
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

ফুলবনে যদি বসন্ত এলো মনবনে নাহি এলো, কেন মনবনে নাহি এলো।। বিবশা এ হিয়া উঠিছে রাঙিয়া মধুর পরশন মাগিয়া, ফুরাবে সবই কি, বিফল-চাওয়া চাহিয়া।। তৃষিত এ প্রাণ চাহে যাহারে গগন-পারে খোঁজে তাহারে, অ-ধরা কি রবে পিয়া রে।।
মিশ্র সুর
তালঃ কাহার্বা
সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ, সকল অশোভন।। এ প্রাণ প্রভাতী-তারার প্রায় ফুটুক উদয়-গগন-গায়, দুঃখ নিশায় আন পূর্ণ চাঁদের স্বপন।। সকল বিরস-হৃদয়-মন সরস কর হে, আশার সূর্য্যে মৃত্যু-গহন বিপদ হর হে। কাঁটার ঊর্ধ্বে ফোটাও ফুল ভোলাও পথের দুঃখ ভুল, এ বিশ্ব হোক পূজা-দেউল পবিত্র-মোহন।।
রাগঃ সরফর্দা
তালঃ একতাল
কালো পাহাড় আলো করে কে ও কে কালো শশী, নিতুই এসে লো বাজায় বাঁশি কদম তলায় বসি।। সই লো মানা কর্ না ওকে, ও চায় না যেন অমন চোখে, ওর চাউনি দেখে অলপ বয়সে হলাম দোষী।। গুরুজনের সে ভয় করে না, বাঁকিয়ে ভুরু ডাকে — সে ডাকে, আমারে সে ডাকে। রাতের বেলায় চোরের মত চাহে বেড়ার ফাঁকে। আমি না চাহিলে নূপুর ছুঁড়ে কলসি ভেঙে পালায় দূরে, আমি মরেছি সই প'রে তাহার বনমালার রশি।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

তুমি কোন্ পথে এলে হে মায়াবী কবি বাজায়ে বাঁশের বাঁশরি। এলো রাজ-সভা ছাড়ি’ ছুটি, গুণিজন তোমার সে সুরে পাশরি’।। তোমার চলার শ্যাম-বনপথ কদম-কেশর-কীর্ণ, তুমি কেয়ার বনের খেয়াঘাটে হলে গোপনে কি অবতীর্ণ? তুমি অপরাজিতার সুনীল মাধুরী দু’চোখে আনিলে করিয়া কি চুরি? তোমায় নাগ-কেশরের ফণী-ঘেরা মউ পান করাল কে কিশোরী? জনপুরী যবে কল-কোলাহলে মগ্নোৎসব রাজ সভাতলে, তুমি একাকী বসিয়া দূর নদী-তটে ছায়া-বটে বাঁশি বাজালে, তুমি বসি’ নিরজনে ভাঁট ফুল দিয়া বালিকা বাণীরে সাজালে।। যবে রুদ্র আসিল ডম্বরু-করে ত্রিশূল বিঁধিয়া নীল অম্বরে, তুমি ফেলিয়া বাঁশরি আপনা পাশরি, এলে সে-প্রলয় নাটে গো, তুমি প্রাণের রক্তে রাঙালে তোমার জীবন-গোধূলি পাটে গো।। হে চির-কিশোর, হে চির-তরুণ, চির-শিশু চির-কোমল করুণ। দাও অমিয়া আরো অমিয়া, দাও উদয়-ঊষারে লজ্জা গো তুমি গোধূলির রঙে রঙিয়া। প্রখর রবি-প্রদীপ্ত গগনে, তুমি রাঙা মেঘ খেল আন্মনে, উৎসব-শেষে দেউলাঙ্গনে নিরালা বাজাও বাঁশরি, আমি স্বপন-জড়িত ঘুমে সেই সুর শুনিব সকল পাশরি’।।
রাগঃ
তালঃ
অমন করে হাসিস্নে আর রাই লো। তুই পোড়ার মুখে হাসিস্নে আর রাই লো।। ছি ছি রঙ্গ করিস অঙ্গে মেখে কৃষ্ণ কালির ছাই লো।। বাঁশি হাতে গাছে চড়া, কয়লা-বরণ গয়লা ছোঁড়া সে লো সেই নাটের গুরু নষ্টের গোড়া তোর প্রেমের গোঁসাই লো।। ঐ গো-রাখা রাখালের সনে তোর নিন্দা শুনি বৃন্দাবনে রাই লো ছি ছি কেষ্ট ছাড়া ইষ্ট কি আর ত্রিভুবনে নাই লো।। ঐ অমাবস্যার কৃষ্ণ-চাঁদে, বাস্লি ভালো কোন্ সুবাদে তুই লো তুই দিন-কানা হয়েছিস রাধে ভাবিয়া কানাই লো।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ও কে নাচের ঠমকে দাঁড়ালো থমকে সহসা চমকে পথে যেন তার নাম ধ'রে ডাকিল কে বাঁশের বাঁশিতে মাঠে ওপার হতে। তার হঠাৎ থেমে যাওয়া দেহ দোদুল নাচের তালে যেন ছন্দের ভুল সে রহে চাহি' অনিমেষে পটে আঁকা ছবিতুল গেছে হারায়ে সে যেন কোন জগতে।। তার ঘুম জড়িত চোখে জাগালো কী নতুন ঘোর অকরুণ বাঁশির কিশোর; উদাসী মুরতি প্রভাতী রাগিণী কাননে যেন এলো নামিয়া অরুণ-কিরণ রথে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan