Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

তিমির বিদারী অলখ-বিহারী কৃষ্ণ মুরারি

বাণী

তিমির বিদারী অলখ-বিহারী কৃষ্ণ মুরারি আগত ঐ
টুটিল আগল নিখিল পাগল সর্বসহা আজি সর্বজয়ী।।
বহিছে উজান অশ্রু-যমুনায়
হৃদি-বৃন্দাবনে আনন্দ ডাকে, (ওরে) ‌‘আয়’,
বসুধা যশোদার স্নেহধার উথলায়
(ওগো) কাল্‌-রাখাল নাচে থৈ-তা-থৈ।।
বিশ্ব ভরি' ওঠে স্তব নমো নমঃ
অরির পুরী-মাঝে এলো অরিন্দম।
ঘিরিয়া দ্বার বৃথা জাগে প্রহরী জন
বন্ধ কারায় এলো বন্ধ-বিমোচন,
ধরি' অজানা পথ আসিল অনাগত
জাগিয়া ব্যথাহত ডাকে, মাভৈঃ।।

মোর ভুলিবার সাধনায় কেন সাধ বাদ

বাণী

মোর ভুলিবার সাধনায় কেন সাধ বাদ।
কেন নিরাশা-আঁধারে জ্বালো আশার চাঁদ।।
	যে প্রেম লভিয়াছে সমাধি,
	কি হবে সেথায় আর কাঁদি’,
বাঁচিবে না নয়নের জলে সে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে যার সুখ-সাধ।।
যে তরুর কাটিয়াছ মূল, কেন ফুল সেথা চাও,
নির্জন অরণ্যে বিরহ-তাপে তা’রে শুকাইতে দাও।
	শুভ লগ্নের ক্ষণ ভুবনে
	একবার আসে শুধু জীবনে,
ব’য়ে গেছে সেই শুভ দৃষ্টির শুভক্ষণ আর পাইব না তব আঁখির প্রসাদ।।

রুমুঝুম রুমুঝুম্ কে এলে নূপুর পায়

বাণী

রুমুঝুম রুমুঝুম্ কে এলে নূপুর পায়
ফুটিল শাখে মুকুল ও রাঙা চরণ-ঘায়।।
সে নাচে তটিনী-জল টলমল টলমল,
বনের বেণী উতল ফুলদল মুরছায়।।
বিজরি-জরীর আঁচল ঝলমল ঝলমল
নামিল নভে বাদল ছলছল বেদনায়।
তালীবন থৈ তাথৈ করতালি হানে ঐ, (হায় রে হায়)
‌‌‘কবি, তোর তমালী কই’ — শ্বসিছে পুবালি-বায়।।

আমার ঘরের পাশ দিয়ে সে

বাণী

আমার ঘরের পাশ দিয়ে সে চলতো নিতুই সকাল-সাঁঝে।
আর এ পথে চলবে না সে, সেই ব্যথা হায় বক্ষে বাজে।।
আমার দ্বারের কাছটিতে তার ফুটতো লালী গালের টোলে,
টলতো চরণ, চাউনি বিবশ, কাঁপতো নয়ন-পাতার কোলে —
					কুঁড়ি যেমন খোলে গো!
কেউ কখনো কইনি কথা, কেবল নিবিড় নীরবতা
সুর বাজাতো অনাহতা গোপন মরম-বীণার মাঝে।।
মূক পথের আজ বুক ফেটে যায় স্মরি’
	তারি পায়ের পরশ বুক-খসা তার আঁচর-চুমু,
রঙিন ধুলো পাংশু হ’ল, ঘাস শুকোলো যেচে’
	বাচাল যোড়-পায়েলার রুমু-ঝুমু।
আজো আমার কাটবে গো দিন রোজই যেমন কাটতো বেলা,
একলা ব’সে শূন্য ঘরে — তেমনি ঘাটে ভাসবে ভেলা —
					অবহেলা হেলা-ফেলায় গো!
	শুধু সে আর তেমন ক’রে
	মন র’বে না নেশায় ভ’রে
আসার আশায় সে কার তরে সজাগ হ’য়ে সকল কাজে।
ডুকরে কাঁদে মন-কপোতী ‘কোথায় সাথির কূজন বাজে?
					সে-পার ভাষা কোথায় রাজে।।

বেলা গেল সন্ধ্যা হ’ল

বাণী

বেলা গেল সন্ধ্যা হ’ল, (ওরে) এখন খোল আঁখি।
তুই সোনার খনির কাছে এসে ফিরলি ধূলা-মাখি।।
	এ সংসারের সার ছেড়ে তুই
	সং সেজে হায়, বেড়াস নিতুই,
যে তোরে ধন-রত্ন দিলো তারেই দিলি ফাঁকি।।
ভুলে রইলি যাদের নিয়ে, তাদের পেলি কোথা হতে,
তোর যাবার বেলায় কেউ কি সাথি হবে রে তোর পথে।
	এখনো তুই ডাক একবার
	নাইরে সীমা তাহার দয়ার,
সে-ই করবে ক্ষমা, ঘুম পাড়াবে শীতল বুকে রাখি।।

ইয়া মোহাম্মদ বেহেশত্‌ হতে

বাণী

ইয়া মোহাম্মদ, বেহেশেত্‌ হতে খোদায় পাওয়ার পথ দেখাও
এই দুনিয়ার দুঃখ থেকে এবার আমায় নাজাত দাও।।
পীর মুর্শীদ পাইনি আমি, তাই তোমায় ডাকি দিবস-যামী,
তোমারই নাম হউক হজরত আমার পরপারের নাও।।
অর্থ-বিভব-যশ-সম্মান চেয়ে চেয়ে নিশিদিন
দুঃখে শোকে জ্ব’লে মরি পরান কাঁদে শ্রান্তিহীন।
আল্লা ছাড়া ত্রিভুবনে, শান্তি পাওয়া যায় না মনে
কোথায় পাব সে আবহায়াত ইয়া নবীজী রাহ্‌ বাতাও।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan