পেঁচা-মুখি একবার এসে খ্যাচ-খ্যাচাও

বাণী

পুরুষ	:	কোথায় গেলে পেঁচা-মুখি একবার এসে খ্যাচ-খ্যাচাও
স্ত্রী	:	বলি, গাই-হারা বাছুরের মতন গোয়াল থেকে কে চ্যাঁচাও॥
পুরুষ	:	(বলি ও শাকচুন্নি, আহাহাহা)
		অমন শ্যাওড়া বৃক্ষ ফেলে, আমার ঘাড়ে কেন এলে গো, ও হো হো
স্ত্রী	:	(বলি ও কালিয়া পেরেত)
		তুমি উনুন-মুখো দেবতা যে তাই
		ছাই-পাঁশের নৈবিদ্যি পাও।
পুরুষ	:	(মরি অরি অরি অরি মরি, কি যে রূপের ছিরি, আহাহাহাহা)
		চন্দ্র-বদন ন্যাপা পোছা
		কুত্‌কুতে চোখ নাকটি বোঁচা গো, ও হো হো
স্ত্রী	:	(বলি ও বেরসো কাট, বলি ও কেলো হুলো)
		তুমি কাঁদলে চোখে কালি বোরোয় কয়লার ডিপোয় লজ্জা দাও
		তুমি কয়লার ডিপোয় লজ্জা দাও।
পুরুষ	:	বলি ও জুজুবুড়ি
স্ত্রী	:	বলি ও ঝাঁকাভূঁড়ি
পুরুষ	:	ও বাবা জুজু
স্ত্রী	:	ও বাবা ঝাঁকা
পুরুষ	:	আহা, চাম্‌চিকে ওই ডানা কাটা
স্ত্রী	:	তুমি যেন পূজোর পাঁঠা
পুরুষ	:	আহা, হার মেনে যায় হাঁড়ি চাঁছা প্রিয়ে যখন খ্যাচ-খ্যাচাও।
স্ত্রী	:	(আ-মরি মরি, কি যে বচন সুধা)
		পিঁপড়ে ধরবে ও প্রাণনাথ তুমি, শিগ্‌গির মুখে ফিনাল দাও॥

কেন কাঁদে পরান কি বেদনায় কারে কহি

বাণী

কেন কাঁদে পরান কি বেদনায় কারে কহি।
সদা কাঁপে ভীরু হিয়া রহি’ রহি’।।
সে থাকে নীল নভে আমি নয়ন-জল-সায়রে
সাতাশ তারার সতীন-সাথে সে যে ঘুরে মরে
কেমনে ধরি সে চাঁদে রাহু নহি।।
কাজল করি’ যারে রাখি গো আঁখি-পাতে
স্বপনে যায় সে ধুয়ে গোপনে অশ্রু-সাথে।
বুকে তায় মালা করি’ রাখিলে যায় সে চুরি
বাঁধিলে বলয়-সাথে মলয়ায় যায় সে উড়ি’
কি দিয়ে সে উদাসীর মন মোহি’।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan