
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

শারদ নিশির হিমেলা বাতাস, তারা-ভরা এই অসীম আকাশ। স্বপ্ন-বিলাসিনী চাঁদের আবাস, কাশ ফুলে দোলে কার নিশাস্।। শিউলি-মালা গলে শরত-রানী লাবনি-মাখা যে গো তাহারি বাণী, তোমার বেণু বিনা, আমার এ বীণা সুর তোলে যেন দীরঘ-শ্বাস।। এমনই চাঁদের তিথি, এমনই শারদ-রাতি মৌন-মুখর ধরা, তব সুর ছিল সাথি, রাখিখানি যবে হায় নিয়েছিলে কর পাতি’ — এসো গো ধেয়ানে মম তাজিয়া সে-পরবাস।।
রাগঃ
তালঃ
আজি কুসুম-দীপালি জ্বলিছে বনে। জ্বলে দীপ-শিখা আম্র-মুকুলে রাঙা পলাশ অশোকে বকুলে, আসে সে আলোর টানে বন-তল মৌমাছি প্রজাপতি দলে দল পুড়ে মরিতে সে রূপ-শিখাতে প্রাণ সঁপিতে বাসন্তিকাতে; পরিমল অঞ্জন মাখিয়া নয়নে হের ঝিমায় আকাশ চাঁদের স্বপনে।। জ্বলে গগনে তারার দীপালি আজি ধরাতে আকাশে মিতালি ধরা চাঁপার গেলাস ভরিয়া মধু উর্ধ্বে তুলে গো ধরিয়া পান করিতে সে মধু পরীরা আসে নেমে কাননে স-শরীরা; বাজে উৎসব বাঁশি গগনে পবনে হের ঝিমায় আকাশ চাঁদের স্বপনে।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

দক্ষিণ সমীরণ সাথে বাজো বেণুকা। মধু-মাধবী সুরে চৈত্র-পূর্ণিমা রাতে, বাজো বেণুকা।। বাজো শীর্ণা-স্রোত নদী-তীরে ঘুম যবে নামে বন ঘিরে’ যবে ঝরে এলোমেলো বায়ে ধীরে ফুল-রেণুকা।। মধু মালতী-বেলা-বনে ঘনাও নেশা স্বপন আনো জাগরণে মদিরা মেশা। মন যবে রহে না ঘরে বিরহ-লোকে সে বিহরে যবে নিরাশার বালুচরে ওড়ে বালুকা।।
রাগঃ মধুমাধবী সারং
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ আমিয়া মতিন

জয় উমানাথ শিব মহেশ্বর চির-ভোরা আশুতোষ স্বয়ম্ভু শঙ্কর।। তুমি ভগবান জীব-কল্যাণ লাগি শ্মশানে রহ শিবলোক তেয়াগি, বিশ্বেশ্বর হয়ে তুমি বৈরাগী হে মহাভিক্ষু দিগম্বর।। স্বর্গের দেবতারে অমৃত দিয়া তুমি নাচো আনন্দে গরল পিয়া, ধুতুরার ফুল শিঙ্গা ডমরু নিয়া — ভষ্ম মাখিয়া রহ গঙ্গাধর।।
রাগঃ
তালঃ
নহে নহে প্রিয় এ নয় আঁখি-জল মলিন হয়েছে ঘুমে চোখের কাজল।। হেরিয়া নিশি-প্রভাতে শিশির কমল-পাতে ভাব বুঝি বেদনাতে ফুটেছে কমল।। এ শুধু শীতের মেঘে কপট কুয়াশা লেগে’ ছলনা উঠেছে জেগে’ এ নহে বাদল।। কেন কবি খালি খালি হ’লি রে চোখের বালি কাঁদাতে গিয়া কাঁদালি নিজেরে কেবল।।
রাগঃ দূর্গা (বিলাবল ঠাট)
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ
শিল্পীঃ সোমা ফারাহ

লক্ষ্মী মা তুই ওঠ্ গো আবার সাগর জলে সিনান করি’। হাতে ল’য়ে সোনার ঝাঁপি, সুধার পাত্রে সুধা ভরি’।। আন্ মা আবার আঁচলে তোর নবীন ধানের মঞ্জরি সে, টুনটুনিতে ধান খেয়েছে, খাজনা মাগো দিব কিসে। ডুবে গেছে সপ্ত-ডিঙা, রত্ন বোঝাই সোনার তরী।। ক্ষীরোদ-সাগর-কন্যা যে তুই, খেতে দে ক্ষীর সর মা আবার, পান্তা লবণ পায় না ছেলে, জননী তোর এ কোন বিচার? কার কাছে মা নালিশ করি, অনন্ত শয়নে হরি।। তোরও কি মা ধর্ল ঘুমে নারায়ণের ছোঁয়াচ লেগে, বর্গী এল দেশে মাগো, খোকারা তোর কাঁদে জেগে। এসে এবার ঘুম পাড়া মা, মাগো ভয়ে ক্ষিদেয় মরি।। কোন্ দুখে তুই রইলি ভুলে বাপের বাড়ি অতল-তুলে, ব্যথার সিন্ধু মন্থন শেষ, ভ’রল যে দেশ হলাহলে। অমৃত এনে সন্তানে তোর, বাঁচা মা, তোর পায়ে ধরি।।
রাগঃ মাঢ়
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan