
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

আধখানা চাঁদ হাসিছে আকাশে আধখানা চাঁদ নিচে প্রিয়া তব মুখে ঝলকিছে গগনে জ্বলিছে অগণন তারা দু’টি তারা ধরণীতে প্রিয়া তব চোখে চমকিছে।। তড়িৎ-লতার ছিঁড়িয়া আধেকখানি জড়িত তোমার জরীণ ফিতায় রানী! অঝোরে ঝরিছে নীল নভে বারি দুইটি বিন্দু তারি প্রিয়া তব আঁখি বরষিছে।। মধুর কণ্ঠে বিহগ বিলাপ গাহে, গান ভুলি’ তা’রা তব অঙ্গনে চাহে, তাহারও অধিক সুমধুর সুর তব চুড়ি কঙ্কনে ঝনকিছে।।
রাগঃ বেহাগ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ জগন্ময় মিত্র

মালা যদি মোর ধূলায় মলিন হয় ব'সে আছি তাই অঞ্চলে নিয়ে কুসুমেরি সঞ্চয়।। ফুলহার যদি কর অবহেলা তাই ভাবি আর ব'য়ে যায় বেলা হৃদয়ে থাকুক লুকানো আমার হৃদয়ের পরিচয়।। বিফল যদি গো হয় পূজা নিবেদন মন্দির-দ্বারে দাঁড়াইয়া তাই পাষাণেরই নারায়ণ।। কেন কাছে আসি, এসে ফিরে যাই যদি ফেল জেনে ভয় মানি তাই সকলি সহিব, সহিতে নারিব হৃদয়ের পরাজয়।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

এসো এসো পাহাড়ি ঝর্ণা মেঘ সজল কাজল বর্ণা এসো জল ছিটিয়ে ফুল ফুটিয়ে এসো।। উপল নুড়িতে কাঁকন চুড়িতে রিনি ঠিনি ছন্দে বন্য আনন্দে এসো এসো ছলছল ঝলমল আঁচল লুটিয়ে এসো।। তৃষ্ণায় ডাকে কূলে কূলে হরিণী আনো কৃষ্ণার জল নির্ঝরিণী। ফুলবনে ভ্রমর দল জুটিয়ে এসো।। এসো তপ্ত ধরার বক্ষে, শান্তি ধারা আনো চক্ষে শীতল হোক খরতর বায়ু, নির্জীব প্রান্তরে আনো পরমায়ু এসো পাষাণ-কারারঘুম টুটিয়ে এসো।।
নাটকঃ‘মদিনা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

যায় ঝিল্মিল্ ঝিল্মিল্ ঢেউ তুলে দেহের কূলে কে চঞ্চলা দিগঞ্চলা মেঘ-ঘন-কুন্তলা। দেয় দোলা পুব-সমীরণে বনে বনে দেয় দোলা।। চলে নাগরি দোলে ঘাগরি কাঁখে বরষা-জলের গাগরি বাজে নূপুর-সুর-লহরি রিমি ঝিম্, রিম ঝিম্, রিম ঝিম্ চল-চপলা।। দেয়ারই তালে কেয়া কদম নাচে ময়ূর-ময়ূরী নাচে তমাল-গাছে। এলায়ে মেঘ-বেণী কাল-ফণি আসিল কি দেব-কুমারী নন্দন-পথ-ভোলা।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দ্রুত-দাদ্রা)
শিল্পীঃ লীনা তাপসী ও রাশিদা জামান কিশি

বাজে মঞ্জুল মঞ্জির রিনিকি ঝিনি নীর ভরণে চলে রাধা বিনোদিনী তার চঞ্চল নয়ন টলে টলমল যেন দু'টি ঝিনুকে ভরা সাগর জল।। ও সে আঁখি না পাখি গো রাই ইতি-উতি চায় কভু তমাল-বনে কভু কদম-তলায়। রাই শত ছলে ধীরে পথ চলে কভু কন্টক বেঁধে চরণে তবু যে কাঁটা-লতায় আঁচল জড়ায় বেণী খুলে যায় অকারণে। গিয়ে যমুনার তীরে চায় ফিরে ফিরে আনমনে ব'সে গণে ঢেউ চকিতে কলসি ভরি’লয় তার যেই মনে হয় আসে কেউ। হায় হায় কেউ আসে না “ভোলো অভিমান রাধারানী” বলি’ শ্যাম এসে সম্ভাষে না। রাই চলিতে পারে না পথ আর, বিরস বদন অলস চরণ শূন্য-কলসি লাগে ভার। বলি,কালা নাহি এলো যমুনা তো ছিল লইয়া শীতল কালো জল। কেন ডুবিয়া সে-কলে উঠিলি আবার কাঁদায়ে ভাসাতে ধরাতল।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

আমি বুকের ভিতর থাকি তবু ওরা ডাকে দেখা দাও ব’লে। ওরা চিনিতে পারে না কত রূপে আমি দেখা দিই কত ছলে।। চোর চোর খেলি মনে বসে, ওরা বনে যায় খুঁজিতে; কোলে থাকি আমি খোকা হয়ে, ওরা মন্দিরে যায় পূজিতে। মোরে পাষাণ করিয়া ফেলে রাখে, ওরা আঁধার দেউল তলে।। (ওরা ডাকিয়া লয় না কোলে গো আমি কোল্ যে বড় ভালবাসি।) কেশবে ডাকিয়া লয় না কোলে।। ওরা দেবতা ভাবিয়া পূজা দেয় যাহা, আমি তাহা নাহি খাই; লুকায়ে ভিখারি সাজিয়া ওদের পাতের অন্ন চাই। ওরা প্রভু ব’লে মোরে দূরে রাখে, তাই কেঁদে দূরে যাই চ’লে। (ওরা গোপাল বলিয়া ডাকে না মোরে, কেন বুকে বেঁধে রাখে না।) আমি তাই দূরে যাই চ’লে, কেশবে ডাকিয়া লয় না কোলে।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan