Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবির প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কী অনল জ্বলে লো সই

বাণী

	কী অনল জ্বলে লো সই কী অনল জ্বলে।
	নয়ন ভরল জলে লো সই আমার হিয়ার তলে।।
(আমি)	উদাসী পাগল হ’য়ে না ত্যাজিলাম কায়া
এই	চাঁদের মুখে পড়ল আমার রাহুল প্রেমের ছায়া,
মোর	বুকের মাঝে সাত সিন্ধুর একি ঢেউ উথলে।।

নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)

কেন বাজাও বাঁশি কালোশশী মৃদু মধুর তানে

বাণী

কেন	বাজাও বাঁশি কালোশশী মৃদু মধুর তানে।
ঘরে	রইতে নারি জ্ব’লে মরি বাজাইও না বনে
		বাঁশি, আর বাজাইও না বনে
		নিঝুম রাতে বাজে বাঁশি
		পরায় গলে প্রেম-ফাঁসি,
কেহ	নাহি জানে হে শ্যাম (আমি) মরি শুধু প্রাণে॥
		রাখ রাখ ও-বাঁশরি
		ওহে কিশোর-বংশীধারী,
	মন নাহি মানে হে শ্যাম (বঁধু) বাঁশি কি গুণ জানে॥

কেন আমায় আন্‌লি মাগো

বাণী

	কেন আমায় আন্‌লি মাগো মহাবাণীর সিন্ধু কূলে।
মোর	ক্ষুদ্র ঘটে এ সিন্ধু-জল কেমন ক’রে নেবো তুলে।।
	চতুর্বেদে এই সিন্ধুর জল
	ক্ষুদ্র চারিবিন্দু হয়ে করছে টলমল,
	এই বাণীরই বিন্দু যে মা গ্রহ তারা গগন মূলে।
	ইহারই বেগ ধরতে শিরে, শিবের জটা পড়ে খুলে।।
	অনন্তকাল রবি-শশী এই সে-মহাসাগর হ’তে,
	সোনার ঘটে রসের ধারা নিয়ে ছড়ায় ত্রিজগতে।
	বাঁশিতে মোর স্বল্প এ আধারে
	অনন্ত সে-বাণীর ধারা ধরতে কি মা পারে?
	শুনেছি মা হয় সীমাহীন ক্ষুদ্রও তোর চরণ ছুঁলে।।

কোন্ কুসুমে তোমায় আমি

বাণী

কোন্ কুসুমে তোমায় আমি পূজিব নাথ বল বল।
তোমার পূজার কুসুম-ডালা সাজায় নিতি বনতল।।
	কোটি তপন চন্দ্র তারা
	খোঁজে যা’রে তন্দ্রাহারা,
খুঁজি তা’রে ল’য়ে আমার, ক্ষীণ এ-নয়ন ছলছল।।
	বিশ্ব-ভুবন দেউল যাহার
	কোথায় রচি মন্দির তাঁর,
লও চরণে ব্যথায়-রাঙা আমার হৃদয়-শতদল।।

কথা কও কও কথা থাকিও না চুপ ক'রে

বাণী

কথা কও, কও কথা, থাকিও না চুপ ক'রে।
মৌন গগনে হের কথার বৃষ্টি ঝরে।।
ধীর সমীরণ নাহি যদি কহে কথা
ফোটে না কুসুম, নাহি দোলে বনলতা।
কমল মেলে না দল, যদি ভ্রমর না গুঞ্জরে।।
শোন কপোতীর কাছে কপোত কি কথা কহে,
পাহাড়ের ধ্যান ভাঙি মুখর ঝর্ণা বহে।
আমার কথার লঘু মেঘগুলি হায়!
জ'মে হিম হয়ে যায় তোমার নীরবতায়;
এসো আরো কাছে এসো কথার নূপুর প'রে।।

গীতিচিত্রঃ অতনুর দেশ

কত দূরে তুমি ওগো আঁধারের সাথি

বাণী

কত দূরে তুমি, ওগো আঁধারের সাথি।
হাত ধর মোর নিভিয়া গিয়াছে বাতি।।
চলিতে চলিতে তোমার তীর্থ-পথে
হারায়ে গিয়াছি অন্ধকারের স্রোতে,
এসে তু’লে লও তোমার সোনার রথে —
(লহ) প্রভাতের তীরে, শেষ হয় যথা রাতি।।
যে ধ্রুব-তারার পথ দেখাইয়া নীরবে চলেছ তুমি,
সে-পথ ভুলিয়া আসিলাম মায়া-তৃষ্ণার মরুভূমি।
সাড়া নাহি পাই আর আজ ডেকে ডেকে
কাঁদিছ কি তুমি মোরে সাথে নাহি দেখে?
হয়ত ফিরিবে অমৃতের তীর থেকে —
সেই আশে আছি পথ পানে আঁখি-পাতি’।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan