
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

এসো এসো এসো ওগো মরণ! এই মরণ-ভীতু মানুষ-মেষের ভয় কর গো হরণ।। না বেরিয়েই পথে যা’রা পথের ভয়ে ঘরে বন্ধ-করা অন্ধকারে মরার আগেই মরে, তাতা থৈ থৈ তাতা থৈ থৈ তাদের বুকের ’পরে — ভীম রুদ্রতালে নাচুক তোমার ভাঙন-ভরা চরণ।। দীপক রাগে বাজাও জীবন-বাঁশি মড়ার মুখেও আগুন উঠুক হাসি’। কাঁধে পিঠে কাঁদে যথা শিকল জুতোর ছাপ নাই সেখানে মানুষ সেথা বাঁচাও মহাপাপ, সে দেশের বুকে শ্মাশান মশান জ্বালুক তোমার শাপ, সেথা জাগুক নবীন সৃষ্টি অবার হোক নব নাম-করণ।। হাতের তোমার দণ্ড উঠুক কেঁপে’, এবার দাসের ভুবন ভবন ব্যেপে’। মেষগুলোকে শেষ ক’রে দেশ-চিতার বুকে নাচো! শব ক’রে আজ শয়ন, হে শিব, জানাও তুমি আছ। মরায় ভরা ধরায়, মরণ! তুমিই শুধু বাঁচো — এই শেষের মাঝেই অশেষ তুমি, করছি তোমায় বরণ।। জ্ঞান-বুড়ো ঐ বলছে জীবন মায়া, নাশ কর ঐ ভীরুর কায়া ছায়া! মুক্তি-দাতা মরণ! এসো কাল-বোশেখীর বেশে; মরার আগেই মরলো যারা, নাও তাদেরে এসে। জীবন তুমি সৃষ্টি তুমি জরা-মরার দেশে, তাই শিকল বিকল মাগ্ছে তোমার মরণ-হরণ-শরণ।।
‘মরণ-বরণ’
রাগঃ বিলাবল মিশ্র
তালঃ তেওড়া

এ ঘোর শ্রাবণ-নিশি কাটে কেমনে। রহি’ রহি’ সেই মুখ পড়িছে মনে।। বিজলিতে সেই আঁখি চমকিছে থাকি’ থাকি’ শিহরিত এমনি সে বাহু-বাঁধনে।। শন শন বহে বায় সে কোথায় সে কোথায় নাহি নাহি ধ্বনি শুনি উতল পবনে হায় চরাচর দুলিছে অসীম রোদনে।।
রাগঃ তিলং
তালঃ ত্রিতাল

এসো আনন্দিতা ত্রিলোক-বন্দিতা কর দীপান্বিতা আঁধার অবনি মা। ব্যাপিয়া চরাচর শারদ অম্বর ছড়াও অভয় হাসির লাবনি মা।। সারাটি বরষ নিখিল ব্যথিত চাহিয়া আছে মা তব আসা-পথ, ধরার সন্তানে ধর তব কোলে ভুলাও দুঃখ-শোক চির-করুণাময়ী মা।। অটুট স্বাস্থ্য দীর্ঘ পরমায়ু দাও আরো আলো নির্মল বায়ু, দশ হাতে তব আনো মা কল্যাণ পীড়িত-চিত গাহে অকাল জাগরণী মা।।
রাগঃ
তালঃ তেওড়া

এ-কূল ভাঙে ও-কূল গড়ে এই তো নদীর খেলা। সকাল বেলা আমির, রে ভাই (ও ভাই) ফকির, সন্ধ্যাবেলা॥ সেই নদীর ধারে কোন্ ভরসায় বাঁধলি বাসা, ওরে বেভুল, বাঁধলি বাসা, কিসের আশায়? যখন ধরলো ভাঙন পেলি নে তুই পারে যাবার ভেলা। এই তো বিধির খেলা রে ভাই এই তো বিধির খেলা॥ এই দেহ ভেঙে হয় রে মাটি, মাটিতে হয় দেহ যে কুমোর গড়ে সেই দেহ, তার খোঁজ নিল না কেহ (রে ভাই)। রাতে রাজা সাজে নাচমহলে দিনে ভিক্ষা মেগে বটের তলে শেষে শ্মশান ঘাটে গিয়ে দেখে সবাই মাটির ঢেলা এই তো বিধির খেলা রে ভাই ভব নদীর খেলা॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ শংকর ঘোষাল
১.

২.

এলো ঐ শারদ রাতি! শেফালি-সুগন্ধে ভরিয়া পবনে, জ্বালায়ে চাঁদের বাতি।। বরষার জলধারা ত্যাজিল সে-খরবেগ ঝরঝর ঝরণে রিক্ত হইল মেঘ, শ্বেত-হংস খেলে, সারঙ্ সুরে মাতি’।। আবরণ-হীনা মেঘ ভেসে যায় বাতাসে কাহার আগমনী প্রকাশে আভাসে, কদম্ব রেণু মাখি’, এসো প্রিয় সাথি।।
রাগঃ পুরিয়া-ধানশ্রী
তালঃ কাহার্বা
এ কোন্ মধুর শরাব দিলে আল আরাবি সাকি, নেশায় হলাম দিওয়ানা যে রঙিন হল আঁখি।। তৌহিদের শিরাজি নিয়ে ডাকলে সবায় যারে পিয়ে, নিখিল জগৎ ছুটে এলো রইল না কেউ বাকি।। বসলো তোমার মহ্ফিল দূর মক্কা মদিনাতে, আল্-কোরানের গাইলে গজল শবে কদর রাতে। নরনারী বাদশা ফকির তোমার রূপে হয়ে অধীর যা ছিল নজ্রানা দিল রাঙা পায়ে রাখি’।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan