Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

যাস্‌নে মা ফিরে যাস্‌নে

বাণী

যাস্‌নে মা ফিরে, যাস্‌নে জননী ধরি দুটি রাঙা পায়।
শরণাগত দীন সন্তানে ফেলি’ ধরার ধূলায় (মা) ধরি রাঙা পায়।।
(মোরা) অমর নহি মা দেবতাও নহি
	শত দুখ সহি’ ধরণীতে রহি’,
মোরা অসহায়, তাই অধিকারী মাগো তোর করুণায়।।
দিব্যশক্তি দিলি দেবতারে মৃত্যু-বিহীন প্রাণ,
তবু কেন মাগো তাহাদেরি তরে তোর এত বেশি টান?
(আজো) মরেনি অসুর মরেনি দানব
	ধরণীর বুকে নাচে তান্ডব,
সংহার নাহি করি’ সে অসুরে চলে যাস্ বিজয়ায়।।

নাটিকা: ‘বিজয়া’

এলো শারদশ্রী কাশ-কুসুম-বসনা

বাণী

এলো শারদশ্রী কাশ-কুসুম-বসনা রসলোক-বাসিনী
ল’য়ে ভাদরের নদী সম রূপের ঢেউ মৃদু মধু-হাসিনী।।
	যেন কৃশাঙ্গী তপতী তপস্যা শেষে
	সুন্দর বর পেয়ে হাসে প্রেমাবেশে,
আমন ধানের শিষে মন ভোলানো কোন্ কথা কয় সে মঞ্জুল-ভাষিণী।।
শিশির স্নিগ্ধ চাঁদের কিরণ ওকি উত্তরী তার,
অরণ্য কুন্তলে খদ্যোত মণিকা মালতীর হার।
	তার আননের আবছায়া শতদলে দোলে
	হংসধ্বনিতে মায়া মঞ্জীর বোলে,
সে আনন্দ এনে কেঁদে চলে যায় বিজয়ায় বেদনার বেদমতী সন্ন্যাসিনী।।

গীতি আলেখ্য : ‘শারদশ্রী’

তোর রাঙা পায়ে নে মা শ্যামা

বাণী

তোর রাঙা পায়ে নে মা শ্যামা আমার প্রথম পূজার ফুল।
ভজন, পূজন জানি না মা হয়ত হবে কতই ভুল।।
	দাঁড়িয়ে দ্বারে ‘মা মা’ বলে
	ভাসি আমি নয়ন জলে।
ভয় হয় মা ছুঁই কেমনে মা তোর পূজার বেদী-মূল।।
আশ্রয় মোর নাই জননী ত্রিভুবনে কোথাও হায়!
দাঁড়াই মাগো কাহার কাছে তুইও যদি ঠেলিস পায়।
	হানে হেলা সবাই যা’রে
	তুই নাকি কোল দিস্‌ মা তা’রে	
আমি সেই আশাতে এসেছি মা অকূলে তুই দে মা কূল।।

আল্লা নামের দরখ্‌তে ভাই

বাণী

	আল্লা নামের দরখ্‌তে ভাই ফুটেছে এক ফুল।
তাঁরে	কেউ বলে মোস্তফা নবী, কেউ বলে রসুল।।
	পয়গম্বর ফেরেশ্‌তা হুর পরী ফকির ওলি
	খুঁজে জমিন আসমান ভাই দেখতে সে ফুল-কলি,
সে-ফুল	যে দেখেছে সেই হয়েছে বেহেশ্‌তি বুলবুল।।
	আল্লা নামের দরিয়াতে ভাই উঠলো প্রেমের ঢেউ
তারে	কেউ বলে আমিনা দুলাল, মোহম্মদ কয় কেউ,
সে-ঢেউ	যে দেখেছে সে পেয়েছে অকূলের কূল।।
	আল্লা নামের খনিতে ভাই উঠেছে এক মণি
	কোটি কোহিনূর ম্লান হয়ে যায় হেরি’ তার রোশ্‌নি,
সেই	মণির রঙে উঠল রেঙে ঈদের চাঁদের দুল
তারে	কেউ বলে মোস্তফা নবী, কেউ বলে রসুল।।

আমার মালায় লাগুক তোমার

বাণী

	আমার মালায় লাগুক তোমার মধুর হাতের ছোঁওয়া
	ঘিরুক তোমায় মোর আরতি পূজা-ধূপের ধোঁওয়া।।
		পূজায় ব'সে দেব-দেউলে
		তোমায় দেখি মনের ভুলে
প্রিয়	তুমি নিলে আমার পূজা হবে তারই লওয়া
		হবে দেবতারই লওয়া।।
		তুমি যেদিন প্রসন্ন হও ঠাকুর চাহেন হেসে
	কাঁদলে তুমি, বুকে আমার দেবতা কাদেঁন এসে।
		আমি অন্ধকারে ঠাকুর পুজে
		ঘরের মাঝে পেলাম খুজেঁ
	সে যে তুমি, আমার চির অবহেলা-সওয়া।।

কমলা রূপিণী শক্তি-স্বরূপিণী

বাণী

কমলা রূপিণী, শক্তি-স্বরূপিণী
পতিব্রতা সতী ধর্ম-বিধায়িনী — সীতা, জয় সীতা।
জনক দুলারী রাজকুমারী
লব-কুশ-জননী, রাম-কী পিয়ারী — সীতা, জয় সীতা।।
	আওধ-প্রজাকুল শান্তি-বিধায়িনী
	পতি-অনুগামিনী, বন-বনচারিণী,
অশোক-কানন উজ্জ্বলকারিণী — সীতা, জয় সীতা।।
	বসুমতী-অঙ্ক সমুজ্জ্বল-কারিণী
	সতীকে তেজ-বল-অগ্নিনিবারণী,
সুখ-দুখমে পতি-চরম ভিখারিনী — সীতা, জয় সীতা।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan