Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

নাচে গৌরীদিবা হিম-গিরি-দুহিতা

বাণী

নাচে গৌরীদিবা হিম-গিরি-দুহিতা।
নাচে দীপ্তিমতী নাচে উমা তপতী নাচে রে চির-আনন্দিতা।।
তার কিরণ-আচল দোলে ঝলমল
গিরি-পাষাণ অটল করে টলমল
গলিয়া তুষার ঝরে নির্ঝর জল
তার চরণ-ছন্দ-চকিতা।।
তার নাচের মায়ায় প্রাণ পায় জড় জীব
ভুলি’ বিরহ সতীর জাগে যোগীন্দ্র শিব,
জাগে কুসুম-কলি গাহে বিহগ-অলি,
তার রূপে ত্রিদিব হ’ল দীপন্বিতা।।

নিয়ে কাদা মাটির তাল খেলে হোরি

বাণী

[ছ্যারা রারা রারা রারা হোলি হ্যায়]
নিয়ে কাদা মাটির তাল খেলে হোরি ভূতের পাল।
নর্দমা হতে ছিটায় কর্দম হর্দম ‘কাহার’ চাঁড়াল।।
দুই পাশের পথিকের গায়, কাদা ছিটিয়ে মোটর যায়,
নল দিয়ে ঐ জল ছিটায় ফুটপাথে উড়িয়া-দুলাল।।
হুরর গুয়ে গ্যাঁদাল ঘেঁটুর চারা, যা চলে যা ছাপরা আরা,
নিয়ে আয় বৃন্দাবনের হোলির কাদা, মূলতানী বলদের নাদা।
ছ্যারা রারা রারা রারা ছ্যারা রারা রারা রারা,
ডাল রুটি রুটি ডাল ডাল রুটি রুটি ডাল
রুটি ডাল রুটি ডাল ডাল, রুটি ডাল রুটি ডাল ডাল
মেখে চুকে মেখে চুকে গো-চোনারই গোলাপ জল
ছিটায় ভাগলপুরী গাই।
ঝি ঢেলে দেয় ছাত থেকে গোবর-গোলা আকার ছাই।
দেয় ফেলে পিকদানীর পিচ কাপড় চোপড় লালে লাল।।
[হোলি হ্যায় হোলি]
ভুঁড়িতে ফুঁড়িছে ডাক্তার পিচকারিতে হোলি হ্যায়!
টক্কর খেয়ে উল্টে পড়ে ময়লা গাড়ি হোলি হ্যায়!
ষাঁড়ের গুঁতোয় পড়ে খানায় খেলে হোরি পাঁড় মাতাল।।
[কি ব্যাপার রাই মাছের চপ হয়ে গেছি বাবা!]

‘হোরির হর্‌রা’

নীপ-শাখে বাঁধো ঝুলনিয়া

বাণী

	নীপ-শাখে বাঁধো ঝুলনিয়া,
	কাজল-নয়না শ্যামলিয়া॥
	মেঘ-মৃদঙ্গ তালে শিখী নাচে ডালে-ডালে।
	মল্লার গান গাহিছে পবন পূরবিয়া॥
	কেতকী কেশরে কুন্তল করো সুরভি,
পরো	কদম মেখলা কটি-তটে রূপ-গরবী।
	নব-যৌবন জল-তরঙ্গে,
	পায়ে পাঁয়জোর বাজুক রঙ্গে
	কাজরি ছন্দে নেচে চল করতালি দিয়া॥

নদীর স্রোতে মালার কুসুম ভাসিয়ে দিলাম প্রিয়

বাণী

নদীর স্রোতে মালার কুসুম ভাসিয়ে দিলাম, প্রিয়!
আমায় তুমি নিলে না, মোর ফুলের পূঁজা নিও।।
	পথ-চাওয়া মোর দিনগুলিরে
	রেখে গেলাম নদীর তীরে
আবার যদি আস ফিরে- তুলে গলায় দিও।।
নিভে এলো পরান -প্রদীপ পাষাণ-বেদীর তলে,
জ্বালিয়ে তা'রে রাখব কত শুধু চোখের জলে।
	তারা হয়ে দুর আকাশে
	রইব জেগে' তোমার আশে
চাঁদের পানে চেয়ে চেয়ে' আমারে স্মরিও।।

নমস্তে বীণা পুস্তক হস্তে দেবী

বাণী

নমস্তে বীণা পুস্তক হস্তে দেবী বীণাপাণি।
শতদল-বাসিনী সিদ্ধি-বিধায়িনী সরস্বতী বেদবাণী।।
	এসো আমল ধবল শুভ সাত্ত্বিকী বর্ণে,
	হংস-বাহনে লীলা উৎপল কর্ণে,
এসো বিদ্যারূপিণী মা শারদা ভারতী এসো ভীতজনে বরাভয় দানি।।
	শুদ্ধ জ্ঞান দাও শুভ্র আলোক
	অজ্ঞান তিমির অপগত হোক।
মৃতজনে সঙ্গীত-অমৃত দাও মা বীণাতে মাভৈঃ ঝঙ্কার হানি।

নিশুতি রাতের শশী গো

বাণী

নিশুতি রাতের শশী গো।
ঘুমায় সকলে নিশীথ নিঝুম
হরিল কে নয়নেরই ঘুম,
কার অভিসারে জাগো গগন-পারে —
চাঁদ ভুলানো সে-কোন্ রূপসী।।
লুকায়ে হেরি আমি অভিসার তব
তারকারা হেরে লুকায়ে নীরব,
কপট ঘুম ভেঙে হের হাসিছে সব —
দূর অলকার বাতায়নে বসি’।।

নাটকঃ ‘সাবিত্রী’

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan