
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

বাঁধিয়া দুইজনে দুঁহু ভুজ বন্ধনে কাঁদিছে শ্যাম রাই। মিলনের মাঝে এত বেদনা যে বাজে গো – দেখি নাই, শুনি নাই।। সাগরে মিশে নদী, তবু কাঁদে নিরবধি, বুঝি না কেন গো – বুকে যত পায়, তত তৃষ্ণা বেড়ে যায়, সাধ মেটে না যেন গো।। সাধ কি মেটে গো চাঁদকে হেরে চকোরিণীর সাধ কি মেটে গো – মেঘ দেখে চাতকিনীর সাধ কি মেটে গো। হের, নব নাগরি নব নাগর মাতিল প্রেম-রসে, নব প্রভাত-কমলে যেন বন ভ্রমর বসে। নব সোনার শতদলে যেন নব মেঘের ছায়া কনকমালা ঘিরিল যেন বন নীল গিরি কায়া। গিরিধারীরে ধরিল, ধিরিধিরি রাধা গিরিধারীরে ধরিল।। আধ অধরে ধরে নাক’ হাসি, আধ-অধরে বাঁশি, হেরি’ আধ অঙ্গ দাস হতে চায়, আধ অঙ্গ দাসী; শ্রীচরণ ঘিরিয়া মন মধুকর গাহে, চরণাম্বুজ-রজ মাধুকরী চাহে।। বলে, ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও – ওই চরণ কমল-মধু ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও, ঐ যুগল-রূপ রাধা-শ্যাম দেখি যেন অবিরাম (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি আনন্দ-যমুনা হয়ে, চরণ ধুয়ে যাব বয়ে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি নিত্য হৃদি-ব্রজধামে হেরিব মোর রাধা-শ্যামে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও)।।
বেতার গীতিচিত্রঃ ‘যুগল মিলন’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

সখি সাজায়ে রাখ্ লো পুষ্প-বাসর তেমনি করিয়া তোরা, কে জানে কখন্ আসিবে ফিরিয়া গোপিনীর মনোচোরা। (সে কি) ভুলিয়া থাকিতে পারে, তা’র চির-দাসী রাধিকারে, কত ঝড় ঝঞ্চায় বাদল-নিশীথে এসেছে সে অভিসারে।। মধু-বন হ’তে চেয়ে আন্ আধ-ফোটা বনফুল, পাপিয়ারে বল গান গাহিতে অনুকূল। চাঁপার কলিকা এনে নূপুর গেঁথে রাখ তেমনি তমাল-ডালে ঝুলনা বাঁধা থাক্। দেহের ডালায় রূপ-অঞ্জলি ধরিয়া রাস-মঞ্চে চল্ বেশ ভূষা করিয়া। আখর : [বেঁধে রাখ্ লো — ঝুলনা তেমনি বেঁধে রাখ লো — তমাল-ডালে ঝুলনা তেমনি বেঁধে রাখ্ লো] সখি, যোগিনীর বেশ ছাড়িয়া আবার পরিব নীলাম্বরী, মথুরা ত্যজিয়া এ ব্রজে ফিরিয়া আসিবে কিশোর হরি।। হরি ফিরিয়া আসিবে, সময় পাবি না তোরা মুছিতে চোখের জল আনন্দে ভাসিবে, আনন্দ ব্রজধাম আনন্দে ভাসিবে।। আখর : [ফিরে আসিবে — কিশোর নটবর ফিরে আসিবে — এই ব্রজে পদরজ দিতে ফিরে আসিবে আসিবে] আনন্দে ভাসিবে — নিরানন্দ ব্রজপুর আনন্দে ভাসিবে — এই নিরানন্দ ব্রজপুর হরিপদ-রজ লভি’ আনন্দে ভাসিবে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
নিশি-পবন! নিশি-পবন! ফুলের দেশে যাও ফুলের বনে ঘুমায় কন্যা তাহারে জাগাও — যাও যাও যাও।। মৌ-টুস্টুস্ মুখখানি তার ঢেউ-খেলানো চুল (ওরে) ভোমরার ঝাঁক-ঘেরা যেন ভোরের পদ্ম-ফুল হাসিতে তার মাঠের সরল বাঁশির আভাস পাও যাও যাও যাও।। চাঁপা ফুলের পুত্লি-ঘেরা চাঁপা রঙের শাড়ি তারেই দেখতে আকাশ-গাঙে (ওরে) চাঁদ দেয় রে পাড়ি। তার একটুখানি চোখের আদল বাদল-মেঘে পাও। যাও যাও যাও।। ধীরে ধীরে জাগাইয়ো তায় ঝরা-কুসুম ফেলিয়া গায় জাগলে কন্যা যেন রে মোর পত্রখানি দাও — যাও যাও যাও।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

গোঠের রাখাল, বলে দে রে কোথায় বৃন্দাবন। (যথা) রাখাল–রাজা গোপাল আমার খেলে অনুক্ষণ।। (যথা) দিনে রাতে মিলন–রাসে চাঁদ হাসে রে চাঁদের পাশে, (যা’র) পথের ধূলায় ছড়িয়ে আছে শ্রীহরি–চন্দন।। (যথা) কৃষ্ণ–নামের ঢেউ ওঠে রে সুনীল যমুনায়, (যা’র) তমাল–বনে আজো মধুর কানুর নূপুর শোনা যায়। আজো যাহার কদম ডালে বেণু বাজে সাঁঝ–সকালে, নিত্য লীলা করে যথা মদন–মোহন।।
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল

মা, মা গো — আমার অহঙ্কারের মূল কেটে দে কাঠুরিয়ার মেয়ে, কত নিরস তরু হ'ল মঞ্জুরিত তোর চরণ-পরশ পেয়ে।। রোদে পুড়ে জলে ভিজে মা দিয়েছি ফুল ফল শাখায় আমার, নীড় বেঁধেছে বিহঙ্গের দল। বটের মত সারা দেহ মাগো মায়ার জটে আছে ছেয়ে।। ও মা মূল আছে তাই বৈতরণীর কূলে আছি পড়ি নইলে হ'তাম খেয়াঘাটের পারাপারের তরী। তুই খড়গের ভয় দেখাস মিছে মুক্তি আছে এরি পিছে মাগো তোর হাসির বাঁশি শুনতে পাবো অসির আঘাত খেয়ে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

রিম্ ঝিম্ রিম্ঝিম্ ঝিম্ ঘন দেয়া বরষে। কাজরি নাচিয়া চল, পুর-নারী হরষে।। কদম তমাল ডালে দোলনা দোলে কুহু পাপিয়া ময়ূর বোলে, মনের বনের মুকুল খোলে নট-শ্যাম সুন্দর মেঘ পরশে।। হৃদয়-যমুনা আজ কূল জানে না গো, মনের রাধা আজ বাধা মানে না গো। ডাকিছে ঘর-ছাড়া ঝড়ের বাঁশি অশনি আঘাত হানে দুয়ারে আসি’, গরজাক গুরুজন ভবনবাসী — আমরা বাহিরে যাব ঘনশ্যাম দরশে।।
নাটকঃ ‘অর্জুন বিজয়’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ সুবর্ণা চৌধুরী

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan