Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

হাসি মুখে বাসিফুল ফেলে দাও ভোরে

বাণী

হাসি মুখে বাসিফুল ফেলে দাও ভোরে।
মোর মন নিয়ে ফেলে দিলে তেমনি ক’রে।।
কেন ডেকেছিলে তব উৎসব সভাতে
অবহেলা ভরে যদি ফেলে দিবে প্রভাতে,
অকারণ অকরুণ বাণ হানিতে কেন —
	বনের পাখিরে এনেছিলে পিঞ্জরে।।
গান গেয়ে চলেছিনু আপনার পথে,
কেন তব হৃদয়ে ঠাঁই দিলে আমারে এনে পথ হতে।
পুতুল খেলার মত মোরে ল’য়ে খেলিলে
বক্ষে রাখিয়া শেষে পায়ে দ’লে ফেলিলে,
দেবতার পূজা শেষে বিগ্রহ ল’য়ে —
	ডুবাইলে নদী-জলে নিষ্ঠুর ক’রে।।

হে প্রিয়! তোমার আমার মাঝে

বাণী

হে প্রিয়! তোমার আমার মাঝে এ বিরহের পারাবার
				কেমনে হইব পার।।
	নিশীথের চখা-চখির মতন
	দুই কূলে থাকি’ কাঁদি দুই জন
আসিল না দিন মোদের জীবনে অন্তহীন আঁধার।।
সেধেছিনু বুঝি বাদ
কাহার মিলনে সে কোন্‌ জনমে তাই মিটিল না সাধ।
	স্মৃতি তব ঝরা পালকের প্রায়
	লুটায় মনের বালুচরে, হায়।
সে কোন্‌ প্রভাতে কোন্‌ নবলোকে মিলিব মোরা আবার।।

হে প্রিয় আমারে দিব না ভুলিতে

বাণী

	হে প্রিয় আমারে দিব না ভুলিতে
মোর	স্মৃতি তাই রেখে' যাই শত গীতে।।
	বিষাদিত সন্ধ্যায় শুনিবে দূরে
	বিরহী বাঁশি ঝুরে আমারি সুরে
	আমারি করুণ গাথা গাহিবে কে কোথা
	সজল মেঘ-ঘেরা নিশীথে।।
	গোধূলি-ধূসর ম্লান আকাশে
	হেরিবে আমার মূরতি ভাসে
	তব পদদলিত ফুলের বাসে
	পড়িবে মনে আমারে চকিতে।।

হে নামাজী আমার ঘরে নামাজ পড় আজ

বাণী

হে নামাজী! আমার ঘরে নামাজ পড় আজ।
দিলাম তোমার চরণ-তলে হৃদয় -জায়নামাজ।
	আমি গুনাহগার বে-খবর,
	নামাজ পড়ার ন্ই অবসর
(তব) চরণ-ছোঁয়ায় এই পাপীরে কর সরফরাজ।।
তোমার ওজুর পানি মোছ আমার পিরান দিয়ে
আমার এ ঘর হোক মসজিদ তোমার পরশ নিয়ে।
	যে শয়তানের ফন্দিতে ভাই,
	খোদায় ডাকার সময় না পাই
সেই শয়তান যাক দূরে, শুনে তকবীরের আওয়াজ।।

হেরা হতে হেলে দুলে নূরানী তনু

বাণী

হেরা হতে হেলে দুলে নূরানী তনু ও কে আসে হায়,
সারা দুনিয়ার হেরেমের পর্দা খুলে খুলে যায় —
সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।।
তার ভাবে বিভোল রাঙা পায়ের তলে
পর্বত জঙ্গম টলমল টলে,
খোরমা খেজুর বাদাম জাফরানি ফুল ঝ’রে ঝ’রে যায় —
সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।।
আসমানে মেঘ চলে ছায়া দিতে,
পাহাড়ের আঁসু গলে ঝরনার পানিতে,
বিজলি চায় মালা হতে,
পূর্ণিমার চাঁদ তার মুকুট হতে চায় —
সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।।

হরি হে তুমি তাই দূরে থাক স’রে

বাণী

হরি হে তুমি তাই দূরে থাক স’রে
হরি প্রভু বলে মোরা দূরে রাখি
পাষাণ দেউলে রাখিয়াছি হায় তোমারে পাষাণ করে॥
তোমায় চেয়েছিল গোপিনীরা
সেদিনও চেয়েছি মীরা ডেকে প্রিয়তম বলে
তোমায় গোপাল বলিয়া ডাকিয়া পাইল যশোদা মা শচী কোলে
অন্তরতম হতে নিশিদিন থাক তুমি অন্তরে॥
দেবতা ভাবিয়া পূজা দিই মোরা তুমি তাহা নাহি খাও
তুমি লুকায়ে ভিখারি সাজিয়া মোদের পাতের অন্ন চাও।
রাখাল ছেলের আধ খাওয়া ফল
কেড়ে খাও তুমি হে চির সজল
মোরা ভয় করি তাই লুকাইয়া থাক তুমি অভিমান ভরে॥

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan