
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

এই শিকল পরা ছল মোদের এ শিকল-পরা ছল। এই শিকল পরেই শিকল তোদের করব রে বিকল।। তোদের বন্ধ কারায় আসা মোদের বন্দী হতে নয়, ওরে ক্ষয় করতে আসা মোদের সবার বাঁধন–ভয়। এই বাঁধন প’রেই বাঁধন–ভয়কে কর্ব মোরা জয়, এই শিকল– বাঁধা পা নয় এ শিকল ভাঙা কল।। তোমার বন্ধ ঘরের বন্ধনীতে কর্ছ বিশ্ব গ্রাস, আর ভয় দেখিয়েই ক’র্বে ভাবছ বিধির শক্তি হ্রাস সেই ভয় দেখানো ভূতের মোরা ক’র্বো সর্বনাশ, এবার আন্বো মাভৈঃ বিজয়–মন্ত্র বল–হীনের বল।। তোমরা ভয় দেখিয়ে কর্ছ শাসন জয় দেখিয়ে নয়; সেই ভয়ের টুঁটি ধর্ব টিপে কর্ব তারে লয়। মোরা আপনি ম’রে মরার দেশে আন্ব বরাভয়, প’রে ফাঁসি আন্ব হাসি মৃত্যু–জয়ের ফল।। ওরে ক্রন্দন নয় বন্ধন এই শিকল–ঝঞ্ঝনা, এ যে মুক্তি–পথের অগ্রদূতের চরণ–বন্দনা! এই লাঞ্ছিতেরাই অত্যাচারকে হান্ছে লাঞ্ছনা, মোদের অশ্রু দিয়েই জ্ব’লবে দেশে আবার বজ্রানল।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

স্বপনে আজ মোহাম্মদ দেখা দিয়েছে। কোরানের মালা দিয়ে পরান নিয়েছে- গো আমার পরান নিয়েছে ৷ গায়ে তাঁর নূরের চাদর দীনের ঘোম্টা মুখের উপর, রূপে তাঁর সারা ভুবন উজল হয়েছে ৷৷ নিজের পায়ে আঁধার-পথে জ্বেলে দিয়ে আমার হৃদে, রূপ দেখায়ে মন ভুলায়ে পাগল করেছে। তাঁরই নামের তস্বি হয়ে’ নাইবা বনে থাকবো গিয়ে, পেয়েছেন পথের দেখা ব'লে দিয়েছে।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

গলে টগর মালা কাদের ডাগর মেয়ে যেন রূপের সাগর চলে উজান বেয়ে॥ তার সুডোল তনু নিটোল বাহুর পরে চাঁদের আলো যেন পিছ্লে পড়ে ও কি বিজলি পরী এলো মেঘ পাসরি’ চাঁদ ভুলে যায় লোকে তার নয়নে চেয়ে॥ যেন রূপকথার দেশের সে রাজকুমারী রামধনুর রঙ ঝরে অঙ্গে তারি মদন রতি করে তার আরতি তার রূপের মায়া দুলে ভুবন ছেয়ে॥
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

বোন : সাত ভাই চম্পা কে কি হবি বল। তোরা কে কি হবি বল কেলো, ভূলো, হেবো, পচা, ভুতো, ন্যাড়া, ডল্। প্রথম ভাই : আমি হব কাব্লিওয়ালা এক কুলো চাপ দাড়ি। ‘তেরে মুসে আগা, মোর মা গায়া, লেয়াও রূপী তাড়াতাড়ি’। দ্বিতীয় ভাই : আমি হব পন্ডিত মশাই, কাঁপবে ছেলের দল দেখে কাঁপবে ছেলের দল।। তৃতীয় ভাই : আমি হব ফেরিওয়ালা চাই চানাচুর ঘুগ্নিদানা! পাড়ায় পাড়ায় ফিরব ঘুরে পারবে না কেউ করতে মানা! রাত্রে হাঁক্ব ‘কুলফী বরফ’ হায় কি মজার কল।। চতুর্থ ভাই : আমি হব জজ সাহেব, দিব ফাঁসি ছ’ মাস ক’রে পঞ্চম ভাই : দারোগা আমি, তোর জজকে চালান দিব থানায় ধ’রে। ষষ্ঠ ভাই : আমায় দেখে দারোগা গুড়ুম আমি হব কনিষ্ঠ-বল।। সপ্তম ভাই : আমি হব বাবার বাবা মা সে আমার ভয়ে ঘোম্টা দিয়ে লুকোবে কোণে চূনি-বিল্লি হয়ে! বল্ব বাবায়, ওরে খোকা শিগ্গির পাঠশাল্ চল্।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
শ্যামে হারায়েছি বলে কাঁদি না বিশাখা হারায়েছি শ্যামের হৃদয় আমি তারি তরে কাঁদি গো সেই নিদয়ের তরে নয় তার হৃদয়ের তরে কাঁদি গো হারায়েছি শ্যামের হৃদয়। যে হৃদয় ছিল একা গোপিকার রাধিকার কুবুজা করেছে তারে জয়, সখি গো কুবুজা তারে কু বুঝায়েছে যে রাধা ছাড়া জানত না সই কুবুজা তারে কু বুঝায়েছে কুবুজা করেছে তারে জয়। কি হবে মথুরা গিয়া, হেরি সে হৃদয়হীন পাষাণ দেবতায় সে কিছুই দেবে না, দেবতাই বটে গো সে দেবতাই বটে গো পাষাণ খুঁজে না রাধা তার প্রিয় আনন্দঘন শ্যামরায় তোরা যেতে চাস যা লো — ঠাকুর দেখিতে তোরা যেতে চাস যা লো, সখি গো ধরম-করম মম তনু-মন-যৌবন সঁপিনু চরণে যার সে পর-পুরুষ, হ’ল আজি অপরার পুরুষ স্বভাব ভ্রমবার। সে ভ্রমরাই সমতুল ফুলে ফুলে ভ্রমে সে ভ্রমরাই সমতুল তারে, দেখলে ভ্রমে জাতিকুল, ভ্রমরাই সমতুল পুরুষ স্বভাব ভ্রমরার যা’র হরি ছাড়া বোধ নাই প্রবোধ দিস্নে তায়, সজনী সবারই পোহাবে নিশি, পোহাবে না রাধারই এ আঁধার রজনী॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

এলো ঐ বনান্তে পাগল বসন্ত বনে বনে মনে মনে রং সে ছড়ায় রেচঞ্চল তরুণ দুরন্ত।। বাঁশীতে বাজায় সে বিধুর পরজ বসন্তের সুর পান্ডু কপোলে জাগে রঙ নব অনুরাগে রাঙা হ’ল ধূসর দিগন্ত।। কিশলয়ে পর্ণে অশান্ত ওড়ে তার অঞ্চল প্রান্ত পলাশ কলিতে তার ফুল ধনু লঘু ভার ফুলে ফুলে হাসি অফুরন্ত।। এলোমেলো দখিনা মলয় রে প্রলাপ বকিছে বনময় রে অকারণ মন-মাঝে বিরহের বেণু বাজে জেগে ওঠে বেদনা ঘুমন্ত।।
রাগঃ পরজ বসন্ত
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan