Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বাঁশি তার কোথায় বাজে

বাণী

বাঁশি তার কোথায় বাজে।
বাজে মোর দহন-জ্বালায়, বাজে মোর ব্যথার মাঝে।।
বাজে মোর মিলন-তৃষায়, না পাওয়াতে
বাজে তার আসার আশায়, পথ চাওয়াতে,
বাজে মোর রাতের ঘুমে, বাজে মোর দিনের কাজে।।
বাজে মোর অন্তরে গো বাজে মোর বাহির-দ্বারে,
বাজের মোর ব্রজের পথে, মথুরায় কারাগারে।
	সুরে যার গভীর প্রেমের পরশ লভি’
	আঁকি গো কল্পনাতে যাহার ছবি,
সে কখন আঁখির আগে আস্‌বে চির-কিশোর সাজে।।

১. প্রেমের, ২. বেদনার

গীতি-আলেখ্য : ‘আকাশবাণী’

বদ্‌না গাড়ুতে বসে মুখোমুখী

বাণী

বদ্না গাড়ুতে বসে মুখোমুখী দিব্বি হয়েছে ভাব!
বদনা চাহিছে শুক্তুনী আর – চাহিছে গাড়ু কাবাব।।
গাড়ু বলে এসো বদনা ভাইটি হোক শুভ চোখাচোখি।
তুমি মোর হাতে পেঁয়াজ দাও আর আমি দিই হরতকি।।
[শুনে বদনা ভাবে গদগদ হয়ে বলছেন
‘গাড়ুদাদা দাড়িতে একবার টিকিতে বুলাও না’]
ও গাড়ু দাদা দাড়িতে বুলাও টিকি –
ছুরি ও নাদ্না রাখি দোঁহে এসো আস্‌নাই করা শিখি।।
[গাড়ু তখন ভাব জমিয়ে বলছেন]
পাখিদের মাঝে বামুন যে রাম পাখি।
কেননা মাথায় উহার জবা-ফুল বাঁধা টিকি
দেখ নাকি তাহা দেখ নাকি?
[বদনা তখন বদন ব্যাদন করে বলছেন]
ও তো টিকি নয় দাদা ও যে তুর্কী ফেজ্।
পাখিদের মাঝে উনি মোল্লাজী হ্যাঁদু নয় হরগেজ।।
[গাড়ু তখন বদনার পিঠে নল বুলিয়ে বলছেন]
হাতে দিব ক্ষীর নাড়ু ভাই, ছেড়ে দাও খাওয়া ঐ বড়টা।
[শুনে বদনা অবাক – বল্লে]
রে মদনা তাহলে কি দিয়ে খাইব পরটা?
গাড়ু বলে, আহা দোস্তীর তরে ছাড়িতে হয়।
এসা দাদা এসো জড়াজড়ি করি বদ্না গড়ায়ে কয়।।
জড়াজড়ি থেকে গড়াগড়ি দুই নলে প্রেমবারি ঝরে।
সেই ভাব দেখে বিদেশী কেটলী রাগে টগবগ করে।।

‘ভাই ভাই এক-ঠাঁই’

বাজিছে বাঁশরি কার অজানা সুরে

বাণী

বাজিছে বাঁশরি কার অজানা সুরে।
ডাকিছে সে যেন তার সুদূর বঁধুরে।।
তারা-লোকের সাথীরে যেন সে চাহে ধরাতে,
তারি কাঁদন যেন ঝরা কুসুমে ঝুরে।।
চাঁদের স্বপন ল’য়ে জাগে সে নিশীথ একা,
নিরালা গাহে গান হায় বিষাদ-মধুরে।।
তাহারি অভিমান যেন উঠিছে বাতাসে কাঁপি’,
তাহারি বেদনা দূর আকাশে ঘুরে।।

বলি মাথা খাস্ রাধে ওলো কথা শোন্

বাণী

আবৃত্তি:	কুমারী রাধিকা ঘোষের প্রতি শ্রীমৎ ক্যাগ বিমাতার উক্তি:
		বলি মাথা খাস্ রাধে ওলো কথা শোন্।

		বলি কুল আর তুই খাস্‌নে (রাধে কুল আর তুই খাস্‌নে)
		ওলো গোকুল ঘোষের কন্যা যে তুই কুল গাছ পানে চাস্‌নে
		(পরের কুল গাছ পানে চাস্‌নে)
		ও কুল গাছে বড় কাঁটা
		গায়ে অথবা পায়ে বিঁধিলে দায় হবে পথ হাঁটা
		(রাধে গায়ে অথবা পায়ে বিঁধিলে দায় হবে পথ হাঁটা)
		কলঙ্ক দিলি (কলঙ্ক দিলি)
		তুই যারি তারি কুল চুরি করে খেলি
		গোকুলের কুলে কলঙ্ক দিলি (কুলে কলঙ্ক দিলি) রাধে গো।
		ওলো ভাবিস এখনও বয়েস হয়নি কারণ বেড়াস ফ্রক পরে।
		ওই কুল গাছ আগলায় ভীমরুল চাক
		(ওই কুল গাছ আগলায় ভীমরুল চাক)
		তোর কুল খাওয়া বের হবে ফুলে হবি ঢাক
		(ফুল হবি জয় ঢাক)।
		বলি পড়তে নাকি কুল খেতে যাস রোজ রোজ ইস্কুলে
		(রাধে পড়তে নাকি কুল খেতে যাস রোজ রোজ ইস্কুলে)
		ওই কুলেরি কাঁটায় দুকুল ছিঁড়িস বেণী আঁটিস খুলে
		(রাধে বেণী আঁটিস খুলে)
		খাস তুই টোপা কুল খাস নারকুলে কুল
		(খাস তুই টোপা কুল খাস নারকুলে কুল)
		অত কুল খেয়ে রাতে পেট ডাকে কুল কুল কুল কুল।
		ওলো কুলোতে নারি (কুলোতে নারি)
		ওলো তোর কুল দিয়ে আর কুলোতে নারি (দিয়ে কুলোতে নারি)
		ছিল কুলুঙ্গীতে কুলের আচার তাও খেয়েছিল কুল খোয়ারী
		(কুলুঙ্গীর ও কুলের আচার তাও খেয়েছিস কুল খোয়ারী)।
		ওই কুল গাছ ধরে (সখি গো রাধে গো)
		(বহুত আচ্ছা দাদা বহুত আচ্ছা বহুত আচ্ছা)
		ওই কুল গাছ ধরি কোলাকুলি করি ফ্যাসাদ বাধাবি শেষে
		আর কুল ত্যাগিনী হবে কি নাশিনী কুল গাছ ভালোবেসে
		(আর কুল ত্যাগিনী হবে কি নাশিনী কুল গাছ ভালোবেসে)॥

বনমালার ফুল জোগালি বৃথাই বন-লতা

বাণী

বনমালার ফুল জোগালি বৃথাই বন-লতা
বনের ডালায় কুসুম শুকায়, বনমালি কোথা।।
	শুকনো পাতার গুনে নূপুর
	চমকে ওঠে বনে ময়ূর,
রাস নাই আজ নিরাশ ব্রজে গভীর নীরবতা।।
যমুনা-জল উজান বেয়ে কদম-তলে আসি’
ভাটিতে যায় ফিরে, নাহি শু’নে শ্যামের বাঁশি।
	তমাল-ডালে ঝুলনা আর
	গোপীরা বাঁধেনি এবার,
শ্রাবণ এসে কেঁদে শুধায় ঘনশ্যামের কথা।।

বন-মল্লিকা ফুটিবে যখন গিরি-ঝর্নার তীরে

বাণী

বন-মল্লিকা ফুটিবে যখন গিরি-ঝর্নার তীরে।
সেই চৈতালি গোধূলি-লগনে এসো তুমি ধীরে ধীরে — 
				গিরি-ঝর্নার তীরে।।
বনের কিশোর এসো সেথা হেসে হেসে
সাজায়ো আমায় বন-লক্ষ্মীর বেশে,
ধোওয়াব তোমার চরণ-কমল বিরহ-অশ্রু নীরে।।
ঘনায়ে গহন সন্ধ্যার মায়া আসিও সোনার রথে,
অতি সুকোমল শিঁরিশ, কুসুম বিছায়ে রাখিব পথে।
মালতী-কুঞ্জে ডাকিবে পাপিয়া পাখি
তুমি এসে বেঁধো আলোক-লতার রাখি,
ভ্রমরের সম পিপাসিত মোর আঁখি কাঁদিবে তোমারে ঘিরে।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan