Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

লক্ষ্মী মাগো নারায়ণী আয়

বাণী

লক্ষ্মী মাগো নারায়ণী আয় এ আঙিনাতে।
সুধার পাত্র সোনার ঝাঁপি ল’য়ে শুভ হাতে।।
	সৌভাগ্যদায়িনী তুই মা এসে
	দারিদ্র্য ক্লেশ নাশ কর মা হেসে
কোজাগরী পূর্ণিমা আন মা দুঃখের আঁধার রাতে।।
আন্‌ কল্যাণ শান্তি শ্রী, জননী কমলা,
এ অভাবের সংসারে থাক মা হয়ে অচঞ্চলা।
	রূপ দে মা যশ দে, দে জয়,
	অভয় পদে দে মা আশ্রয়,
ধরা ভরবে শস্যে ফুলে ফলে মা তোর আসার সাথে।।

কাবেরী নদী–জলে কে গো বালিকা

বাণী

কাবেরী নদী-জলে কে গো বালিকা
আনমনে ভাসাও চম্পা-শেফালিকা।।
প্রভাত-সিনানে আসি আলসে
কঙ্কন-তাল হানো কলসে
খেলে সমীরণ ল’য়ে কবরীর মালিকা।।
দিগন্তে অনুরাগ নবারুণ জাগে
তব জল ঢল ঢল করুণা মাগে।
ঝিলাম, রেবা নদী তীরে,
মেঘদূত বুঝি খুঁজে ফিরে
তোমারেই তন্বী শ্যামা কর্ণাটিকা।।

সখি কই গোপীবল্লভ শ্যামল পল্লব কান্তি

বাণী

সখি কই গোপীবল্লভ শ্যামল পল্লব কান্তি
সখি আমার হরি বিনে হরি চন্দনে নাহি শান্তি।
ঐ দেখ্ দেখ্ শ্যাম দাঁড়িয়ে
ও নহে কদম তমাল পিয়াল পিয়া মোর ঐ দাঁড়িয়ে।
ও নহে তরুণ শাখা ও যে মোর বঁধু আসে বাহু বাড়িয়ে।
পুষ্প পাগল তরু কি কখনো দুলে গো অমন করিয়া
(ও যে) বনমালা গলে বনমালী মোর নাচিছে হেলিয়া দুলিয়া।
তোরা দেখে আয় তোরা দেখে আয়
অভিমানে শ্যাম আসিছে না কাছে ডেকে আয় তারে ডেকে আয়
তারি বিগলিত নীল লাবনি কি ঐ যমুনার কালো জলে
বিজলির আঁখি ইঙ্গিতে সে কি ডাকে মোরে মেঘ দলে।
সখি গো! তোরা যেতে দে মোরে যেতে দে আর দিস্‌নে বাধা
(ঐ) গহন কালোতে গাহন করিয়া জুড়াক আলোক রাধা।।

অন্ধকারের তীর্থপথে ভাসিয়ে দিলাম

বাণী

অন্ধকারের তীর্থপথে ভাসিয়ে দিলাম নামের তরী
মায়া মোহের ঝড় বাদলে এবার আমি ভয় না করি।
	যে নাম লেখা তারায় তারায়
	যে নাম ঝরে অশ্রুধারায়
যাত্রা শুরু সেই নামেরি জপমালা বক্ষে ধরি।।
এই আঁধারের অন্তরালে লক্ষ রবি চন্দ্র জ্বলে
নিত্য ফোটে আলোর কমল জানি তোমার চরণ তলে।
	এবার ওগো অশিব নাশন
	থামাও তোমার ঢেউর নাচন
সেই ত অমর মরণ যদি ধ্যান সাগরে ডুবে মরি।।

স্বদেশ আমার জানি না তোমার

বাণী

স্বদেশ আমার! জানি না তোমার শুধিব মা কবে ঋণ।
দিনের পরে মা দিন চ’লে যায় এলো না সে শুভদিন।।
		খাই দাই আর আরামে ঘুমাই
		পাগলের যেন ব্যথা-বোধ নাই
ললাট-লিখন বলিয়া এড়াই ভীরুতা, শক্তি ক্ষীণ।
অভাগিনী তুমি, সন্তান তব সমান ভাগ্যহীন।।
কত শতাব্দী করেছি মা পাপ মানুষেরে করি ঘৃণা
জানি মা মুক্তি পাব না তাহার প্রায়শ্চিত্ত বিনা।
		ক্ষুদ্র ম্লেচ্ছ কাঙাল ভাবিয়া
		রেখেছি যাদেরে চরণে দাবিয়া
তাদের চরণ-ধূলি মাখি যদি আসিবে সে শুভদিন
নূতন আলোকে জাগিবে পুলকে জননী ব্যথা-মলিন।।

বাঁশি বাজায় কে কদম তলায়

বাণী

বাঁশি বাজায় কে কদম তলায় ওলো ললিতে
শুনে সরে না পা পথ চলিতে।।
তার বাঁশির ধ্বনি যেন ঝুরে ঝুরে
আমারে খোঁজে লো ভুবন ঘুরে
(ওসে) কি যেন চাহে মোরে বলিতে।।
আছে গোকুল নগর আরো কত নারী
কত রূপবতী বৃন্দাবন-কুমারী
	আছে গোকুল নগরে।
কেন আমারি নাম লয়ে বংশীধারী
আসে নিতি-নিতি মোরে ছলিতে।
সখি নির্মল কুলে মোর কৃষ্ণ -কালি
কেন লাগালে কালিয়া বনমালী
আমার বুকে দিল তুষের আগুন জ্বালি
আরো কত জনম যাবে জ্বলিতে।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan