
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

ও ভাই আমার এ না’ যাত্রী না লয় ভাঙা আমার তরী। আমি আপনারে ল’য়ে রে ভাই এপার ওপার করি।। আমি এই জলেরি আয়নাতে ভাই দেখেছিলাম তায় এখন আয়না আছে প’ড়ে রে ভাই আয়নার মানুষ নাই। তাই চোখের জলে নদীর জলে রে আমি তারেই খুঁজে মরি।। আমি তারি আশে তরী নিয়ে ঘাটে ব’সে থাকি আমার তারির নাম ভাই জপমালা, তারেই কেঁদে ডাকি। আমার নয়ন-তারা লইয়া গেছে রে নয়ন নদীর জলে ভরি’।। ঐ নদীর জলও শুকায় রে ভাই, সে জল আসে ফিরে আর মানুষ গেলে ফিরে নাকি দিলে মাথার কিরে। আমি ভালোবেসে গেলাম ভেসে গো আমি হলাম দেশান্তরী।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পিও শরাব পিও! তোরে দীর্ঘ সে কাল গোরে হবে ঘুমাতে সে তিমির-পুরে তোর বন্ধু স্বজন প্রিয়া রবে না সাথে।। পিও নিমেষ-মধু! পুন গাহিব না কা’ল আজি যে গীত গাহি। শোনো শোনো মোর গান — ‘রাতে শুকাল যে গুল্ হাসিবে না সে প্রাতে’।। ওরা কহিছে সদাই — ‘পাবি মোহিনী হুরী’, শোনো আমার বাণী — ‘ওরে মধুরতর এই আঙুর-পানি এই পান্শালাতে।। ধর্ নগ্দা যা পাস্, মিছে র’স্নে ব’সে বাকি পাওনা-আশায়, দূরে মৃদঙ বাজে শুধু ফাঁকা আওয়াজে তোর মন ভোলাতে।।
রাগঃ ভৈরোঁ
তালঃ কাওয়ালি
ঝাঁকড়া-চুলো তালগাছ তুই দাঁড়িয়ে কেন ভাই। আমার মত পড়া কি তোর মুখস্থ হয় নাই।। আমার মত একপায়ে ভাই দাঁড়িয়ে আছিস্ কান ধ’রে ঠায়, একটুখানি ঘুমোয় না তোর পণ্ডিত মশাই।। মাথায় তুলে পাত্তাড়ি তোর কি ছাই বকিস্ বকর বকর, আম্তা আম্তা করে নাম্তা পড়িস্ কি সদাই।। তালগাছ তোর পাতার কোলে বাবুই পাখির বাসা ঝোলে, কোচড়-ভরা মুড়ি যেন, দেনা দুটি খাই।। পাখিরা তোর মাথায় এসে উড়ে এসে জুড়ে বসে, ঠুক্রে ওরা দেয় কি মাথায় পাতা নাড়িস্ তাই।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

প্রেম ক্যাটারী লগ্ গ্যয়ি তোরে কারী কারী প্যয়ারে ভাঁওরে জোলাৎ হ্যায় যো নিসদিন ডারী ডারী।। শুনা প্যয়ারে ভ্যঁয়র ও প্রেম-কাহানী বাগমে যাতা হ্যায় প্রেম সে পাতা হ্যায় কয়া মানমেঁ ঠানী।। ফুলো সে ক্যয়া তুঝকো প্রেম হুয়া হ্যায় মেরী তারহা ক্যায়া তু প্রেমী বানা হ্যায় ত্যড়পত হ্যায় কিসকী তু বরহা মে নিসদিন পাই হ্যায় কিসসে হুয়ে প্রেমনিশানী।। ফুলমে হ্রায় গুলসে গ্যলো কি রং গাৎ মিলতি হ্যায় ইনসে প্রীতম কি প্যারী সুরাত ইসসে ম্যায় কারতিহু ফুলসে উলফত ফিরত হু ব্যন ব্যন ব্যনকে দিওয়ানী।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ ফেরদেৌস আরা

গগনে খেলায় সাপ বরষা-বেদিনী। দূরে দাঁড়ায়ে দেখে ভয়-ভীতা মেদিনী।। দেখায় মেঘের ঝাপি তুলিয়া ফনা তুলি’ বিদ্যুৎ-ফণি ওঠে দুলিয়া, ঝড়ের তুব্ড়িতে বাজে তার অশান্ত রাগিণী।। মহাসাগরে লুটায় তার সর্পিল অঞ্চল দিগন্তে দুলে তার এলোকেশ পিঙ্গল ছিটায় মন্ত্রপূত ধারাজল অবিরল তন্বী-মোহিনী।। অশনি-ডমরু ওঠে দমকি’ পাতালে বাসুকি ওঠে চমকি’ তার ডাক শুনে ছুটে আসে নদীজল যেন পাহাড়িয়া নাগিনী।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ওরে কে বলে আরবে নদী নাই যথা রহমতের ঢল বহে অবিরল দেখি প্রেমে-দরিয়ার পানি যেদিকে চাই।। যাঁর ক্বাবা ঘরের পাশে আব-এ-জমজম যথা আল্লা-নামের বাদল ঝরে হরদম, যথা ঝরে হরদম- যার জোয়ার এসে দুনিয়ার দেশে দেশে (ওরে) পুণ্যের গুলিস্তান রচিল দেখিতে পাই।। যার ফোরাতের পানি আজো ধরার ‘পরে নিখিল নর-নারীর চোখে ঝরে (ওরে) শুকায় না যে নদী দুনিয়ায়, যার শক্তি বন্যার তরঙ্গ-বেগে যত বিষণ্ন-প্রাণ ওরে আনন্দে উঠল জেগে যাঁর প্রেম-নদীতে,যাঁর পুণ্য-তরীতে মোরা ত'রে যাই।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan