
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

আমার বুকের ভেতর জ্বলছে আগুন, দমকল ডাক ওলো সই। শিগ্গির ফোন কর বঁধুরে, নইলে পুড়ে ভস্ম হই॥ অনুরাগ দিশ্লাই নিয়ে চোখের লম্প জ্বালতে গিয়ে, আমার প্রাণের খোড়ো ঘরে লাগল আগুন ওই লো ওই॥ প্রেমের কেরোসিন যে এত অল্পে জ্বলে জানিনে তো, কি দাবানল জ্বলছে বুকে জানবে না কেউ আমা বই॥ প্রণয় প্রীতির তোষক গদি রক্ষে করতে চায় সে যদি মনে ক’রে আনতে বলিস (তারে) আদর সোহাগ বালতি মই॥
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা

ফিরে এলো সেই কৃষ্ণাষ্টমী তিথি, হে শঙ্খচক্রধারী! তোমার মাভৈঃ অভয় আকাশবাণী, কেন নাহি শুনি? হে মুরারি!! সেই ঘনঘটা দুর্যোগ-নিশি নিরাশা-আঁধারে ঢাকা দশদিশি; গগনে তেমনি ঘোর দুন্দুভি বাজে, ঝরে তেমনি অশ্রু-বারি।। আজো মানুষের আত্মা তেমনি কাঁদে আশা-যমুনার দুই পারে, এ-পারে দেবকী ও-পারে যশোদা আজো ডাকে মুক্তির বিধাতারে। আবার প্রেমের বংশী বাজাও, এই হানাহানি হিংসা ভুলাও, আর্ত-কলির গানের এ শেষ-কলি দাও শেষ করে ব্যথাহারী।।
মিশ্র সুর
তালঃ কাহার্বা
শারদ-সন্ধ্যা সমীরে দোলা লাগে ধরণীর বিহ্বল-চিত্তে। এসো পুরবাসী করি’ সজ্জা, ভরাও ভুবনে গীত-নৃত্যে।। পুঞ্জিত মেঘ হ’ল রিক্ত অবিরল ধারে ধরা সিক্ত, মেহেদী ফুলের মঞ্জরি ল’য়ে, সাজাও ভবনে অনুপম বিত্তে।।
রাগঃ গৌরী
তালঃ ত্রিতাল
জয় নারায়ণ অনন্ত রূপধারী বিশাল। কভু প্রশান্ত উদার, কভু কৃতান্ত করাল॥ কভু পার্থ-সারথি-হরি বংশীধারী কংস-অরি, কভু গোপাল বনমালী কিশোর রাখাল॥ বিপুল মহা-বিরাট কভু বৃন্দাবন-বিলাসী, শঙ্খ-গদা-চক্র-পাণি মুখে মধুর হাসি। সৃষ্টি বিনাশে লীলা-বিলাসে, মগ্ন তুমি আপন ভাবে অনাদিকাল॥
রাগঃ নিশাশাগ্
তালঃ ঝাঁপতাল

অমর কানন মোদের অমর-কানন। বন কে বলে রে ভাই, আমাদের তপোবন আমাদের তপোবন।। এর দক্ষিণে ‘শালী’ নদী কুলুকুলু বয়, তার কূলে কূলে শাল-বীথি ফুলে ফুল-ময়, হেথা ভেসে আসে জলে-ভেজা দখিনা মলয়, হেথা মহুয়ার মউ খেয়ে মন উচাটন।। দূর প্রান্তর-ঘেরা আমাদের বাস, দুধ-হাসি হাসে হেথা কচি দুব-ঘাস, উপরে মায়ের মতো চাহিয়া আকাশ, বেণু-বাজা মাঠে হেথা চরে ধেনুগণ।। মোরা নিজ হাতে মাটি কাটি নিজে ধরি হাল, সদা খুশি-ভরা বুক হেথা হাসি-ভরা গাল, মোরা বাতাস করি ভেঙে হরিতকী-ডাল, হেথা শাখায় শাখায় পাখি, গানের মাতন।। প্রহরী মোদের ভাই ‘পূরবী’ পাহাড়, ‘শুশুনিয়া’ আগুলিয়া পশ্চিম দ্বার, ওরে উত্তরে উত্তরী কানন বিথার, দূরে ক্ষণে ক্ষণে হাতছানি দেয় তালি-বন।। হেথা ক্ষেত-ভরা ধান নিয়ে আসে অঘ্রাণ, হেথা প্রাণে ফোটে ফুল, হেথা ফুলে ফোটে প্রাণ, ওরে রাখাল সাজিয়া হেথা আসে ভগবান, মোরা নারায়ণ-সাথে খেলা খেলি অনুখন।। মোরা বটের ছায়ায় বসি করি গীতা পাঠ, আমাদের পাঠশালা চাষী-ভরা মাঠ, গাঁয়ে গাঁয়ে আমাদের মায়েদের হাট, ঘরে ঘরে ভাই বোন বন্ধু স্বজন।।
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ কাওয়ালি
শূন্য আজি গুল-বাগিচা যায় কেঁদে দখিন হাওয়া। রাঙা গুলের বাজার আজি স্মৃতির কাটায় ছাওয়া।। ধূলি ঢাকা ফুল সমাধি আজি সে গুলিস্তানে ছিল যথায় খুশির জলসা বুলবুলির গজল গাওয়া।। শুকনো পাতায় ছেয়েছে আজ সাকির চরণ রেখা নাহি সেথায় বঁধুর লাগি বঁধূর আসা-যাওয়া।। নাহি মিঠা পানির নহর আছে প'ড়ে বালুচর এ যেন গো হৃদয়ের ভরা-ডুবির পথ বাওয়া।।
রাগঃ কাফি মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan