Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

অন্ধকারের তীর্থপথে ভাসিয়ে দিলাম

বাণী

অন্ধকারের তীর্থপথে ভাসিয়ে দিলাম নামের তরী
মায়া মোহের ঝড় বাদলে এবার আমি ভয় না করি।
	যে নাম লেখা তারায় তারায়
	যে নাম ঝরে অশ্রুধারায়
যাত্রা শুরু সেই নামেরি জপমালা বক্ষে ধরি।।
এই আঁধারের অন্তরালে লক্ষ রবি চন্দ্র জ্বলে
নিত্য ফোটে আলোর কমল জানি তোমার চরণ তলে।
	এবার ওগো অশিব নাশন
	থামাও তোমার ঢেউর নাচন
সেই ত অমর মরণ যদি ধ্যান সাগরে ডুবে মরি।।

ঘুম পাড়ানি মাসিপিসি

বাণী

ঘুম পাড়ানি মাসিপিসি ঘুম দিয়ে যেয়ো,
বাটা ভ’রে পান দেবো গাল ভ’রে খেয়ো।
		ঘুম আয় রে, ঘুম আয় ঘুম।।
ঘুম আয় রে, দুষ্টু খোকায় ছুঁয়ে যা
চোখের পাতা লজ্জাবতী লতার মত নুয়ে যা,
		ঘুম আয় রে, ঘুম আয় ঘুম।।
মেঘের মশারিতে রাতের চাঁদ পড়ল ঘুমিয়ে,
খোকার চোখের পাপড়ি পড়ুক ঘুমে ঝিমিয়ে।
শুশুনি শাক খাওয়াব, ঘুম পাড়ানি আয়
ঝিঁঝিঁ পোকার নূপুর খোল, খোকা ঘুম যায়,
		ঘুম আয় রে, ঘুম আয় ঘুম।।

চলচ্চিত্র : ‘চৌরঙ্গী’

কিশোরী মিলন-বাঁশরি

বাণী

	কিশোরী, মিলন-বাঁশরি
শোন	বাজায় রহি’ রহি’ বনের বিরহী —
	লাজ বিসরি’ চল জল্‌কে।
তার	বাঁশরি শুনি’ কথার কুহু
	ডেকে ওঠে কুহুকুহু - মুহুমুহু;
	রস-যমুনা-নীর হ’ল অধীর, রহে না থির;
ও তার 	দু-কূল ছাপায়ে তরঙ্গদল ওঠে ছল্‌কে॥    
	কেন লো চম্‌কে দাঁড়ালি থম্‌কে —
পেলি	দেখতে কি তোর প্রিয়তম্‌কে!
পেয়ে	তারি কি দেখা নাচিছে কেকা,
হ’ল	উতলা মৃগ কি দেখে চপল্‌কে॥

নাটকঃ ‘চক্রব্যূহ’

রূপের দীপালি-উৎসব আমি দেখেছি

বাণী

	রূপের দীপালি-উৎসব আমি দেখেছি তোমার নয়ন অঙ্গে।
	শথ ফুলশর মুরছায় প্রিয়া, তোমার নয়ন-ভঙ্গে।।
		যে আঁখি পরম সুন্দরে দেখিয়াছে
		সেই আঁখি কাঁদে তোমার পায়ের কাছে,
	দেখেছে সে-আঁখি, বিশ্ব দুলিছে তোমার রূপ-তরঙ্গে।।
	তোমারে দেখিতে আমার আকাশ আনত হইয়া কাঁদে,
(তব)	মণিহার হ’তে বিবাদ করে গো কোটি গ্রহ তারা চাঁদে।
	তুমি দেখিতে যদি গো আপন রূপের আলো
	আমারে ভুলিয়া নিজেরে বাসিতে ভালো,
	তোমারে আড়াল করিয়া গো তাই ছায়া-সম ফিরি সঙ্গে।।

চাঁদের মতন রূপ পেল রূপ তোমার

বাণী

		চাঁদের মতন রূপ পেল রূপ তোমার রৌশন্‌ রূপ-বিভায়।
		অপরূপ সে হল তোমার চিবুক গালের টোল খাওয়ায়।।
		তোমার রূপের পিয়াসি প্রাণ এলো হের অধর-তীর,
		জানাও আদেশ ফিরুক সে প্রাণ, নয় বুঝি সে ছেড়ে যায়।।
শেয়র	:	কখন মঞ্জুর হবে, প্রভু, এই ব্যথিতের আর্জি পেশ।
		কোন্‌ মোহনায় এক হবে মোর হৃদয় ও তার আকুল কেশ।
		নাই গো তাহার শান্তি ও সুখ হের্‌ল যারে ঐ আঁখি,
		তাহার চেয়ে চটুল ও-চোখ পর্দাতেই রাখ ঢাকি’।
		রক্ত-রাঙা পথ হতে মোর বাঁচিয়ে চ’লো নীল আঁচল,
		তোমার প্রেমের শহীদ অনেক রাঙিয়েছে ঐ পথতল।
		ফুল্লমুখী ফুলের তোড়া পাঠিয়ে দিও ভোর-বায়ে,
		তোমার দেশের ফুল-কাননের গন্ধ পাব সেই হাওয়ায়।।
		প্রার্থনা তার জানায় হাফিজ — শুননেওয়ালা কও, ‘আমীন!’
		প্রিয়া আমার মৌ-মিঠে তার চূণীর ঠোঁটের চুম বিলায়।।

পিউ পিউ বিরহী পাপিয়া বোলে

বাণী

পিউ পিউ বিরহী পাপিয়া বোলে;
কৃষ্ণচূড়া বনে ফাগুন সমীরণে
ঝুরে ফুল বন পথতলে॥
নিশি পোহায়ে যায় কাহার লাগি
নয়নে নাহি ঘুম বসিয়া জাগি
আমারই মত হায় চাহিয়া আশা পথ
নিশীথের চাঁদ পড়ে গগনে ঢলে॥

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan