Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

হেরা হতে হেলে দুলে নূরানী তনু

বাণী

হেরা হতে হেলে দুলে নূরানী তনু ও কে আসে হায়,
সারা দুনিয়ার হেরেমের পর্দা খুলে খুলে যায় —
সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।।
তার ভাবে বিভোল রাঙা পায়ের তলে
পর্বত জঙ্গম টলমল টলে,
খোরমা খেজুর বাদাম জাফরানি ফুল ঝ’রে ঝ’রে যায় —
সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।।
আসমানে মেঘ চলে ছায়া দিতে,
পাহাড়ের আঁসু গলে ঝরনার পানিতে,
বিজলি চায় মালা হতে,
পূর্ণিমার চাঁদ তার মুকুট হতে চায় —
সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।।

শোন্ ও-সন্ধ্যা-মালতী বালিকা তপতী

বাণী

শোন্ 	ও-সন্ধ্যা-মালতী, বালিকা তপতী
	বেলা শেষের বাঁশি বাজে, বাজে।
	শোনো মাধবী চাঁদের মধুর মিনতি
	উদাস আকাশ মাঝে।।
তব	মৌন ব্রত ভাঙ্গো কও কথা কও
মোর	নৃত্য আরতির সঙ্গিনী হও,
	মাধবী হেনা হের এলো বাহিরে —
	রসরাজে হেরি’ রাস-নৃত্যের সাজে।।
তুমি	যার লাগি’ সারাদিন, বিরহ ধ্যান-লীন একাকিনী কুঞ্জে।
	সুন্দর দাঁড়ায়ে তব দ্বারে আঁধারে
	মঞ্জরি-দীপ জ্বালো ডাকো তারে,
	বুকের চন্দন-সুরভি ঢালো —
	পাতার আঁচলে মুখ ঢেকো না লাজে।।

এসো এসো এসো ওগো মরণ

বাণী

	এসো এসো এসো ওগো মরণ!
এই	মরণ-ভীতু মানুষ-মেষের ভয় কর গো হরণ।।
	না বেরিয়েই পথে যা’রা পথের ভয়ে ঘরে
	বন্ধ-করা অন্ধকারে মরার আগেই মরে,
তাতা	থৈ থৈ তাতা থৈ থৈ তাদের বুকের ’পরে —
ভীম	রুদ্রতালে নাচুক তোমার ভাঙন-ভরা চরণ।।
		দীপক রাগে বাজাও জীবন-বাঁশি
		মড়ার মুখেও আগুন উঠুক হাসি’।
	কাঁধে পিঠে কাঁদে যথা শিকল জুতোর ছাপ
	নাই সেখানে মানুষ সেথা বাঁচাও মহাপাপ,
সে	দেশের বুকে শ্মাশান মশান জ্বালুক তোমার শাপ,
সেথা	জাগুক নবীন সৃষ্টি অবার হোক নব নাম-করণ।।
		হাতের তোমার দণ্ড উঠুক কেঁপে’,
		এবার দাসের ভুবন ভবন ব্যেপে’।
	মেষগুলোকে শেষ ক’রে দেশ-চিতার বুকে নাচো!
	শব ক’রে আজ শয়ন, হে শিব, জানাও তুমি আছ।
	মরায় ভরা ধরায়, মরণ! তুমিই শুধু বাঁচো —
এই	শেষের মাঝেই অশেষ তুমি, করছি তোমায় বরণ।।
		জ্ঞান-বুড়ো ঐ বলছে জীবন মায়া,
		নাশ কর ঐ ভীরুর কায়া ছায়া!
	মুক্তি-দাতা মরণ! এসো কাল-বোশেখীর বেশে;
	মরার আগেই মরলো যারা, নাও তাদেরে এসে।
	জীবন তুমি সৃষ্টি তুমি জরা-মরার দেশে,
তাই	শিকল বিকল মাগ্‌ছে তোমার মরণ-হরণ-শরণ।।

‘মরণ-বরণ’

দুপুর বেলাতে একলা পথে

বাণী

দুপুর বেলাতে একলা পথে,
	ও কে হেলিয়া দুলিয়া চলিয়া যায়।
ক্ষ্যাপা হাওয়াতে উড়িছে আঁচলা,
খোঁপা খুলিয়া খুলিয়া খুলিয়া যায়।।
	ছল ক’রে জল যায় সে আনিতে
	দেখিয়া গুরুজন ঘোমটা দিতে,
ও সে ভুলিয়া ভুলিয়া ভুলিয়া ভুলিয়া যায়।।
	কাহার গলার মালার তরে
	আপন মনে আঁচল ভ’রে,
ফুল তুলিয়া তুলিয়া তুলিয়া তুলিয়া যায়।।
	কার বিরহে পরান দহে
	কিসের নেশায় মদির মোহে,
ও সে ঢুলিয়া ঢুলিয়া ঢুলিয়া ঢুলিয়া যায়।।

ঝর্‌ল যে-ফুল ফোটার আগেই

বাণী

ঝর্‌ল যে-ফুল ফোটার আগেই তারি তরে কাঁদি, হায়!
মুকুলে যার মুখের হাসি চোখের জলে নিভে যায়।।
হায় যে-বুলবুল গুল্‌বাগিচায় গোলাপ কুঁড়ির গাইত গান,
আকুল ঝড়ে আজ সে প'ড়ে পথের ধূলায় মূরছায়।।
সুখ-নদীর উপকূলে বাঁধিল যে সোনার ঘর,
আজ কাঁদে সে গৃহ-হারা বালুচরে নিরাশায়।।
যাবার যারা, যায় না তারা — থাকে কাঁটা, ঝরে ফুল।
শুকায় নদী মরুর বুকে, প্রভাত আলো মেঘে ছায়।।

সখি নাম ধ’রে কে ডাকে দুয়ারে

বাণী

সখি নাম ধ’রে কে ডাকে দুয়ারে।
চ’লে যাওয়া বন্ধু বুঝি ফিরে এলো জোয়ারে।।
	সখি নিত্য আমার বুকের মাঝে
	যাহার চরণ-ধ্বনি বাজে,
সেই পায়ের ধ্বনি কানে শুনি আমার আঙিনার ধারে।।
সাজ পরতে সাধ কেন হয়, বাম অঙ্গ নাচে,
থাকি থাকি বৌ কথাকও পাখি ডাকে গাছে।
	গাঙের পারে বাজে বাঁশি
	চাঁদের মুখে রাঙা হাসি
মোর মন কেঁদে কয়, সে এসেছে আন্ লো ডেকে উহারে।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan