
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

প’রো প’রো চৈতালি-সাঁজে কুস্মি শাড়ি। আজি তোমার রূপের সাথে চাঁদের আড়ি॥ প’রো ললাটে কাঁচপোকার টিপ, তুমি আলতা প’রো পায়ে হৃদি নিঙাড়ি’॥ প্রজাপতির ডানা-ঝরা সোনার টোপাতে, ভাঙা ভুরু জোড়া দিও বাতুল শোভাতে। বেল-যূথিকার গ’ড়ে মালা প’রো খোঁপাতে দিও উত্তরীয় শিউলি-বোঁটার রঙে ছোপাতে, রাঙা সাঁঝের সতিনী তুমি রূপ-কুমারী॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুপ জালোটা

সখি তখন আমার বালিকা বয়স বেণু শুনেছিনু যবে। আমি বুঝিনি সেদিন, ডাকে বাশুরিয়া আমারেই বেণু রবে, সখি, আমারেই বেণু রবে।। তার বাঁশরির সুরে মাঝে মাঝে সখি শিহরিয়া উঠিতাম গো — মনে হ’ত ঐ সুরের আড়ালে আছে যেন মোর নাম গো। ডাকিত — ‘রাধা জাগো, জাগো প্রিয়া’, হের গো যমুনা তোমার বিরহে উঠিয়াছে উথলিয়া।। শিহরিত কলেবর, জাগিত ভীতি গো, ও কি পূর্বানুরাগ, ও কি প্রথম প্রীতি গো।সখি গো — সখি, হেরিনু স্বপনে নব জলধর রসে-ঢলঢল কালা মোর বুকে এসে কাঁদে, বলে লহ, রাধে, কণ্ঠের বনমালা তার শিরে শিখি-পাখা, চাঁচর চিকুর দোলে কপোলের কাছে লো দোলে দোলে দোলে দোলে গো — সে বাঁশী রেখে পায় মুখপানে চায়, কি যেন ভিক্ষা যাচে।। আমি দিতে যে নারি লো, যাহা চায় তাহা আমি দিতে যে নারি লো; ও বোঝে না কুলবতী কুলের বাধা, দিতে যে নারী লো, দিতে যে নারি লো।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

কালা এত ভাল কি হে কদম্ব গাছের তলা। আমি দেখ্ছি কত দেখ্ব কত তোমার ছলাকলা; আমি নিতুই নিতুই সবই কত, (কালা) তিন সতিনের জ্বালা॥ আমি জল নিতে যাই যমুনাতে তুমি বাজাও বাঁশি হে, মনের ভুলে কলস ফেলে তোমার কাছে আসি হে, শ্যাম দিন-দুপুরে গোকুলপুরে (আমার) দায় হল পথ চলা॥ আমার চারদিকেতে ননদ-সতীন দু’কূল রাখা ভার, আমি সইব কত আর বাঁকা শ্যাম। ওরা বুঝছে সবই নিত্যি-নতুন, (নিতি) মিথ্যে কথা বলা॥
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

এ কি অপরূপ যুগল-মিলন হেরিনু নদীয়া ধামে বিষ্ণুপ্রিয়া লক্ষী যেন রে গোলক-পতির বামে।। এ কি অতুলন যুগল-মূরতি যেন শিব-সতী হর-পার্বতী, জনক-দুহিতা সীতাদেবী যেন বেড়িয়া রয়েছে রামে।। গৌরের বামে গৌর-মোহিণী (যেন) রতি ও মদন চন্দ্র-রোহিণী (তোরা) দেখে যা রে আজ মিলন-রাসে যুগল রাধা-শ্যামে।।
নাটক: ‘বিষ্ণুপ্রিয়া’
রাগঃ
তালঃ
এ কোথায় আসিলে হায়, তৃষিত ভিখারি। হায়, পথ-ভোলা পথিক, হায়, মৃগ মরুচারী।। মোর ব্যথায় চরণ ফেলে চির-দেবতা কি এলে, হায়, শুকায়েছে যবে মোর নয়নে নয়ন-বারি।। তোমার আসার পথে প্রিয় ছিলাম যবে পরান পাতি’, সেদিন যদি আসিতে নাথ হইতে ব্যথার ব্যথী। ধোওয়ায়ে নয়ন-জলে পা মুছাতাম আকুল কেশে আজ কেন দিন-শেষে এলে নাথ মলিন বেশে! হায়, বুকে ল’য়ে ব্যথা আসিলে ব্যথা-হারী।। স্মৃতির যে শুকানো মালা যতনে রেখেছি তুলি’ ছুঁয়ে সে হার ঝরায়ো না ম্লান তার কুসুমগুলি, হায়, জ্বলুক বুকে চিতা, তা’য় ঢেলো না আর বারি।।
রাগঃ কাফি-মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
দোলে বন-তমালের ঝুলনাতে কিশোরী-কিশোর চাহে দুঁহু দোঁহার মুখপানে চন্দ্র ও চকোর, যেন চন্দ্র ও চকোর প্রেম-আবেশে বিভোর।। মেঘ-মৃদঙ বাজে সেই ঝুলনের ছন্দে রিম ঝিম বারিধারা ঝরে আনন্দে হেরিতে যুগল শ্রীমুখ চন্দে গগনে ঘেরিয়া এলো ঘন-ঘটা ঘোর।। নব নীরদ দরশনে চাতকিনী প্রায় ব্রজ-গোপিনী শ্যামরূপে তৃষ্ণা মিটায় গাহে বন্দনা-গান দেব-দেবী অলকায় ঝরে বৃষ্টিতে সৃষ্টির প্রেমাশ্রু-লোর।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা (দ্রুত লয়)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan