
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

মহান তুমি প্রিয়! এই কথাটির গৌরবে মোর চিত্ত ভ’রে দিয়ো।। অনেক আশায় ব’সে আছি যাত্রা শেষের পর, তোমায় নিয়েই পথের ’পরে বাঁধবো আমার ঘর — হে চির-সুন্দর! পথ-শেষে সেই তোমায় যেন করতে পারি ক্ষমা, হে মোর কলঙ্কিনী প্রিয়তমা! সেদিন যেন বলতে পারি, — ‘এসো এসো প্রিয়, বক্ষে এসো, এসো আমার পূত কমনীয়।।’ হায় হারানো লক্ষ্মী আমার! পথ ভুলেছ ব’লে চির-সাথী যাবে তোমার মুখ ফিরিয়ে চ’লে? জান্ ওঠে হায় মোচড় খেয়ে, চলতে পড়ি ট’লে অনেক জ্বালায় জ্বলে’ প্রিয় অনেক ব্যথায় গলে’। বারে বারে নানান রূপে ছ’ল্তে আমায় শেষে, কলঙ্কিনী! হাতছানি দাও সকল পথে এসে, কুটিল হাসি হেসে।। ব্যথায় আরো ব্যথা হানাই যে সে! তুমি কি চাও তোমার মতই কলঙ্কী এই আমি? এখন তুমি সুদূর হ’তে আসবে ঘরে নামি’। হে মোর প্রিয়া হে মোর বিপথ-গামী! পথের আজো অনেক বাকী, তাই যদি হয় প্রিয় — পথের শেষে তোমায় পাওয়ার যোগ্য করেই নিও।।
রাগঃ
তালঃ
বাদলা রাতে চাঁদ উঠেছে কৃষ্ণ মেঘের কোলে রে। ব্রজ পুরে তমাল-ডালের ঝুলনাতে দোলে রে।। নীল চাঁদ আর সোনার চাঁদে বাঁধা বন-মালার ফাঁদে রে এই চাঁদ হেসে আরেক চাঁদের অঙ্গে পড়ে ঢ’লে রে।। যুগল শশী হেরি গোপী কহে, বাদলা রাতই ভালো রে, গোকুল এলো ব্রজে নেমে ধরা হল আলো রে। দেব-দেবীরা চরণ-তলে বৃষ্টি হয়ে পড়ে গ’লে রে, বেদ-গাথা সব নূপুর হয়ে রুনুঝুনু বোলে রে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

মায়ের আমার রূপ দেখে যা মা যে আমার কেবল জ্যোতি। (মার) কৌশিকি রূপ দেখ্ রে চেয়ে, মা, শুদ্ধা মহা স্বরস্বতী।। পরম শুভ্র জ্যোতির্ধারায় নিখিল বিশ্ব যায় ডুবে যায়। কোটি শ্বেতশতদলে বিরাজে মা বেদবতী।। সপ্তসর্গ সপ্ত পাতাল শুদ্ধ হয়ে উঠল নেয়ে সাত্ত্বিকি মোর জগন্মাতার জ্যোতির্সুধার প্রসাদ পেয়ে। নৃত্যময়ী শব্দময়ী কালী এলো শান্ত কল্যাণ-দীপ জ্বালি’ দেখ রে পরমাত্মায় সব জননী সে জ্যোতিষ্মতী।।
রাগঃ কৌশিক কানাড়া
তালঃ একতাল

দোলে বন-তমালের ঝুলনাতে কিশোরী-কিশোর চাহে দুঁহু দোঁহার মুখপানে চন্দ্র ও চকোর, যেন চন্দ্র ও চকোর প্রেম-আবেশে বিভোর।। মেঘ-মৃদঙ বাজে সেই ঝুলনের ছন্দে রিম ঝিম বারিধারা ঝরে আনন্দে হেরিতে যুগল শ্রীমুখ চন্দে গগনে ঘেরিয়া এলো ঘন-ঘটা ঘোর।। নব নীরদ দরশনে চাতকিনী প্রায় ব্রজ-গোপিনী শ্যামরূপে তৃষ্ণা মিটায় গাহে বন্দনা-গান দেব-দেবী অলকায় ঝরে বৃষ্টিতে সৃষ্টির প্রেমাশ্রু-লোর।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা (দ্রুত লয়)

আমার সকলি হরেছ হরি এবার আমায় হ’রে নিও। যদি সব হরিলে নিখিল-হরণ তবে ঐ চরণে শরণ দিও।। আমায় ছিল যারা আড়াল ক’রে হরি তুমি নিলে তাদের হ’রে, ছিল প্রিয় যারা গেল তারা (হরি) এবার তুমিই হও হে প্রিয়।।
রাগঃ আশাবরী / জৌনপুরী
তালঃ কাওয়ালি

বদ্না গাড়ুতে বসে মুখোমুখী দিব্বি হয়েছে ভাব! বদনা চাহিছে শুক্তুনী আর – চাহিছে গাড়ু কাবাব।। গাড়ু বলে এসো বদনা ভাইটি হোক শুভ চোখাচোখি। তুমি মোর হাতে পেঁয়াজ দাও আর আমি দিই হরতকি।। [শুনে বদনা ভাবে গদগদ হয়ে বলছেন ‘গাড়ুদাদা দাড়িতে একবার টিকিতে বুলাও না’] ও গাড়ু দাদা দাড়িতে বুলাও টিকি – ছুরি ও নাদ্না রাখি দোঁহে এসো আস্নাই করা শিখি।। [গাড়ু তখন ভাব জমিয়ে বলছেন] পাখিদের মাঝে বামুন যে রাম পাখি। কেননা মাথায় উহার জবা-ফুল বাঁধা টিকি দেখ নাকি তাহা দেখ নাকি? [বদনা তখন বদন ব্যাদন করে বলছেন] ও তো টিকি নয় দাদা ও যে তুর্কী ফেজ্। পাখিদের মাঝে উনি মোল্লাজী হ্যাঁদু নয় হরগেজ।। [গাড়ু তখন বদনার পিঠে নল বুলিয়ে বলছেন] হাতে দিব ক্ষীর নাড়ু ভাই, ছেড়ে দাও খাওয়া ঐ বড়টা। [শুনে বদনা অবাক – বল্লে] রে মদনা তাহলে কি দিয়ে খাইব পরটা? গাড়ু বলে, আহা দোস্তীর তরে ছাড়িতে হয়। এসা দাদা এসো জড়াজড়ি করি বদ্না গড়ায়ে কয়।। জড়াজড়ি থেকে গড়াগড়ি দুই নলে প্রেমবারি ঝরে। সেই ভাব দেখে বিদেশী কেটলী রাগে টগবগ করে।।
‘ভাই ভাই এক-ঠাঁই’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan