
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

রাখাল রাজ! কি সাজে সাজালে আমায় আজ! আমার ঘরের ভূষণ কেড়ে নিয়ে দিলে চির-পথিক সাজ।। তোমার পায়ের নূপুর আমায় দিয়ে ঘোরাও পথে-ঘাটে নিয়ে, বেড়াই বাউল একতারা বাজিয়ে হে, (ও মরি হায় রে) এই ভুবন-নাটে বেড়াই ভুলে শরম-ভরম-লাজ।। তোমার নৃত্য-খেলার নিত্য-সাথি আনন্দেরি গোঠে হে, জীবন-মরণ আমার সহজ চরণ-তলে লোটে হে। আমার হাতে দিলে সর্বনাশী ঘর-ভোলানো তোমার বাঁশি, কাজ ভুলাতে যখন তখন আসি হে’ (ও মরি হায় রে) আমার ভবন কেড়ে — দিলে ছেড়ে বিশ্বভুবন-মাঝ।।
রাগঃ
তালঃ খেম্টা

ফুটিল মানস-মাধবী-কুঞ্জে প্রেম কুসুম পুঞ্জে পুঞ্জে মাধব, তুমি এসো হে। হে মধু-পিয়াসী চপল মধুপ, হৃদে এসো হৃদয়েশ হে। (নীল) মাধব, তুমি এসো হে।। তুমি আসিলে না বলি’ শ্যামরায় অভিমানে ফুল লুটায় ধূলায় মাধব, তুমি এসো হে।। বনমালী! বনে বন-ফুল হায় হায়! শুকাইয়া যায়, আঁখিজলে তায় জিয়াইয়া রাখি কত আর? এসো গোপন পায়ে! চিতচোর এসো গোপন পায়ে! যেমন নবনী চুরি করে খেতে, এসো শ্যাম সেই গোপন পায়ে। যেমন নবনী চুরি করে খেতে এসো হে তেমনি গোপন পায়ে। না হয় নূপুর খুলিও, শ্যাম, যমুনায় থির নীরে বাঁশরির তানে না হয় লহরি না তুলিও! যেমন নীরবে ফোটে ফুল, যেমন নীরবে রেঙে ওঠে সন্ধ্যা-গগন-কুল — এসো তেমনি গোপন পায়ে অনুরাগ-ঘসা হরি-চন্দন শুকায়ে যায় — আর রহিতে নারি, এসো হৃষিকেশ শ্যামরায়।।১ ১. পাঠান্তর : মম মানস মাধবী লতার কুঞ্জে, এই তো প্রথম মধুপ গুঞ্জে। (নীল) মাধব তুমি এসো হে, হে মধু পিয়াসী চপল মধুপ হৃদে এসো হে হৃদয়েশ হে। তোমার আমার পথ চেয়ে হায় অভিমানে ফুল লুটায় ধূলায় (নীল) মাধব তুমি এসো হে।। বনমালী বিনে বন ফুল হার (হায়) শুকাইয়া যায় আঁখি জলে তায় জিয়াইয়া রাখি কত আর। চিতচোর এসো গোপন পায়ে যেমন নবনী চুরি করে খেতে, এসো শ্যাম সেই গোপন পায়ে।। না হয় নূপুর খুলিও (শ্যাম) যমুনার থির নীরে বাঁশরির তানে না হয় লহরি না তুলিও। (যেমন) নীরবে ফোটে ফুল, যেমন নীরবে রেঙে ওঠে সন্ধ্যা গগন কুল। এসো তেমনি গোপন পায়ে অনুরাগ-ঘষা হয়ে চন্দন শুকায়ে যায়।
নাটিকা : ‘ধ্রুব’
রাগঃ
তালঃ
মম বন-ভবনে ঝুলন দোলনা দে দুলায়ে উতল পবনে মেঘ-দোলা দুলে বাদল গগনে।। আয় ব্রজের ঝিয়ারি পরি' সুনীল শাড়ি নীল কমল কুঁড়ি দুলায়ে শ্রবণে।। নবীন ধানের মঞ্জরি কর্ণে তপ্ত বক্ষ ঢাকি' শ্যামল পর্ণে ওড়না ছুপায়ে রাঙা রামধনু বর্ণে আয় প্রেম-কুমারীরা আয় লো, উদাসী বাঁশীর সুরে ডাকে শ্যামরায় লো। ঝরিবে আকাশে অবিরল বৃষ্টি শ্যাম-সখা সাথে হবে শুভ-দৃষ্টি এই ঝুলনের মধু-লগনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তুমি সুন্দর কপট হে নাথ! মায়াতে রাখ বিভোর। তোমার ছলনা যে বোঝে না নাথ সেই সে দুঃখী ঘোর।। কত শত রূপে নিঠুর আঘাতে তুমি চাও নাথ তোমারে ভোলাতে তবু যে তোমারে ভুলিতে পারে না ধরা দাও তারে চোর।। কাঁদাও তাহারে নিশিদিন তুমি যপে যে তোমার নাম তোমারে যে চাহে শত বন্ধনে বাঁধ তারে অবিরাম। সাগরে মিশাতে চায় বলে নদী জনম গোঁয়ায় কেঁদে নিরবধি ভক্তে তেমনি দিয়াছ যে নাথ অসীম আঁখি - লোর।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ও কে মুঠি মুঠি আবীর কাননে ছড়ায় রাঙা-হাসির পরাগ-ফুল আননে ঝরায়।। তার রঙের আবেশ লাগে চাঁদের চোখে তার লালসার রঙ জাগে রাঙা অশোকে তার রঙিন নিশান দোলে কৃষ্ণ চূড়ায়।। তার পুষ্প ধনু দোলে শিমূল শাখায় তার কানা কাঁপে গো ভোমরা পাখায়, সে খোঁপাতে বেল-ফুলের মালা জড়ায়।। সে কুসমী শাড়ি পরায় নীল বসনায় সে আঁধার মনে জ্বালে লাল রোশনাই সে শুকনো বনে ফাগুন আগুন ধরায়।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

বেণুকা ও-কে বাজায় মহুয়া বনে। কেন ঝড় তোলে তার সুর আমার মনে।। বলে আয় সে দুরন্তে সখি আমারে কাঁদাবে সারা জনম ও-কি, সে কি ভুলিতে তারে দেবে না জীবনে।। সখি, ভাল ছিল তার তীর-ধনুক নিঠুর, বাজে আরো সকরুণ তা’র বেণুকার সুর। সখি, কেন সে বন-বিলাসী আমারই ঘরের পাশে বাজায় বাঁশি, আছে আরো কত দেশ, কত নারী ভুবনে।।
রাগঃ বেণুকা (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ ত্রিতাল

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan