
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নমো নারায়ণ অনন্ত লীলা সিন্ধু বিশাল। কভু প্রশান্ত উদার কভু কৃতান্ত করাল।। বিরাট বিপুল তব মহা বিশ্বে, অনন্ত প্রকাশ অনন্ত দৃশ্যে, গদা-পদ্মধারী কভু গোলক-বিহারী কভু গোপাল ব্রজ-দুলাল কিশোর রাখাল।।
রাগঃ নিশাশাগ
তালঃ ঝাঁপতাল

বিরহের গুলবাগে মোর ভুল ক'রে আজ ফুটলো কি বকুল। অবেলায় কুঞ্জবীথি মুঞ্জরিতে এলে কি বুলবুল। এলে কি পথ ভুলে মোর আঁধার রাতে ঘুম-ভাঙানো চাঁদ, অপরাধ ভুলেছ কি, ভেঙেছে কি অভিমানের বাঁধ। মরণ আজ মধুর হলো পেয়ে তব চরণ রাতুল।। ওগো প্রদীপ নিভে আসে ইহারি ক্ষীণ আলোকে, দেখে নিই শেষ দেখা যত সাধ আছে চোখে। হে চির-সুন্দর মোর, বিদায়-সন্ধ্যা মম রাঙালে এ কি রঙে উদয় ঊষার সম ঝ'রে পড়ুক তব পায়ে আমার এই জীবন-মুকুল।।
রাগঃ পাহাড়ি-কানাড়া মিশ্র
তালঃ রূপক

ভারতের দুই নয়ন তারা হিন্দু-মুসলমান দেশ জননীর সমান প্রিয় যুগল সন্তান।। তাইতো মায়ের কোল নিয়ে ভাই ভা’য়ে ভা’য়ে বাধে লড়াই এই কলহের হবেই হবে মধুর অবসান এক দেশেরই অন্নজলে এক দেহ এক প্রাণ।। আল্লা বলে কোরান তোমায়, এলা বলে বেদ, যেমন পানি, জলে রে ভাই শুধু নামের ভেদ। মোদের মাঝে দেয়াল তুলতে যে চায় জানবে মোদের শত্রু তাহায় (জানবে রে) বিবাদ ক’রে এনেছি হায় অনেক অকল্যাণ মিলনে আজ উঠুক জেগে নব-হিন্দুস্থান। জেগে উঠুক হিন্দুস্থান।।
রাগঃ
তালঃ তেওড়া

কে তুমি এলে হেলে দুলে। প্রাণের গাঙে লহর তুলে।। তোমার চটুল চরণ ছন্দে মন-ময়ূর নাচে আনন্দে, ঝরে ফুলদল বেণীর বন্ধে — মেঘের মাধুরী এলোচুলে।। আমার গানে আমার সুরে প্রাণে আনে তব নূপুরে, রূপ-তরঙ্গ খেলিছে রঙ্গে — ব্যাকুল তনুর কূলে কূলে।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
রঘুকুলপতি রামচন্দ্র আওধকে অধিকারী। সুর-নর-জন পূজে চরণ, মুনি-জন ভয়হারী।। ঝলকে অরুণ বদন-কমল, নীল-পদ্ম নয়ন যুগল দশরথ-সুত সীতাপতি তপবন বনচারী।। সত্য ধর্ম পালক-প্রভু, রাজমুকট-ত্যাগী রত্নাকর শাসক অরু, অনুজকে অনুরাগী। শিলা সতী অহল্যা ত্রাতা, জগৎ-পূজ্য, জগৎ-পাতা। লঙ্কা-পতি মোক্ষদাতা অসুর-নিধনকারী।।
রাগঃ মিশ্র
তালঃ একতাল (ত্রিমাত্রিক) / দাদ্রা

শ্যামে হারায়েছি বলে কাঁদি না বিশাখা হারায়েছি শ্যামের হৃদয় আমি তারি তরে কাঁদি গো সেই নিদয়ের তরে নয় তার হৃদয়ের তরে কাঁদি গো হারায়েছি শ্যামের হৃদয়। যে হৃদয় ছিল একা গোপিকার রাধিকার কুবুজা করেছে তারে জয়, সখি গো কুবুজা তারে কু বুঝায়েছে যে রাধা ছাড়া জানত না সই কুবুজা তারে কু বুঝায়েছে কুবুজা করেছে তারে জয়। কি হবে মথুরা গিয়া, হেরি সে হৃদয়হীন পাষাণ দেবতায় সে কিছুই দেবে না, দেবতাই বটে গো সে দেবতাই বটে গো পাষাণ খুঁজে না রাধা তার প্রিয় আনন্দঘন শ্যামরায় তোরা যেতে চাস যা লো — ঠাকুর দেখিতে তোরা যেতে চাস যা লো, সখি গো ধরম-করম মম তনু-মন-যৌবন সঁপিনু চরণে যার সে পর-পুরুষ, হ’ল আজি অপরার পুরুষ স্বভাব ভ্রমবার। সে ভ্রমরাই সমতুল ফুলে ফুলে ভ্রমে সে ভ্রমরাই সমতুল তারে, দেখলে ভ্রমে জাতিকুল, ভ্রমরাই সমতুল পুরুষ স্বভাব ভ্রমরার যা’র হরি ছাড়া বোধ নাই প্রবোধ দিস্নে তায়, সজনী সবারই পোহাবে নিশি, পোহাবে না রাধারই এ আঁধার রজনী॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan