
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

এলো ফুল-দোল ওরে এলো ফুল দোল আনো রঙ-ঝারি। অশোকমঞ্জরি অলকে পরি এসো গোপ-নারী।। ঝরিছে আকাশে রঙের ঝরনা হায় শ্যামা ধরণী হ’ল আবির-বরণা, ত্যজি’ গৃহ-কাজ এসো চল-চরণা — ডাকে গিরিধারী।। পরাগ-আবির হানে বনবালা সুরের পিচ্কারি হানিছে কুহু, রঙিন্ স্বপন রাতের ঘুমে অনুরাগ-রং ঝরে মনে মুহু মুহু। রাঙে গিরি-মল্লিকা রঙিন বর্ণে, রাতের আঁচল ভরে জোছনার স্বর্ণে কুলের কালি সখি দেবে ধুয়ে রাঙা পিচ্কারি।।
রাগঃ ভৈরবী-পিলু
তালঃ কাওয়ালি

এলো এলো শবেরাত তোরা জ্বাল্ রে বাতি। হোক রওশন মুসলিম-জাহানের অন্ধকার রাতি।। আজ ফিরদৌসের হুর-পরীরা আলোতে রাঙে চাঁদ সেতারার প্রদীপ ভাসায় আস্মানি গাঙে, ফেরেশ্তা সব হয়েছে আজ মোদের সাথি।। আজ জ্বাল্রে বাতি প্রিয়জনের আঁধার গোরে আজ বরষ পরে লুকিয়ে তারা এসেছে ঘরে, রাখ্ তাদের তরে অশ্রু-ভেজা হৃদয় পাতি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বন্ধু তোমার দুয়ার বন্ধ। তবু তোমার গৃহের পথে ছুটে কমল-গন্ধ॥ বন্ধু তোমার অলক-উড়া মনে পড়ে মনে পড়ে, বন্ধু তোমার পুলক ঝরা আজও আছে বক্ষে ঝ’রে। প্রথম যেদিন দুয়ার খোলা দেখি তোমায় আপন ভোলা; রাজপথেতে লোকের মেলা তুমি আপন সুরে অন্ধ॥ বন্ধু তুমি ভুলে যাওয়া গানের বুঝি সুর হারিয়ে পাওয়া আলোকপুরের স্বপ্ন সুমধুর, বন্ধু তোমার হাতের বীণা তোমার মতই লজ্জাহীনা তোমার মতই ছিন্ন ভিনা তোমার মতই হত-ছন্দ॥
[অগ্রন্থিত নজরুল, সংকলন ও সম্পাদনাঃ ব্রহ্মমোহন ঠাকুর, ডি. এম. লাইব্রেরি, কলকাতা, ২০০৩]
রাগঃ
তালঃ
আয় নেচে নেচে আয় রে বুকে দুলালীমোর কালো মেয়ে দগ্ধ দিনেরবুকে যেমন আসে শীতল আঁধার ছেয়ে।। আমার হৃদয়-আঙিনাতে খেলবি মা তুই দিনে রাতে মোর সকল দেহ নয়ন হয়ে দেখবে মা তাই চেয়ে চেয়ে।। হাত ধরে মোর নিয়ে যাবি তোর খেলাঘর দেখবি মা এইটুকু তুই মেয়ে আমার কেমন করে হ’স অসীমা। লুটে নিবি চতুর্ভূজা আমার স্নেহ প্রেম-পূজা (মা) নাম ধরে তোর ডাকব মা যেই যেথায় থাকিস আসবি ধেয়ে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমারে চোখ ইশারায় ডাক দিলে হায় কে গো দরদি। খুলে দাও রং মহলার তিমির-দুয়ার ডাকিলে যদি।। গোপনে চৈতী হাওয়ায় গুল্-বাগিচায় পাঠালে লিপি, দেখে তাই ডাক্ছে ডালে কু কু ব’লে কোয়েলা ননদী।। পাঠালে ঘূর্ণি-দূতী ঝড়-কপোতী বৈশাখে সখি বরষায় সেই ভরসায় মোর পানে চায় জল-ভরা নদী।। তোমারি অশ্রু ঝলে শিউলি তলে সিক্ত শরতে, হিমানীর পরশ বুলাও ঘুম ভেঙে দাও দ্বার যদি রোধি।। পউষের শূন্য মাঠে একলা বাটে চাও বিরহিণী, দুঁহু হায় চাই বিষাদে, মধ্যে কাঁদে তৃষ্ণা-জলধি।। ভিড়ে যা ভোর-বাতাসে ফুল-সুবাসে রে ভোমর কবি ঊষসীর শিশ্-মহলে আস্তে যদি চাস্ নিরবধি।।
রাগঃ জৌনপুরী-আশাবরি
তালঃ কাহার্বা

জয়-জগৎ-জননী, ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বন্দিতা, জয় মা-ত্রিলোক তারিণী। জয় আদ্যাশক্তি পরমেশ্বরী নন্দন-লোক-নন্দিতা জয় দুর্গতিহারিণী।। তোমাতে সর্বজীবের বসতি, সর্বাশ্রয় তুমি মা, জয় হয় সব বন্ধন পাপ-তাপ তব পদ চুমি’ মা। তুমি শাশ্বতী, সৃষ্টি-স্থিতি, তুমি মা প্রলয়কারিণী।। তুমি মা শ্রদ্ধা, প্রেম, ভক্তি তুমি কল্যাণ সিদ্ধি ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ তুমি তিন-জন ঋদ্ধি, জয় বরাভয়া ত্রিগুণময়ী দশ-প্রহরণ-ধারিণী।।
নাটক : ‘বিদ্যাপতি’ (স্তব)
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan