
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

উজান বাওয়ার গান গো এবার, গাস্নে ভাটিয়ালি আর গাস্নে ভাটিয়ালি। নূতন আশার চাঁদ উঠেছে কুম্ড়ো জালির ফালি যেন কুম্ড়ো জালির ফালি।। বান এসেছে, বাঁধ ভেঙেচে, নায়ে দোলা লাগে আড়-বাঁশিতে তান ছেড়ে তুই দাঁড়্ বেয়ে চল্ আগে দেখ্ জোয়ার-জলে ডু’বে গেছে চরের চোরাবালি।। কালো বউ-এর চোখ যেন, দেখ্ মৌরলা মাছ ভাসে গাঙ্চিল আর জল-পায়রা উড়ছে মুখের পাশে, শোন্ বউ কথা কও পাখি, মোদের করছে দূতিয়ালি।। জল নিয়ে বৌ দাঁড়িয়ে আছে, গাছে কচি ডাব লোক্সানেরই হিসাব দেখিস, লাভের কথা ভাব্, সাজ্ রে তামুক, নামুক দেয়া, দুক্ষু ত ইজমালি।।
রাগঃ
তালঃ
চঞ্চল সুন্দর নন্দকুমার। গোপী চিতচোর প্রেম-মনোহর নওল কিশোর অন্তর মাঝে বাজে বেণু তার নন্দকুমার নন্দকুমার, নন্দকুমার॥ শ্রাবণ আনন্দ নূপুর ছন্দ রুনুঝুনু বাজে নন্দের আঙিনায় নন্দন চন্দ, নাচিছে হেলে দুলে গোপাল সাজে। টলমল টলে রাঙা পদতলে লঘু হ’য়ে বিপুল ধরণীর ভার — নন্দকুমার, নন্দকুমার, নন্দকুমার॥ রূপ নেহারিতে এলো লুকায়ে দেবতা কেহ গোপগোপী হলো, কেহ তরুলতা; আনন্দ-অশ্রু নদী হ’য়ে বয়ে যায়, উতল যমুনায়। প্রণতা প্রকৃতি নিরালা সাজায়, বনডালায় পূজা ফুল সম্ভার। নন্দকুমার, নন্দকুমার, নন্দকুমার॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমার মা ত্বং হি তারা তুমি ত্রিগুণধরা পরাৎপরা মা ত্বং হি তারা। আমি জানি মা ও দীনদয়াময়ী তুমি দুর্গমেতে দুঃখহরা, মা ত্বং হি তারা। তুমি জলে তুমি স্থলে তুমি আদ্যমূলে গো মা, আছ সর্বঘটে অর্ঘ্যপুটে সাকার আকার নিরাকারা মা ত্বং হি তারা। তুমি সন্ধ্যা তুমি গায়ত্রী তুমি জগদ্ধাত্রী গো মা অকুলের প্রাণকর্ত্রী সদা শিবের মনোহরা। মা ত্বং হি তারা।।
রাগঃ
তালঃ
চোখের বাঁধন খুলে দে মা খেলব না আর কানামাছি। আমি মার খেতে আর পারি না মা এবার বুড়ি ছুঁয়ে বাঁচি।। তুই পাবি অনেক মেয়ে ছেলে যাদের সাধ মেটেনি খেলে খেলে, তুই তাদের নিয়েই খেল না মা গো শ্রান্ত আমি রেহাই যাচি। দুঃখ-শোক-ঋণ-অভাব ব্যাধি মায়ার খেলুড়িরা মিলে, শত দিকে শত হাতে আঘাত হানে তিলে তিলে। চোর হয়ে মা আর কত দিন ঘুরব ভবে শান্তিবিহীন, তোর অভয় চরণ পাই না কেন মা তোর এত কাছে আছি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

তুমি রহিমুর রহমান আমি গুণাহগার বান্দা। হাত ধ’রে মোর পথ দেখাও য়্যা আল্লাহ্ আমি আন্ধা।। (মোর) সারা জীবন গেল কেটে পাঁচ ভুতেরই বেগার খেটে, (এখন) শেষের বেলা ঘুচাও আল্লা এই দুনিয়ার ধান্দা।। (আল্লা) আমি তোমার বনের পাখি, কেন আমায় ধ’রে — রাখ্লে মায়ার শিক্লি বেঁধে এই দেহ-পিঞ্জরে। ব’লে এদের বাঁধা বুলি আল্লা তোমায় গেছি ভুলি’, (এবার) শিক্লি কেটে কাছে ডাকো শেষ কর এই কান্দা।।
রাগঃ
তালঃ
আমার যখন পথ ফুরাবে, আসবে গহীন রাতি (খোদা) — তখন তুমি হাত ধ'রো মোর হয়ো পথের সাথী (খোদা)।। অনেক কথা হয়নি বলা, বলার সময় দিও, খোদা — আমার তিমির অন্ধ চোখে দৃষ্টি দিও প্রিয়, খোদা বিরাজ করো বুকে তোমার আরশটিকে পাতি'।। সারা জীবন কাটলো আমার বিরহে বঁধু, পিপাসিত কন্ঠে এসে দিও মিলন-মধু। তুমি যথায় থাকো প্রিয় সেথায় যেন যাই, খোদা সখা ব'লে ডেকো আমায়, দীদার যেন পাই, খোদা। সারা জনম দুঃখ পেলাম, যেন এবার সুখে মাতি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan