
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

হেলে দুলে নীর ভরণে ও-কে যায়। (কিশোরী) ছল ক’রে কলসী নাচায়।। দুলে দোদুল তনু-লতা, বাহু দোলে, দুলে অঞ্চল চঞ্চল বায়। দুলে বেণী, দুলে চাবি আঁচলায়।। নাচে জল-তরঙ্গে তটিনী রঙ্গে জলদ্ দাদ্রা বাজায়, (তার পায়) মম পরান নূপুর হতে চায়।।
রাগঃ বেহাগ–খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

সুন্দর বেশে মৃত্যু আমার আসিলে কি এত দিনে। বাজালে দুপুরে বিদায়-পূরবী আমার জীবন-বীণে।। ভয় নাই রানী, রেখে গেনু শুধু চোখের জলের লেখা, রাতের এ লেখা শুকাবে প্রভাতে, চ’লে যাব আমি একা। * * * দিনের আলোকে ভুলিও তোমার রাতের দুঃস্বপন। ঊর্ধ্বে তোমার প্রহরী দেবতা, মধ্যে দাঁড়ায়ে তুমি ব্যথাহতা, পায়ের তলার দৈত্যের কথা ভুলিতে কতক্ষণ?
রাগঃ
তালঃ
[ওমা — ভুঁড়ি নিয়ে গেলাম মা — ওমা — মা-মা-মা] দয়া ক’রে দয়াময়ী ফাঁসিয়ে দে এই ভুঁড়ি এ ভুঁড়ি তো নয় ভূধর যেন উদর প্রদেশ জুড়ি॥ ক্রমেই ভুঁড়ির পরিধি মা যাচ্ছে ছেড়ে দেহের সীমা আমার হাত পা রইল বাঙালি ওমা পেট হল ভোজপুরী॥ উপুড় হতে নারি মাগো সর্বদা চিৎপাৎ ভয় লাগে কাৎ হলেই বুঝি হব কুপোকাৎ শালীরা কয় হায় রে বিধি রোলার বিয়ে করলেন দিদি গুঁড়ি ভেবে ঠেস দেয় কেউ কেউ দেয় সুড়সুড়ি॥ (আর) ভুঁড়ি চলে আগে আগে আমি চলি পিছে কুমড়ো গড়ান গড়িয়ে পড়ি নামতে সিঁড়ির নীচে। পেট কি ক্রমে ফুলে ফেঁপে উঠবে মাগো মাথা ছেপে (ওগো) কেউ নাদা কয় কেউ গম্বুজ (বলে) কেউবা গোবর ঝুড়ি। গাড়িতে মা যেই উঠেছি ভুঁড়ি লাগায় লম্ফ ভুমিকম্পের চেয়েও ভীষণ আমার ভুঁড়ি কম্প। সার্ট ক্রমে পেটে এঁটে গেঞ্জি হয়ে গেল সেঁটে দে ভুঁড়ির ময়দা ফেটে হাত পা গুলো ছুড়ি হালকা হয়ে মনের সুখে হাত পা গুলো ছুড়ি এই ভুঁড়ির ময়দা ফেটে দে ফায়দা কি আর এই ভুঁড়িতে ময়দা ফেটে দে হালকা হয়ে মনের সুখে ওমা, হাত-পাগুলো ছুড়ি॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
আঁধার ভীত এ চিত যাচে মা গো১ আলো আলো। বিশ্ববিধাত্রী আলোকদাত্রী নিরাশ পরানে আশার সবিতা জ্বালো জ্বালো, আলো, আলো।। হারায়েছি পথ গভীর তিমিরে লহ হাতে ধ’রে প্রভাতের তীরে পাপ তাপ মুছি’ কর মা গো২ শুচি, আশিস-অমৃত ঢালো।। দশ৩ প্রহরণধারিণী দুর্গতিহারিণী দুর্গে মা অগতির গতি সিদ্ধি-বিধায়িনী দনুজ-দলনী বাহুতে দাও মা শকতি। তন্দ্রা ভুলিয়া যেন মোরা জাগি — এবার প্রবল মৃত্যুর লাগি’, রুদ্র-দাহনে ক্ষুদ্রতা দহ’ বিনাশ গ্লানির কালো।।
১. প্রভু, ২. নাথ, ৩, পান্ডুলিপিতে এখানে দুটি পঙ্ক্তি বেশি আাছে অচেতন প্রাণে জাগরণ তৃষ্ণা আনো আনো জড়তার বুকে জীবন-পিপাসা দানো দানো।
রাগঃ শিবমত-ভৈরব
তালঃ ত্রিতাল (টিমা)

আজি চৈতী হাওয়ার মাতন লাগে হলুদ চাঁপার ডালে ডালে। তালী বনে বাজে তারি করতালি ঐ তালে তালে।। ভ্রমর মুখে গুনগুনিয়ে যায় সে মৃদু সুর শুনিয়ে শুকনো পাতার মর্মরে তার নূপুর বাজে রুনুঝুনিয়ে।। ফুলে পাতায় রঙ মাখায় সে ফিকে সবুজ নীলে লালে আজি ওড়ে তাহার রঙের নিশান প্রজাপতির পাখার পালে পালে।।
রেকর্ড-নাটিকা, ‘বাসন্তিকা’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

মধুর ছন্দে নাচে আনন্দে নওল কিশোর মদনমোহন! চারু ত্রিভঙ্গিম ঠাম বঙ্কিম, বন্দে পদ কোটি চন্দ্র তপন॥ বৃষ্টিধারা সম নব নবতম, সৃষ্টি পড়ে ঝরি সে নাচে নিরূপম রতন মঞ্জির বাজে রমঝম, ঘোরে গ্রহতারা ঘিরি শ্রীচরণ॥
চলচ্চিত্রঃ ‘ধ্রুব’
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ তেওড়া

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan