
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

আঁধারের এলোকেশ ছড়িয়ে এলে তুমি ধূসর সন্ধ্যা। তোমারে অর্ঘ্য দিতে বনে ফুটিল কি তাই রজনীগন্ধা? গোধূলির রং সম তব মুখ, হায়! তরুণ হাসি কেন চকিতে মিলায়? সহসা মহুয়া বনে চঞ্চল বায় হ’ল নিথর সুমন্দা।। বিষাদ-গভীর তব নয়ন যেন নিশীথের সিন্ধু; মুদিত কমলের দলিত দলে তুমি শিশিরের বিন্দু। তুমি সকরুণ প্রার্থনা বেলাশেষের, পথ-হারা পাখি তুমি দূর বিদেশের, স্নিগ্ধ-স্রোত তুমি দূর অমরার অলকানন্দা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চম্’কে চম্’কে ধীর ভীরু পায়, পল্লী–বালিকা বন–পথে যায় একেলা বন–পথে যায়।। শাড়ি তার কাঁটা লতায়, জড়িয়ে জড়িয়ে যায়, পাগল হাওয়াতে অঞ্চল ল’য়ে মাতে — যেন তার তনুর পরশ চায়।। শিরীষের পাতায় নূপুর, বাজে তার ঝুমুর ঝুমুর, কুসুম ঝরিয়া মরিতে চাহে তার কবরীতে, পাখী গায় পাতার ঝরোকায়।। চাহি’ তা’র নীল নয়নে, হরিণী লুকায় বনে, হাতে তা’র কাঁকন হ’তে মাধবী লতা কাঁদে, ভ্রমরা কুন্তলে লুকায়।।
আরবি সুর
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুরাধা পোড়োয়াল

(আমার) আনন্দিনী উমা আজো এলো না তার মায়ের কাছে। হে গিরিরাজ! দেখে এসো কৈলাসে মা কেমন আছে॥ মোর মা যে প্রতি আশ্বিন মাসে মা মা ব’লে ছুটে আসে, ‘মা আসেনি’ ব’লে আজও ফুল ফোটেনি লতায় গাছে ॥ তত্ত্ব-তলাশ নিইনি মায়ের তাই বুঝি মা অভিমানে, না এসে তার মায়ের কোলে ফিরিছে শ্মশান মশানে। ক্ষীর নবনী ল’য়ে থালায় কেদে ডাকি, ‘আয় উমা আয়’। যে কন্যারে চায় ত্রিভুবন তাকে ছেড়ে মা কি বাঁচে॥
রাগঃ
তালঃ যৎ

তুমি শুনিতে চেয়ো না আমার মনের কথা দখিনা বাতাস ইঙ্গিতে বোঝে কহে যাহা বনলতা।। চুপ ক'রে চাঁদ সুদুর গগনে মহা-সাগরের ক্রন্দন শোনে, ভ্রমর কাদিঁয়া ভাঙিতে পারে না কুসুমের নীরবতা।। মনের কথা কি মুখে সব বলা যায়? রাতের আঁধারে যত তারা ফোটে আঁখি কি দেখিতে পায়? পাখায় পাখায় বাঁধা যবে রয় বিহগ-মিথুন কথা নাহি কয়, মধুকর যবে ফুলে মধু পায় রহে না চঞ্চলতা।।
গীতিচিত্রঃ ‘অতনুর দেশ’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

দ্বৈত : ঝুমুর নাচে ডুমুর গাছে ঘুঙুর বেঁধে গায় (লো)। নাচন দুজন মাদল, বাঁশি, নূপুর নিয়ে আয় (লো)।। স্ত্রী : আর জনমে চোরকাঁটা তুই ছিলি (রে) এই জনমে আঁচল ছিঁড়ে হৃদয়ে বিঁধিলি। পুরুষ : চোরকাঁটা নয় ছিলাম পানের খিলি লো গয়না ছিলাম গায় (লো)।। স্ত্রী : ঝিলমিলয়ে ঝিলের জল নাচায় শালুক ফুল — পুরুষ : শালুক যেন মুখাখানি তোর লো ঝিলের ঢেউ যেন এলোচুল। স্ত্রী : কুহু কুহু ডেকে কোকিল কাহার কথা কহে পুরুষ : সেই কথা কয় কোয়েলা আর জনমে করেছি যা তোরই বিরহে। দ্বৈত : সে জনমের দু’টি হৃদয় এ জনমে হায় এক হতে যে চায় লো এক হতে যে চায়।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

কে এলে মোর চিরচেনা অতিথি দ্বারে মম। ফুলের বুকে মধুর মত পরাগে সুবাস সম।। বর্ষা-শেষে চাঁদের মতন উদয় তোমার নীরব গোপন, জোছনা-ধারায় নিখিল ভুবন ছাইয়া অনুপম।। হৃদয় বলে, চিনি চিনি আঁখি বলে দেখিনি, তায়, মন বলে, প্রিয়তম।।
রাগঃ বেহাগ-মান্দ্
তালঃ কাহার্বা
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan