
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

একডালি ফুলে ওরে সাজাব কেমন ক’রে। মেঘে মেঘে এলোচুলে আকাশ গিয়াছে ভ’রে।। কেন দিলে বনমালী এইটুকু বন-ডালি, সাজাতে কি না সাজাতে কুসুম হইল খালি। ছড়ায়েছে ফুলদল অভিমানে ডালি ধ’রে।। কেতকী ভাদর-বধু ঘোমটা টানিয়া কোণে লুকায়েছে ফণি-ঘেরা গোপন কাঁটার বনে। কামিনী ফুল মানা মানে না ছুঁতে পড়েছে ঝ’রে।। গন্ধ-মাতাল চাঁপা দুলিছে নেশার ঝোঁকে, নিলাজী টগর-বালা চাহিয়া ডাগর চোখে, দেখিয়া ঝরার আগে বকুল গিয়াছে ম’রে।।
রাগঃ তিলককামোদ-দেশ
তালঃ কাওয়ালি
কোন্ সে-সুদূর অশোক-কাননে বন্দিনী তুমি সীতা। আর কতকাল জ্বলিবে আমার বুকে বিরহের চিতা।। সীতা — সীতা!! বিরহে তোমার অরণ্যচারী কাঁদিব রঘুবীর বল্কলধারী, ঝরা চামেলির অশ্রু ঝরায়ে ঝুরিছে বন-দুহিতা।। সীতা — সীতা!! তোমার আমার এই অনন্ত অসীম বিরহ নিয়া, কত আদি কবি কত রামায়ন রচিবে, কে জানে প্রিয়া! বেদনার সুর-সাগর তীরে দয়িতা আমার এসো এসো ফিরে, আবার আঁধার হৃদি-অযোধ্যা হইবে দীপান্বিতা।। সীতা — সীতা!!
নাটকঃ ‘বন্দিনী বিরহিনী সীতা’
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা

নিশীথ রাতে ডাক্লে আমায়, কে গো তুমি কে? কাঁদিয়ে গেলে আমার মনের বনভূমিকে, কে গো তুমি কে।। তোমার আকুল করুণ স্বরে আজকে তা’রেই মনে পড়ে, এম্নি রাতে হারিয়েছি যে হৃদয়-মণিকে।। দুয়ার খু’লে চেয়ে আছি১ তারার পানে দূরে, আর একটিবার ডাকো ডাকো তেম্নি করুণ সুরে। একটি কথা শুন্ব ব’লে রাত কেটে যায় চোখের জলে, দাও সাড়া দাও, জাগিয়ে তোলো আঁধার পুরীকে।।
১. থাকি
রাগঃ বেহাগ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
হায় ঝ’রে যায় মোর আশা-কুসুম বারে বারে। ফিরে যায় কেঁদে বসন্ত কুঞ্জ-দুয়ারে।। বহিল বৈশাখী ঝড়, ঝরিয়া গেল বনফুল, বিঁধিছে কণ্টক স্মৃতির, উড়িয়া গেল গো বুল্বুল্। যেন কার ব্যথিত নিশ্বাস শ্বসিয়া ফিরিছে হেথা, দলিত রাঙা গোলাপে জাগিছে তাহারি ব্যথা। মুরছায় দশ দিশি যেন ব্যথা-ভারে।। ছিল যথায় রাঙা ফুল-মেলা আজি পাতা ঝরার সেথা খেলা, অবেলায় বাজে বিদায়-বাঁশি বন-পারে।।
রাগঃ পাহাড়ি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
দেশ গৌড়-বিজয়ে দেবরাজ গগনে এলো বুঝি সমর-সাজে। তাহারি মেঘ-মৃদঙ্গ গুরু গুরু আষাঢ়-প্রভাতে সহসা বাজে।। গহন কৃষ্ণ ঐরাবত-দল রবিরে আবরি’ ঘিরিল নভতল, হানে খরশর বৃষ্টি ধারা জল — পবন-বেগে প্রতি ভবন-মাঝে।। বনের এলোকেশ বিজলি-পাশে বাঁধিয়া দেব্-সেনা অট্রহাসে। শ্যামল গৌড়ের অমল হাসি শস্যে-কুসুমে ওঠে প্রকাশি’, অঙ্গে তাহার আঘাত-রাশি — দেব-আশীর্বাদ হয়ে বিরাজে।।
রাগঃ দেশ-গৌড়
তালঃ তেওড়া

কিশোর রাখাল বেশে মেষ চারণে যায় নবী নীল রেশমি রুমাল বেঁধে তার চারু-চাঁচর কেশে। তাঁর রাঙা পদতলে পুলকে ধরা টলে তাঁর রূপ -লাবনির ঢলে মরুভূমি গেল ভেসে।। তাঁর মুখে রহে চাহি মেষ-শিশু তৃণ ভুলি' বিশ্বের শাহানশাহ আজ মাখে গোঠের ধূলি, তাঁর চরণ-নখরে কোটি চাঁদ কেঁদে মরে তাঁর ছায়া ক'রে চলে আকাশে মেঘ এসে।। কিশোর নবী গোঠে চলে তাঁর চরণ-ছোঁয়ায় পথের পাথর মোম হয়ে যায় গ'লে তসলিম জানায় পাহাড় চরণে ঝুকে তাঁহার। নারাঙ্গি,আঙুর,খরজুর,পায়ে নজরানা দেয় হেসে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan