Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বসিয়া বিজনে কে গো বিমনা

বাণী

	বসিয়া বিজনে কে গো বিমনা।
	নিরালায় বাসনা-তুলিকায় আঁকিছ কোন্ আল্‌পনা।।
			অনামিকায় কভু জড়াও অঞ্চল
		(কভু)	ভাসাও স্রোতে মালার ফুলদল,
কভু	আনমনে চাই গগন-কোণে যেন কোন্ উদাসী কামনা।।
পলক নাই চোখে, মুখে নাহি বাণী,
ফেলে যাওয়া যেন, কার বাঁশরিখানি।
	তাহারি আগমনী অন্তরে শুনি’
	উছলি’ উঠিবে মৌন সুরধুনী,
				বাজিবে মধু-মুরছনা।।

কে দিল খোঁপাতে ধুঁতুরা ফুল লো

বাণী

কে দিল খোঁপাতে ধুঁতুরা ফুল লো
খোঁপা খুলে কেশ হলো বাউল লো।।
পথে সে বাজালো মোহন–বাঁশি
তোর ঘরে ফিরে যেতে হলো এ ভুল লো।।
কে নিল কেড়ে তোর পৈঁচী চুড়ি
বৈঁচি মালায় ছি ছি খোয়ালি কুল লো।।
ও সে বুনা পাগল পথে বাজায় মাদল
পায়ে ঝড়ের নাচন শিরে চাঁচর চুল লো।।
দিল নাকেতে নাকছাবি বাবলা ফুলি
কুঁচের চুড়ি আর ঝুঁমকো ফুল দুল লো।।
সে নিয়ে লাজ দু’কূল দিল ঘাঘরি
সে আমার গাগরি ভাসালো জলে বাতুল লো।।

নাটকঃ মহুয়া

আল্লাজী আল্লাজী রহম কর তুমি যে রহমান

বাণী

আল্লাজী আল্লাজী রহম কর তুমি যে রহমান
দুনিয়াদারির ফাঁদে পড়ে কাঁদে আমার প্রাণ।।
	পাই না সময় ডাকতে তোমায়
	বৃথা কাজে দিন বয়ে যায়
চলতে নারি মেনে আমার নবীর ফরমান।।
দুনিয়াদারির চিন্তা এসে মনকে ভোলায় সদা
তাইতো মনে তোমায় স্মরণ করতে নারি খোদা।
	দাও অবসর তুমি ডাকার
	এই বেদনা সহে না আর
সংসারে এই দোজখ হতে করো মোরে ত্রাণ।।

পথ চলিতে যদি চকিতে

বাণী

পথ চলিতে যদি চকিতে কভু দেখা হয়, পরান-প্রিয়!
চাহিতে যেমন আগের দিনে তেমনি মদির চোখে চাহিও।।
		যদি গো সেদিন চোখে আসে জল,
		লুকাতে সে জল করিও না ছল,
যে-প্রিয় নামে ডাকিতে মোরে সে-নাম ধরে বারেক ডাকিও।।
		তোমার বঁধু পাশে (হায়) যদি রয়,
		মোরও প্রিয় সে, করিও না ভয়,
কহিব তা’রে, ‘আমার প্রিয়ারে আমারো অধিক ভালোবাসিও’।।‌
		বিরহ-বিধুর মোরে হেরিয়া,
		ব্যথা যদি পাও যাব সরিয়া,
রব না হ’য়ে পথের কাঁটা, মাগিব এ বর মোরে ভুলিও।।

নিরন্ধ্র মেঘে মেঘে অন্ধ গগন

বাণী

নিরন্ধ্র মেঘে মেঘে অন্ধ গগন।
অশান্ত-ধারে জল ঝরে অবিরল,
		ধরণী ভীত-মগন॥
ঝঞ্ঝার ঝল্লরী বাজে ঝনন্‌ননন
দীর্ঘশ্বসি’ কাঁদে অরণ্য শনশন,
প্রলয় বিষাণ বাজে বজ্রে ঘনঘন —
মূর্ছিত মহাকাল-চরণে মরণ॥
শুধিবে না কেহ কি গো এই পীড়নের ঋণ,
দুঃখ-নিশি-শেষে আসিবে না শুভদিন।
দুষ্কৃতি বিনাশায় যুগ-যুগ-সম্ভব
অধর্ম নিধনে এসো অবতার নব,
‘আবিরাবির্ম এধি’ ঐ ওঠে রব —  
জাগৃহি ভগবন্, জাগৃহি ভগবন্॥

বিদায় বেলায় সালাম লহ

বাণী

		বিদায় বেলায় সালাম লহ মাহে রমজান রোজা।
(তোমার)		ফজিলতে হালকা হ’ল গুনাহের বোঝা।।
		ক্ষুধার বদলে বেহেশ্‌তী ঈদের সুধা তুমি দিলে
		খোদার সাধনার দুঃখে কি সুখ তুমি শিখাইলে,
(তুমি)		ইশারাতে খোদায় পাওয়ার পথ দেখালে সোজা।।
		ভোগ-বিলাসী মনকে আনলে পরহেজগারীর পথে
		দুনিয়াদারী করেও মানুষ যেতে পারে জান্নাতে,
		কিয়ামতে তোমার গুণে ত্রাণ করবেন বদরুদ্দোজা।।

নাটিকা : ‘ঈদ’ (মাহ্তাবের গান)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan