Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

মোরা ছিলাম একা আজি মিলিনু দুজন

বাণী

উভয়	:	মোরা ছিলাম একা আজি মিলিনু দুজন।
		পাপিয়ার পিয়া বোল্ কপোত-কূজন।।
বর	:	তুমি সবুজের স্রোত এলে ঊষর দেশে
বধূ	:	তুমি বিধাতার-বর এলে বরের বেশে,
বর	:	তুমি গৃহে কল্যাণ
বধূ	:	তুমি প্রভু মম ধ্যান,
উভয়	:	সুন্দরতর হ’ল সুন্দর ত্রিভুবন।।

নাটিকাঃ ‘প্রীতি-উপহার’

মিনতি রাখো রাখো পথিক থাকো থাকো

বাণী

মিনতি রাখো রাখো পথিক থাকো থাকো,
	এখনি যেয়ো না গো, না না না।
ক্ষণিক অতিথি বিদায়ের গীতি
	এখনি গেয়ো না গো, না না না।।
চৈতী পূর্ণিমা চাঁদের তিথি,
পুষ্প পাগল এ বনবীথি,
ধূলায় ছেয়ো না গো, না না না।।
বলি বলি ক'রে হয়নি যা বলা,
যে কথা ভরিয়াছিল বুকের তলা;
সে কথা না শুনে সুন্দর অতিথি হে
	যেতে চেয়ো না গো, না না না।।

মাধবী-লতার আজি মিলন সখি

বাণী

মাধবী-লতার আজি মিলন সখি
শ্যাম সহকার তরুর সাথে।
আকাশে পূর্ণিমা-চাঁদের জলসা
হের গো তাই আজি চৈতালী রাতে।।
ফুলে ফুলে তা’র ফুল্ল তনুলতা
গাহিয়া ওঠে পাখি ‘বউ গো কও কথা’,
স্বর্ণলতার সাতনরী হার
দুলিছে গলায় রাতুল শোভাতে।।
তা’রি আমন্ত্রণ-লিপি থরে থরে,
শ্যামল পল্লবে কুসুম-আখরে।
তরুলতা দুলে পুলকে নাচি’ নাচি’
মিলন-মন্ত্র গাহিছে মৌমাছি,
আল্পনা আঁকে আলো ও ছায়াতে।।

১. শতনরী

মৌন আরতি তব বাজে নিশিদিন

বাণী

মৌন আরতি তব বাজে নিশিদিন
ত্রিভুবন মাঝে প্রভু বানী-বিহীন।।
সম্ভ্রমে-শ্রদ্ধায় গ্রহ-তারা দল
স্থির হয়ে রয় অপলক অচপল,
ধ্যান-মৌনী মহাযোগী অটল
আপন মহিমায় তুমি সমাসীন।।
মৌন সে সিন্ধুতে জলবিম্বের প্রায়
বাণী ও সঙ্গীত যায় হারাইয়া যায়।
বিস্ময়ে অনিমেষ আঁখি চেয়ে রয়
তব পানে অনন্ত সৃষ্টি-প্রলয়,
তব ধ্রুব-লোকে, হে চির অক্ষয়,
সকল ছন্দ-গতি হইয়াছে লীন।।

মসজিদে ঐ শোন্ রে আজান চল নামাজে চল্

বাণী

	মসজিদে ঐ শোন্ রে আজান, চল নামাজে চল্ ।
	দুঃখে পাবি সান্ত্বনা তুই বক্ষে পাবি বল।।
	ময়লা-মাটি লাগবে যা তোর দেহ-মনের মাঝে —
	সাফ হবে সব, দাঁড়াবি তুই যেম্‌নি জায়নামাজে;
(চল্)	রোজগার তুই করবি যদি আখেরের ফসল।।
	হাজার কাজের অছিলাতে নামাজ করিস কাজা
	খাজনা তারি দিলি না, যে দ্বীন-দুনিয়ার রাজা
তাঁরে	পাঁচ বার তুই করবি মনে, তাতেও এত ছল্।।
	কার তরে তুই মরিস খেটে; কে হবে তোর সাথী
	বে-নামাজীর আঁধার গোরে কে জ্বালাবে বাতি
(চল্)	খোদার নামে শির লুটায়ে জীবন কর্‌ সফল।।

মনে পড়ে আজও সেই নারিকেল-কুঞ্জ

বাণী

মনে পড়ে আজও সেই নারিকেল-কুঞ্জ গুবাক্ তরুর ঘন-কেয়ারি
বালুচর, বেত-বন, দেখা হ’ত দুইজন, মন হ’ত উন্‌মন দোঁহারি।।
	গাছ থেকে টুপ্‌টাপ্‌ ঝরিত কালো জাম
	জাম ফেলে চুপচাপ মেঘ পানে চাহিতাম,
গাব নিয়ে কাড়াকাড়ি, ভাব হ’ত, হ’ত আড়ি দু’জনে —
আমি ছিনু ধনিকের ছেলে গো ছিলে ভুঁইমালিদের তুমি ঝিয়ারি।।
ভূঁইমালিদের ঘরে ভূঁইচম্পার কলি ডুমা-পরা উমা সম খেলিতে,
আমার দালান ঘরে দোতালায় কেন গো উতলা মনে ছায়া ফেলিতে।
সহসা হেরিনু তব বধূরূপ, ভাঙা চালা, হাতে তব চালুনি,
পার্শ্বে দামাল ছেলে কাঁদিছে, হেরিয়া পান্তাভাত আলুনি।
	ঘোম্‌টা টানিয়া দিলে আমারে হেরিয়া
	উদাস চোখে এলো কালো মেঘ ঘেরিয়া,
তা’রে চিনতে কি পেরেছিলে প্রণাম যে করেছিল কল্যাণী রূপ তব নেহারি’।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan