Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

দুধে আলতায় রঙ যেন তার

বাণী

দুধে আলতায় রঙ যেন তার সোনার অঙ্গ ছেয়ে
		(সে) ভিন্ গেরামের মেয়ে।
চাঁদের কথা যায় ভুলে লোক তাহার মুখে চেয়ে,
		ভিন্ গেরামের মেয়ে।
ও পারে ওই চরে যখন চুল খুলে সে দাঁড়ায়,
কালো মেঘের ভিড় লেগে যায় আকাশের ওই পাড়ায়,
পা ছুঁতে তার নদীর জলে (ও ভাই) জোয়ার আসে ধেয়ে।।
চোখ তুলে সে মেঘের পানে ভুরু যখন হানে,
অম্‌নি ওঠে রামধনু গো সেই চাহনির টানে।
কপালের সে ঘাম মুছে গো আঁচল যখন খুলে,
ধানের ক্ষেতে ঢেউ খেলে যায়, দরিয়া ওঠে দুলে।
আমি চোখের জলে খুঁজি তারেই (ও ভাই) দুখের তরী বেয়ে।।

দেশ গৌড়-বিজয়ে দেবরাজ গগনে

বাণী

দেশ গৌড়-বিজয়ে দেবরাজ গগনে এলো বুঝি সমর-সাজে।
তাহারি মেঘ-মৃদঙ্গ গুরু গুরু আষাঢ়-প্রভাতে সহসা বাজে।।
	গহন কৃষ্ণ ঐরাবত-দল
	রবিরে আবরি’ ঘিরিল নভতল,
হানে খরশর বৃষ্টি ধারা জল — পবন-বেগে প্রতি ভবন-মাঝে।।
	বনের এলোকেশ বিজলি-পাশে
	বাঁধিয়া দেব্-সেনা অট্রহাসে।
	শ্যামল গৌড়ের অমল হাসি
	শস্যে-কুসুমে ওঠে প্রকাশি’,
অঙ্গে তাহার আঘাত-রাশি — দেব-আশীর্বাদ হয়ে বিরাজে।।

সাগর হ’তে চুরি ডাগর তার আঁখি

বাণী

সাগর হ’তে চুরি ডাগর তার আঁখি।
গভীর চাহনীতে করুণা মাখামাখি।।
সফরী সম তাহে ভাসিছে আঁখি-তারা,
তাহারি লোভে যেন উড়িছে ভুরু-পাখি।।
দুলে তরঙ্গ তাহে কভু ঘোর কভু ধীরে,
আঁখির লীলা হেরি’ আঁখিতে আঁখি রাখি।।
ভীরু হরিণ-চোখে অশনি হান কেন,
শারাব-পিয়ালাতে জহর কেন সাকি।।
আঁখির ঝিনুকে কবে ফলিবে প্রেম-মোতি,
ডুবিবে আঁখি-নীরে সেদিনের নাহি বাকী।।

এত জল ও কাজল চোখে

বাণী

এত জল ও কাজল চোখে, পাষানী আনলে বল কে।
টলমল জল-মোতির মালা দুলিছে ঝালর-পলকে ।।
দিল কি পূব হাওয়াতে দোল, বুকে কি বিঁধিল কেয়া?
কাঁদিয়া কুটিলে গগন এলায়ে ঝামর-অলকে।।
চলিতে পৈঁচি কি হাতের বাঁধিল বৈচি-কাঁটাতে?
ছাড়াতে কাঁচুলির কাঁটা বিঁধিল হিয়ার ফলকে।।
[যে দিনে মোর দেওয়া-মালা ছিঁড়িলে আনমনে সখি,
জড়াল জুই-কুসুমি-হার বেণীতে সেদিন ওলো কে।।
যে-পথে নীর ভরণে যাও বসে রই সে পথ-পাশে
দেখি, নিত কার পানে চাহি কলসীর সলিল ছলকে।।]
মুকুলী-মন সেধে সেধে কেবলি ফিরিনু কেঁদে,
সরসীর ঢেউ পালায় ছুটি' না ছুঁতেই নলিন-নোলকে ।।
বুকে তোর সাত সাগরের জল, পিপাসা মিটল না কবি
ফটিক জল ! জল খুঁজিস যেথায় কেবলি তড়িৎ ঝলকে।। 

বরষ মাস যায় সে নাহি আসে

বাণী

বরষ মাস যায় — সে নাহি আসে, বরষ মাস যায়।
সখি রে সেই চাঁদ ওঠে নভে ফুলবনে ফুল ফোটে বৃথায়।।
একা সহি’ মৌন হৃদয়-ব্যথা,
আমার কাঁদন শুনি’ সে মোর যদি ব্যথা পায়।।
মরমর ধ্বনি শুনি’ পল্লবে চমকিয়া উঠি সখি
ভাবি বুঝি বঁধু মোর আসিল।
যে যায় চলিয়া, চলিয়া সে যায় চিরতরে
ফিরে আর আসে না সে হায়।।

ওরে মথুরা-বাসিনী মোরে বল্

বাণী

ওরে মথুরা-বাসিনী, মোরে বল্।
কোথায় রাধার প্রাণ — ব্রজের শ্যামল।।
		আজও রাজ-সভা মাঝে
	(সে)	আসে কি রাখাল-সাজে?
আজও তার বাঁশি শুনে যমুনার জল হয় কি উতল।।
পায়ে নূপুর কি পরে শিরে ময়ূর-পাখা,
আছে শ্রীমুখে কি অলকা তিলক আঁকা।
		রাধা রাধা ব’লে কি গো
		কাঁদে সেই ময়া-মৃগ?
নারায়ণ হয়েছে সে তোদের মথুরা এসে মোদের চপল।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan