
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

হিন্দু-মুসলমান দুটি ভাই ভারতের দুই আঁখি-তারা। এক বাগানে দুটি তরু — দেবদারু আর কদমচারা।। যেন গঙ্গা সিন্ধু নদী যায় গো ব’য়ে নিরবধি, এক হিমালয় হতে আসে, এক সাগরে হয় গো হারা।। বুলবুল আর কোকিল পাখি এক কাননে যায় গো ডাকি’, ভাগীরথী যমুনা বয় মায়ের চোখের যুগল-ধারা।। পেটে-ধরা ছেলের চেয়েও চোখে ধরার মায়া বেশি, অতীতে ছিল অতিথি, আজ সে সখা প্রতিবেশী। ফুল পাতিয়ে গোলাপ বেলি এক সে-মায়ের বুকে খেলি, পাগল তারা — ভিন্ন ভাবে আল্লা ভগবানে যারা।।
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

হে বিধাতা! হে বিধাতা! হে বিধাতা! দুঃখ-শোক-মাঝে, তোমারি পরশ রাজে, কাঁদায়ে জননী-প্রায়, কোলে কর পুনরায়, শান্তি-দাতা।। ভুলিয়া যাই হে যবে সুখ-দিনে তোমারে স্মরণ করায়ে দাও আঘাতের মাঝারে। দুঃখের মাঝে তাই, হরি হে, তোমারে পাই দুঃখ-ত্রাতা।। দারা-সুত-পরিজন-রূপে হরি, অনুখন তোমার আমার মাঝে আড়াল করে সৃজন। তুমি যবে চাহ মোরে, লও হে তোদের হ’রে ছিঁড়ে দিয়ে মায়া-ডোর, ক্রোড়ে ধর আপন। ভক্ত সে প্রহ্লাদ ডাকে যবে ‘নারায়ণ’, নির্মম হয়ে তার পিতারও হর জীবন। সব যবে ছেড়ে যায় দেখি তব বুকে হায় আসন পাতা।।
রাগঃ মেঘমল্লার
তালঃ ত্রিতাল

হৃদয় কেন চাহে হৃদয়, আমি জানি মন জানে জানে নদী কেন যে সে, যায় ছুটে সাগর পানে।। কেহ বারি কেন চাহে, জানে চাতক, জানে মেঘ, জানে চকোর সুদূর নভে, চাঁদ কেন তারে টানে।। কুসুম কেন চাহে শিশির, জানে শিশির, জানে ফুল, জানে বুলবুল আছে কাঁটা, তবু যায় গুল-বাগানে। আঁখি চাহে আঁখি-বারি , মন চাহে মনোব্যথা প্রাণ আছে যার সেই জানে, কেন চাহে প্রাণে প্রাণে।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ দাদ্রা

হে মহামৌনী, তব প্রশান্ত গম্ভীর বাণী শোনাবে কবে যুগ যুগ ধরি’ প্রতীক্ষারত আছে জাগি’ ধরণী নীরবে॥ যে-বাণী শোনার অনুরাগে উদার অম্বর জাগে অনাহত যে-বাণীর ঝঙ্কার বাজে ওঙ্কার প্রণবে॥ চন্দ্র-সূর্য-গ্রহ-তারায় জ্বলে যে-বাণীর শিখা পুষ্পে-পর্ণে শত বর্ণে যে-বাণী-ইঙ্গিত লিখা। যে অনাদি বাণী সদা শোনে যোগী-ঋষি মুনি জনে যে-বাণী শুনি না শ্রবণে বুঝি অনুভবে॥
রাগঃ বিলাবল
তালঃ ত্রিতাল

হেরি আজ শূন্য নিখিল, প্রিয় তোমারি বিহনে। কোথা হায় তুমি কোথায় উঠিছে কাঁদন পবনে।। কেন বা এলে তুমি কেন বা বিদায় নিলে, স্বপনে দিয়ে দেখা মিশালে জাগরণে।। কান্তা-বিরহে হেথা ক্লান্ত কপোত কাঁদে, সে কোথায় গেছে উড়ে’ সাথি তার কোন গগনে। আঁধার ঘরে মম কেন জ্বালালে বাতি, যদি নিভায়ে দেবে ছিল গো তোমার মনে।। ভাসিয়া চলেছি আজ স্রোতের কুসুম সম, নিরাশার পাথার-জলে তোমারি অন্বেষণে।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ দাদ্রা
হরি হে তুমি তাই দূরে থাক স’রে হরি প্রভু বলে মোরা দূরে রাখি পাষাণ দেউলে রাখিয়াছি হায় তোমারে পাষাণ করে॥ তোমায় চেয়েছিল গোপিনীরা সেদিনও চেয়েছি মীরা ডেকে প্রিয়তম বলে তোমায় গোপাল বলিয়া ডাকিয়া পাইল যশোদা মা শচী কোলে অন্তরতম হতে নিশিদিন থাক তুমি অন্তরে॥ দেবতা ভাবিয়া পূজা দিই মোরা তুমি তাহা নাহি খাও তুমি লুকায়ে ভিখারি সাজিয়া মোদের পাতের অন্ন চাও। রাখাল ছেলের আধ খাওয়া ফল কেড়ে খাও তুমি হে চির সজল মোরা ভয় করি তাই লুকাইয়া থাক তুমি অভিমান ভরে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan