
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

বন্ধু, আজো মনে রে পড়ে আম কুড়ানো খেলা। আম কুড়াইবার যাইতাম দুইজন নিশি-ভোরের বেলা।। জোষ্ঠি মাসের গুমোঁট রে বন্ধু আস্ত নাকো নিদ রাত্রে আস্ত নাকো নিদ্ আম-তলায় এক চোর আইস্যা কাঁট্ত প্রাণে সিঁদ্ (আর) নিদ্রা গেলে ফেল্ত সে চোর আঙিনাতে ঢেলা।। আমরা দুইজন আম কুড়াইতাম, ডাক্ত কোকিল গাছে, ভোলো যদি — বিহান বেলার সূয্যি সাক্ষী আছে, (তুমি) পায়ের কাছে আম ফেইল্যা গায়ে দিতে ঠেলা।। আমার বুকের আঁচল থাইক্যা কাইড়া নিতে আম, বন্ধু, আজও পাই নাই দাসী সেই না আমের দাম, (আজ) দাম চাইবার গিয়া দেখি তুমি দিছ মেলা।। নিশি জাইগ্যা বইস্যা আছি, জোষ্ঠি মাসের ঝড়ে সেই না গাছের তলায় বন্ধু এখনো আম পড়ে তুমি কোথায় আমি কোথায় দুইজনে একেলা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

উজান বাওয়ার গান গো এবার, গাস্নে ভাটিয়ালি আর গাস্নে ভাটিয়ালি। নূতন আশার চাঁদ উঠেছে কুম্ড়ো জালির ফালি যেন কুম্ড়ো জালির ফালি।। বান এসেছে, বাঁধ ভেঙেচে, নায়ে দোলা লাগে আড়-বাঁশিতে তান ছেড়ে তুই দাঁড়্ বেয়ে চল্ আগে দেখ্ জোয়ার-জলে ডু’বে গেছে চরের চোরাবালি।। কালো বউ-এর চোখ যেন, দেখ্ মৌরলা মাছ ভাসে গাঙ্চিল আর জল-পায়রা উড়ছে মুখের পাশে, শোন্ বউ কথা কও পাখি, মোদের করছে দূতিয়ালি।। জল নিয়ে বৌ দাঁড়িয়ে আছে, গাছে কচি ডাব লোক্সানেরই হিসাব দেখিস, লাভের কথা ভাব্, সাজ্ রে তামুক, নামুক দেয়া, দুক্ষু ত ইজমালি।।
রাগঃ
তালঃ
পুরুষ : কোথায় গেলে পেঁচা-মুখি একবার এসে খ্যাচ-খ্যাচাও স্ত্রী : বলি, গাই-হারা বাছুরের মতন গোয়াল থেকে কে চ্যাঁচাও॥ পুরুষ : (বলি ও শাকচুন্নি, আহাহাহা) অমন শ্যাওড়া বৃক্ষ ফেলে, আমার ঘাড়ে কেন এলে গো, ও হো হো স্ত্রী : (বলি ও কালিয়া পেরেত) তুমি উনুন-মুখো দেবতা যে তাই ছাই-পাঁশের নৈবিদ্যি পাও। পুরুষ : (মরি অরি অরি অরি মরি, কি যে রূপের ছিরি, আহাহাহাহা) চন্দ্র-বদন ন্যাপা পোছা কুত্কুতে চোখ নাকটি বোঁচা গো, ও হো হো স্ত্রী : (বলি ও বেরসো কাট, বলি ও কেলো হুলো) তুমি কাঁদলে চোখে কালি বোরোয় কয়লার ডিপোয় লজ্জা দাও তুমি কয়লার ডিপোয় লজ্জা দাও। পুরুষ : বলি ও জুজুবুড়ি স্ত্রী : বলি ও ঝাঁকাভূঁড়ি পুরুষ : ও বাবা জুজু স্ত্রী : ও বাবা ঝাঁকা পুরুষ : আহা, চাম্চিকে ওই ডানা কাটা স্ত্রী : তুমি যেন পূজোর পাঁঠা পুরুষ : আহা, হার মেনে যায় হাঁড়ি চাঁছা প্রিয়ে যখন খ্যাচ-খ্যাচাও। স্ত্রী : (আ-মরি মরি, কি যে বচন সুধা) পিঁপড়ে ধরবে ও প্রাণনাথ তুমি, শিগ্গির মুখে ফিনাল দাও॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
বেদনার সিন্ধু-মন্থন শেষ, হে ইন্দ্রানী, জাগো, জাগো করে সুধা-পাত্রখানি।। রোদন-সায়রে ধুয়ে পুষ্পতনু এসো অশ্রুর বরষার ইন্দ্র-ধনু, হের কুলে অনুরাগে জীবন-দেবতা জাগে ধরিবে বলিয়া তব পদ্মপাণি।। তব দুখ-রাত্রির তপস্যা শেষ- এলো শুভ দিন, অতল-তমসা-লক্ষ্মী গো তুমি অমরার এসো এসো পার হ'য়ে ব্যথার পাথার। অশ্রুত অশ্রুর নীরবতা কর দূর কূলে কূলে হাসির তরঙ্গ হানি।।
রাগঃ সিন্ধু
তালঃ ত্রিতাল

যত নাহি পাই দেবতা তোমায় , তত কাঁদি আর পূঁজি। ত্ই লুকাও ধরা নাহি দাও, ততই তোমারে খুঁজি কত সে রূপের রঙের মায়ায়, আড়াল করিয়া রাখ আপনায় তবু তব পানে অশান্ত মন কেন ধায় নাহি বুঝি।। কাঁদালে যদি গো এমন করিয়া কেন প্রেম দিলে তবে অন্তবিহীন এ লুকোচুরির শেষ হবে নাথ কবে? সহে না হে নাথ বৃথা আসা যাওয়া- জনমে জনমে এই পথ চাওয়া কাঁদিয়া কাঁদিয়া ফুরায়ে গেল চোখের জলের পুঁজি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

গুঞ্জা মালা গলে কুঞ্জে এসো হে কালা বনমালী এসো দুলায়ে বনমালা॥ তব পথে বকুল ঝরিছে উতল বায়ে দলিয়া যাবে বলে অকরুণ রাঙা পায়ে রচেছি আসন তরুণ তমাল ছায়ে পলাশ শিমুলে রাঙা প্রদীপ জ্বালা॥ ময়ূরে নাচাও তুমি তোমারি নূপুর তালে বেঁধেছি ঝুলনিয়া ফুলেল কদম ডালে তোম বিনা বনমালী বিফল এ ফুল দোল বাঁশি বাজাবে কবে উতলা ব্রজবালা॥
রাগঃ মালগুঞ্জ
তালঃ ত্রিতাল

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan