
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

আজ বাদে কাল আসবে কি না কে জানে ভাই কে জানে। ভোল রে ব্যথা বেদন-আতুর, লাল শারাব-ভরপুর-প্রাণে।। ঝরছে শারাব জোছনা-উজল, হাসতেছে চাঁদ ঝলমল, কালকে এ চাঁদ খুঁজবে বৃথাই, হারিয়ে যাব কোন্খানে।। প্রেমিক যত আমার মতো মদের রঙে হোক রঙিন, হোক দীওয়ানা মস্ত্ নেশায় নিমেষ-সুখের সন্ধানে।। এম্নি চোখে হেরি ধরায় দুঃখ ব্যথার অন্ত নাই, কালের কথা আজ ভুলে যাই দুখ্-ভুলানো মদ পানে।।
রাগঃ ভূপালী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
পরজনমে দেখা হবে প্রিয়। ভুলিও মোরে হেথা ভুলিও।। এ জনমে যাহা বলা হ’ল না, আমি বলিব না, তুমিও ব’লো না। জানাইলে প্রেম করিও ছলনা, যদি আসি ফিরে, বেদনা দিও।। হেথায় নিমেষে স্বপন ফুরায়, রাতের কুসুম প্রাতে ঝ’রে যায়, ভালো না বাসিতে হৃদয় শুকায়, বিষ-জ্বালা-ভরা হেথা অমিয়।। হেথা হিয়া ওঠে বিরহে আকুলি’ মিলনে হারাই দু’দিনেতে ভুলি’, হৃদয়ে যথায় প্রেম না শুকায় সেই অমরায় মোরে স্মরিও।।
রাগঃ পরজ
তালঃ একতাল

আরক্ত কিংশুক কাঁপে, মালতীর বক্ষ ভরি’ চন্দ্রের অমৃত স্পর্শে উঠিতেছে শিহরি’ শিহরি’।। নীরব কোকিলের গুঞ্জন চৈত্র পূর্ণিমা রাত্রি, বাড়িয়াছে বক্ষের স্পন্দন, মোদের নাচের নূপুরের ছন্দ কভু চপল কভু মৃদুমন্দ, বসন্ত-উৎসব সজ্জা অন্তরাল হতে মৃদু ভাষে সুন্দর গুঞ্জন ধ্বনি কেন ভেসে আসে। মমতার মধু-বিন্দু ক্ষরিল মোরা মধু খেয়ে বলিলাম — আহা মরি।। ধরণীর অঙ্গ হতে বাসরের সজ্জা পড়ে খুলি’ গভীর আনন্দে মোরা চাহি দুটি আঁখি তুলি, চৈত্রের পূর্ণিমা রাত্রি এলো ফিরি প্রিয় তুমি কেন চ’লে গেলে ধীরি ধীরি। তুমি ফিরে এলে মোরা লভিতাম অমৃতের স্বাদ চন্দ্রের অমিয়া পান করি।।
নাটক : ‘মদিনা’
রাগঃ
তালঃ
ঈদ মোবারক হো — ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ, ঈদ মোবারক হো — রাহেলিল্লাহ্কে আপনাকে বিলিয়ে দিল, কে হলো শহীদ।। যে কোরবানি আজ দিল খোদায় দৌলৎ ও হাশমত্, যার নিজের ব’লে রইলো শুধু আল্লা ও হজরত, যে রিক্ত হয়ে পেল আজি অমৃত-তৌহিদ।। যে খোদার রাহে ছেড়ে দিল পুত্র ও কন্যায় যে আমি নয়, আমিনা ব’লে মিশলো আমিনায়। ওরে তারি কোলে আসার লাগি’ নাই নবীজীর নিদ।। যে আপন পুত্র আল্লারে দেয় শহীদ হওয়ার তরে ক্বাবাতে সে যায় না রে ভাই নিজেই ক্বাবা গড়ে সে যেখানে যায় – জাগে সেথা ক্বাবার উম্মিদ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ছিটাইয়া ঝাল নুন এলো ফাল্গুন মাস কাঁচা বুকে ধরে ঘুণ, শ্বাস ওঠে ফোঁস ফাঁস।। শিমুল ফুলের মত ফটাফট্ ফাটে হিয়া প্রেম-তুলো বের হয়ে পড়ে গো ছড়াইয়া, সবে বালিশ ধরিয়া করে ছটপট হাঁসফাঁস।। চিবুতে সজ্’নে খাড়া সজনীরা ভুলে যায়, আনাগোনা করে প্রেম পরানের দরজায়, হৃদয়ের ইঞ্জিনে গ্যাস্ ওঠে ভোঁস ভাঁস।। কচি আম-ঝোল-টক খাইয়া গিন্নি মায় বৌঝির সাথে করে টক্ষাই টক্ষাই। আইবুড়ো আইবুড়ি জল গেলে ছ’ গেলাস।। বিরহিণীদের আঁখি-কলসি হয়েছে ফুটো, গাধাও আজ গাহে গান ফেলিয়া ঘাসের মুঠো, নোনা-পাকা মন বলে, কবে আসে তালশাঁস।।
রাগঃ সোহিনী বসন্ত
তালঃ কাহার্বা

কোথায় গেলি মাগো আমার খেলনা দিয়ে ভুলিয়ে রেখে ক্লান্ত আমি খেলে খেলে এ সংসারে ও-মা ধুলা মেখে।। বলেছিলি সন্ধ্যা হ'লে ধুলা মুছে নিবি কোলে ও-মা ছেলেরে তুই গেলি ছ'লে পাইনে সাড়া ডেকে' ডেকে'।। এ কি খেলার পুতুল মা গো দিয়েছিলি মন ভুলাতে আধেক তাহার হারিয়ে গেছে আধেক ভেঙে আছে হাতে। এ পুতুলও লাগছে মা ভার তোর পুতুল তুই নে গো এবার এখন সন্ধ্যা হলো ও-মা সন্ধ্যা হলো নামলো আঁধার ঘুম পাড়া মা আঁচল ঢেকে।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan