
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

চাও চাও চাও নব বধূ অবগুণ্ঠন খোলো আনত নয়ন তোলো॥ আমি যে ননদী খরতর নদী লজ্জা কি লজ্জায় ফুল শয্যায় কাল ছিল না তো নত ওই আঁখি সবি বলে দেব যদি বউ কথা না বলো॥ ‘বউ কথা কও’ ডাকে পাখি তবুও নীরব রবে নাকি দেখি দেখি গালে লালী ও কিসের? ও! লজ্জায় বুঝি লাল হলো॥ ও কি অধীর চরণে যেয়ো না যেয়ো না আন-ঘরে লুকাইতে দেখে যদি কেউ সখি পাশের ও ঘরে মানুষ যে রহে তারও অন্তরে বহে বিরহের ঢেউ। লজ্জাই যদি তব ভূষণ সজ্জায় তবে কি প্রয়োজন? সুখে সুখী হব দুখে দুখী ব’সো মুখোমুখি লাজ ভোলো।
নাটিকাঃ ‘বিয়ে বাড়ি’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

চুরি ক’রে এনো গিরি, আমার উমার দুই কুমারে। দেখ্ব তখন ভোলা মেয়ে কেমন ভু’লে থাকতে পারে॥ তার ছেলেরে আনলে হেথা, বুঝবে মেয়ে মায়ের ব্যথা; (বিনা) সাধনাতে গৌরী তখন, আসবে ছুটে আমার দ্বারে॥ জামাই আমার শিব ভোলানাথ, ডাকিলেই সে আসিবে জানি চাইবে নাকো আসতে শুধু, তোমার মেয়ে ঐ পাষাণী। কুমার গণেশ তুমি আমি, শিব পূজিব দিবস যামী; শৈব হ’লে শিবাণী মোর, রইতে নারে ছেড়ে তারে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

চীন আরব হিন্দুস্থান নিখিল ধরাধাম। জানে আমায় চেনে আমায় মুসলিম আমার নাম।। অন্ধকারে আজান দিয়ে ভাঙনু ঘুমঘোর, আলোর অভিযান এনেছি রাত করেছি ভোর; এক সমান করেছি ভেঙে উচ্চ নীচ তামাম।। চেনে মোরে সাহারা গোবি দুর্গম পর্বত, মন্থন করেছে সাগর, আমার সিন্ধু রথ; বয়েছি আফ্রিকা ইউরোপ আমারই তাঞ্জাম।। পাক মুলুকে বসিয়েছি খোদার মসজিদ, জগৎ সাক্ষী পাপীদেরকে পিইয়েছি তৌহীদ্; বিরান বনে রচেছি রে হাজার নগর গ্রাম।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চোখের নেশার ভালোবাসা সে কি কভু থাকে গো জাগিয়া স্বপনের স্মৃতি স্মরণে কে রাখে গো।। তোমরা ভোল গো যা’রে চিরতরে ভোল তা’রে মেঘ গেলে আবছায়া থাকে কি আকাশে গো।। পুতুল লইয়া খেলা খেলেছ বালিকা বেলা খেলিছ পরাণ ল’য়ে তেমনি পুতুল খেলা। ভাঙ্গিছ গড়িছ নিতি হৃদয়–দেবতাকে গো। চোখের ভালোবাসা গ’লে শেষ হ’য়ে যায় চোখের জলে বুকের ছলনা সেকি নয়ন জলে ঢাকে গো।।
রাগঃ বাগেশ্রী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ ফেরদৌস আরা

চঞ্চল সুন্দর নন্দকুমার। গোপী চিতচোর প্রেম-মনোহর নওল কিশোর অন্তর মাঝে বাজে বেণু তার নন্দকুমার নন্দকুমার, নন্দকুমার॥ শ্রাবণ আনন্দ নূপুর ছন্দ রুনুঝুনু বাজে নন্দের আঙিনায় নন্দন চন্দ, নাচিছে হেলে দুলে গোপাল সাজে। টলমল টলে রাঙা পদতলে লঘু হ’য়ে বিপুল ধরণীর ভার — নন্দকুমার, নন্দকুমার, নন্দকুমার॥ রূপ নেহারিতে এলো লুকায়ে দেবতা কেহ গোপগোপী হলো, কেহ তরুলতা; আনন্দ-অশ্রু নদী হ’য়ে বয়ে যায়, উতল যমুনায়। প্রণতা প্রকৃতি নিরালা সাজায়, বনডালায় পূজা ফুল সম্ভার। নন্দকুমার, নন্দকুমার, নন্দকুমার॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চাঁদের মত নীরবে এসো প্রিয় নিশীথ রাতে। ঘুম হয়ে পরশ দিও হে প্রিয়, নয়ন-পাতে।। তব তবে বাহির-দুয়ার মম খুলিবে না এ-জনমে প্রিয়তম, মনের দুয়ার খুলি’ গোপনে এসো বিজড়িত রহিও স্মৃতির সাথে।। কুসুম-সুরভি হ’য়ে এসো নিশি-পবনে, রাতের পাপিয়া হয়ে পিয়া পিয়া ডাকিও বব-ভবনে। আঁখি-জল হয়ে আঁখিতে আসিও বেণুকার সুর হয়ে শ্রবণে ভাসিও, বিরহ হ’য়ে এসো হে চির-বিরহী আমার অন্তর-বেদনাতে।।
গীতিচিত্রঃ ‘অতনুর দেশ’
রাগঃ
তালঃ
শিল্পীঃ কাজী বেলাল
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan