
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

পুরুষ : কুনুর নদীর ধারে ঝুনুর ঝুনুর বাজে বাজে বাজে লো ঘুঙুর কাহার পায়ে। স্ত্রী : হাতে তল্তা বাঁশের বাঁশি মুখে জংলা হাসি কে ঐ বুনো গো বড়ায় আদুল গায়ে।। পুরুষ : তার ফিঙের মত এলোখোঁপায় ঝিঙেরি ফুল স্ত্রী : যেন কালো ভোম্রার গা কালার ঝামর চুল। দ্বৈত : ও যদি না হতো পর দু’জনের হতো ঘর একই গাঁয়ে গো।। পুরুষ : ওর বাঁকা ভঙ্গিমা দেখে তৃতীয়ার চাঁদ ডেকে, হতে চাহে ওর হাঁসুলি-হার। স্ত্রী : ঝিলের শঙ্খ ঝিনুক বলে কিনুক বিনামূলে আমরা হব কালার কণ্ঠেরই হার। পুরুষ : ও মেয়ে না পাহাড়ি-ঝর্নার সুর স্ত্রী : ও পুরুষ না কষ্টি পাথরের ঠাকুর দ্বৈত : যদি বাসত ভালো, যদি আসত কাছে রাখতাম হিয়ায় লুকায়ে গো।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

সুদূর সিন্ধুর ছন্দ উতল আমরা কলগীতি চঞ্চল॥ তুফান ঝঞ্ঝা কল্লোল ছলছল ঊর্ধ্বে আমি ঝড় বহি শন্শন্ মম বক্ষে তব মঞ্জির তোলে গো রণন্ আনন্দ চিত্তে মেতে উঠি নৃত্যে গুরু গুরু গুরু বাজে বাদল মাদল॥ তুমি গগন তলে উঠি মেঘের ছলে জল-বিম্বমালা বালা পরাও গলে। তুমি বাদল হাওয়ায় কর আদন যখন মোরে কান্না পাওয়ায়। ধুলি গৈরিক ঝড়ে সাগর নীলাম্বরী জড়াইয়া অপরূপ করে ঝলমল॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বোন : সাত ভাই চম্পা কে কি হবি বল। তোরা কে কি হবি বল কেলো, ভূলো, হেবো, পচা, ভুতো, ন্যাড়া, ডল্। প্রথম ভাই : আমি হব কাব্লিওয়ালা এক কুলো চাপ দাড়ি। ‘তেরে মুসে আগা, মোর মা গায়া, লেয়াও রূপী তাড়াতাড়ি’। দ্বিতীয় ভাই : আমি হব পন্ডিত মশাই, কাঁপবে ছেলের দল দেখে কাঁপবে ছেলের দল।। তৃতীয় ভাই : আমি হব ফেরিওয়ালা চাই চানাচুর ঘুগ্নিদানা! পাড়ায় পাড়ায় ফিরব ঘুরে পারবে না কেউ করতে মানা! রাত্রে হাঁক্ব ‘কুলফী বরফ’ হায় কি মজার কল।। চতুর্থ ভাই : আমি হব জজ সাহেব, দিব ফাঁসি ছ’ মাস ক’রে পঞ্চম ভাই : দারোগা আমি, তোর জজকে চালান দিব থানায় ধ’রে। ষষ্ঠ ভাই : আমায় দেখে দারোগা গুড়ুম আমি হব কনিষ্ঠ-বল।। সপ্তম ভাই : আমি হব বাবার বাবা মা সে আমার ভয়ে ঘোম্টা দিয়ে লুকোবে কোণে চূনি-বিল্লি হয়ে! বল্ব বাবায়, ওরে খোকা শিগ্গির পাঠশাল্ চল্।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎ খেলছ জুয়া! ছুঁলেই তোর জাত যাবে? জাত ছেলের হাতের নয়তো মোয়া।। হুঁকোর জল আর ভাতের হাঁড়ি — ভাব্লি এতেই জাতির জান, তাইত বেকুব, করলি তোরা এক জাতিকে একশ’-খান। এখন দেখিস ভারত জোড়া পঁচে আছিস বাসি মড়া, মানুষ নাই আজ, আছে শুধু জাত-শেয়ালের হুক্কাহুয়া।। জানিস নাকি ধর্ম সে যে বর্ম সম সহন-শীল, তাকে কি ভাই ভাঙ্তে পারে ছোঁয়া ছুঁয়ির ছোট্ট ঢিল! যে জাত-ধর্ম ঠুন্কো এত, আজ নয় কা’ল ভাঙবে সে ত, যাক্ না সে জাত জাহান্নামে, রইবে মানুষ, নাই পরোয়া।। বলতে পারিস, বিশ্ব-পিতা ভগবানের কোন সে জাত? কোন্ ছেলের তার লাগলে ছোঁয়া অশুচি হন জগন্নাথ? ভগবানের জাত যদি নাই তোদের কেন জাতের বালাই? ছেলের মুখে থুথু দিয়ে মার মুখে দিস ধূপের ধোঁয়া।।
রাগঃ পরজ মিশ্র
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
শিল্পীঃ অনুপ ঘোষাল

নিশীথ রাতে ডাক্লে আমায়, কে গো তুমি কে? কাঁদিয়ে গেলে আমার মনের বনভূমিকে, কে গো তুমি কে।। তোমার আকুল করুণ স্বরে আজকে তা’রেই মনে পড়ে, এম্নি রাতে হারিয়েছি যে হৃদয়-মণিকে।। দুয়ার খু’লে চেয়ে আছি১ তারার পানে দূরে, আর একটিবার ডাকো ডাকো তেম্নি করুণ সুরে। একটি কথা শুন্ব ব’লে রাত কেটে যায় চোখের জলে, দাও সাড়া দাও, জাগিয়ে তোলো আঁধার পুরীকে।।
১. থাকি
রাগঃ বেহাগ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
কেমনে রাখি আঁখি–বারি চাপিয়া প্রাতে কোকিল কাঁদে নিশীথে পাপিয়া।। এ ভরা ভাদরে আমার মরা নদী উথলি’ উথলি’ উঠিছে নিরবধি আমার এ ভাঙা ঘটে, আমার এ হৃদিতটে চাপিতে গেলে ওঠে দু’কূল ছাপিয়া।। নিষেধ নাহি মানে আমার এ পোড়া আঁখি জল লুকাবো কত কাজল মাখি’ মাখি’ ছলনা ক’রে হাসি, অমনি জলে ভাসি ছলিতে গিয়া আসি ভয়েতে কাঁপিয়া।।
রাগঃ দুর্গা (খাম্বাজ ঠাট)
তালঃ আদ্ধা
শিল্পীঃ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan