Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

বল্ রে তোরা বল্ ওরে

বাণী

বল্ রে তোরা বল্ ওরে ও-আকাশ-ভরা তারা।
আমার নয়ন-তারা কোথায়? কোথায় হ’ল হারা।।
দৃষ্টিতে তার বৃষ্টি হ’ত তোদের অধিক আলো
আঁধার ক’রে নামার ভুবন কোথায় সে লুকালো,
হাত্‌ড়ে ফিরি আকাশ ভুবন, পাইনে তাহার সাড়া।।
খানিক আগে মানিক আমার ছিল রে এই চোখে,
আলোর কুঁড়ি পড়ল ঝ’রে কোন্ সে গহন-লোকে।
	বলিস্‌ তোরা আলোর রাজায়
	তাঁহার অসীম আলোকসভায়,
কম হ’ত কি আলো, আমার আঁখির আলো ছাড়া।।

আমার গহীন জলের নদী

বাণী

আমার		গহীন জলের নদী
আমি		তোমার জলে ভেসে রইলাম জনম অবধি।।
ও ভাই		তোমার বানে ভেসে গেল আমার বাঁধা ঘর
আমি		চরে এসে বস্‌লাম রে ভাই ভাসালে সে চর।
এখন		সব হারিয়ে তোমার জলে রে আমি ভাসি নিরবধি।।
		ঘর ভাঙিলে ঘর পাব ভাই ভাঙ্‌লে কেন মন
ও ভাই		হারালে আর পাওয়া না যায় মনেরি রতন।
ও ভাই		জোয়ারে মন ফেরে না আর রে ও সে ভাটিতে হারায় যদি।।
তুমি		যখন ভাঙ রে নদী (ভাঙ যখন কূল রে নদী) ভাঙ একই ধার
আর		মন যখন ভাঙ রে নদী দুই কূল ভাঙ তার
ও ভাই		চর পড়ে না মনের কূলে রে
ও সে		একবার সে ভাঙে যদি, ও ভাই একবার সে ভাঙে যদি।।

এসো বসন্তের রাজা হে আমার

বাণী

এসো বসন্তের রাজা হে আমার
এসো এ যৌবন-বাসর-সভাতে।।
ফুলের দরবারে পাখির জলসাতে
বুকের অঞ্চল-সিংহাসনে মম
বসো আমার চাঁদ চাঁদনি রাতে।।
রূপের দীপালি মোর জ্বলবে তোমায় ঘিরে বঁধূ,
পিয়াব তোমায় পিয়া কানে-কানে কথার মধু।
বন-কুসুমের মালা দিব বাহুর মালার সাথে
চরণে হব দাসী বন্ধু হব দুখ রাতে।।

ঝিল্লি-নূপুর বাজে

বাণী

ঝিল্লি-নূপুর বাজে।
বিভাবরী নাচে বন-শবরী সাজে।।
তিমির কুন্তলে তারার ফুল দোলে
চাঁদের চন্দন-ফোঁটা ললাট-মাঝে।।
দোলে নদী-জল অঞ্চল ধীরে
বন-বেণী দোলে চঞ্চল-সমীরে।
জাগে দুরন্ত নিশীথ-বসন্ত
ঘুমন্ত নববধূ রেঙে ওঠে লাজে।।

গ্রহণী-রোগ-সমা গৃহিণী প্রিয়তমা

বাণী

গ্রহণী-রোগ-সমা গৃহিণী প্রিয়তমা, প্রসীদ! কর ক্ষমা! দেবী নমস্তে।
শতমুখীধারিণী ভীমহুঙ্কারিণী যেন গন্ডারিনী দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে।দেবী নমস্তে।।
চীৎকারে মাঝ রাতে পড়শীরা জেগে যায়
তক্তাপোষের নীচে ছেলে পিলে ভেগে যায়
পদভরে দুদ্দাড় ভেঙ্গে পড়ে ঘর দ্বার
চেড়ীদের সর্দার হাতা-বেড়ী-হস্তে।দেবী নমস্তে।।
শান্ত শিষ্ট এই গোবেচারা স্বামী
তোমার পুলিশ কোর্টে চিরকাল আসামী
তেড়ে আসে বীরজায়া তুমি কুঁদো মোটকা।
বেগতিক দেখে ছুটি আমি রোগা পট্‌কা।
কাঁছাকোঁচা বেসামাল ব্যস্তে সমস্তে।দেবী নমস্তে।।
তুমি পূর্বজন্মে ছিলে ভোজপুরি দারোয়ান
আমি বলীবর্দ তুমি ছিলে গাড়োয়ান;
ময়দা ছিলাম আমি তুমি নিয়ে ঠাসতে।
আহা হা টুটি কেন টিপে ধর? আস্তে, শ্বস্তে।দেবী নমস্তে।।

ওরে ও মদিনা বলতে পারিস

বাণী

ওরে ও মদিনা বলতে পারিস কোন সে পথে তোর
খেলত ধূলা-মাটি নিয়ে মা ফাতেমা মোর।।

হাসান হোসেন খেলত কোথায় কোন সে খেজুর বনে
পাথর-কুচি কাঁকর ল'য়ে দুম্বা শিশুর সনে
সেই মুখকে চাঁদ ভেবে রে উড়িত চকোর।।

মা আয়েশা মোর নবীজীর পা ধোয়াতেন যথা
দেখিয়ে দে সে বেহেশত আমায় রাখ রে আমার কথা;
তোর প্রথম কোথায় আজান-ধ্বনি ভাঙলো ঘুমের ঘোর।।

কোন পাহাড়ের ঝর্ণা-তীরে মেষ চরাতেন নবী
কোন পথ দিয়ে রে যেতেন হেরায় আমার আল-আরবি'
তুই কাঁদিস কোথায় বুকে ধরে সেই নবীজীর গোর।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan