


দুখের সাহারা পার হয়ে আমি চলেছি ক্বাবার পানে। পড়িব নামাজ মা'রফাতের আরফাত ময়দানে।। খোদার ঘরের দিদার পাইব, হজ্জের পথের জ্বালা জুড়াইব, (মোর) মুর্শিদ হয়ে হজরত পথ দেখান সুদূর পানে।। রোজা রাখা মোর সফল হইবে, পাবো পিয়াসার পানি; আবে জম্জম্ তৌহিদ পিয়ে ঘুচাব পথের গ্লানি। আল্লার ঘর তওয়াফ করিয়া কাঁদিব সেথায় পরান ভরিয়া, ফিরিব না আর, কোরবানি দেবো এই জান সেইখানে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ঝাঁপিয়া অঞ্চলে কেন বিধুবদন অবনত কাঁদে নয়ান। অভিমান পরিহর হরি-হৃদি বিহারিণী প্রেম দিয়া জুড়াও এ প্রাণ। তুয়া বিনা নয়নে অন্যে না হেরি একই রাধা আছে ত্রিভুবন ঘেরি’ (আমি রাধা ছাড়া জানি’ না অনন্ত বিশ্বে রাধারই রূপধারা, রাধা ছাড়া দেখি না) ভৃঙ্গার ভরি’ তুমি শৃঙ্গার রস করাও পান, তাই হই যে অবশ।। তুমি রাধা হয়ে মধু দিলে মাধব হই, তুমি ধারা হয়ে নামিলে সৃষ্টিতে রই রাধা, সকলি তোমার খেলা তবে কেন কর অভিমান, কেন কর হেলা। প্রতি দেহ-বিম্বে তোরি পদতলে হর হয়ে রহি তাই ছবি। হরিরত হর-জ্ঞান মহামায়া হরিলী (এ যে) তোমারই ইচ্ছা, আমি নিজে নিজে রূপ ধরিণী। ভোল মানের খেলা দূরে থেকোনা, দাও চরণ ভেলা আমি তরে’ যাই, তরে’ যাই রাধা-প্রেম যমুনায় ডুবিয়া মরে’ যাই।।
পাঠান্তর : রেকর্ডের জন্য কবি এই গানটির বহু অংশ বর্জন করেন।বর্জিত অংশগুলো এই:
গলে দিয়া পীতধড়া গো, পদতলে দিয়া শিখী-চূড়া গো
পদযুগ ধরিয়া চাহি ক্ষমা, ক্ষম অপরাধ প্রিয়তমা!
হরি-মনোরমা ক্ষমা কর গো।।
তব প্রেমে অবগাহন করি সব দাহন চিরতরে জুড়াব
কল্প-কদম-তরু-তলে চিরদিন তোমার প্রেম-কণা কেশর কুড়াব।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (ছোট দশকোশী ও কাহার্বা)

ওঁ শঙ্কর হর হর শিব সুন্দর। কোটি ভাস্কর জ্যোতি শূলপাণি নটবর।। রজত গিরিনিভ কান্তি মনোহর। জটা ভূষণ ত্রিনয়ন শশীশেখর।। বাঘাম্বর যোগীন্দ্র ডমরুধর। প্রসীদ আশুতোষ রুদ্র মহেশ্বর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
ওগো মুর্শিদ পীর! বলো বলো রসুল কোথায় থাকে। কোথায় গেলে কেমন ক’রে দেখতে পাব তাঁকে।। বেহেশ্ত — ’পারে দূর আকাশে তাঁহার আসন খোদার পাশে, সে এতই প্রিয়, আপনি খোদা লুকিয়ে তারে রাখে।। কোরান পড়ি হাদিস শুনি, সাধ মেটে না তাহে, আতর পেয়ে মন যে আমার ফুল দেখতে চাহে। সবাই খুশি ঈদের চাঁদে আমার কেন পরান কাঁদে, দেখ্ব কখন আমার ঈদের চাঁদ — মোস্তফাকে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আমরা শক্তি আমরা বল, আমরা ছাত্রদল। মোদের পায়ের তলায় মূর্চ্ছে তুফান ঊর্ধ্বে বিমান ঝড় বাদল! আমরা ছাত্রদল॥ মোদের আঁধার রাতে বাধার পথে যাত্রা নাঙ্গা পায়, আমরা শক্ত মাটি রক্তে রাঙাই বিষম চলার ঘায়। যুগে যুগে রক্তে মোদারে সিক্ত হল পৃথ্বীতল। আমরা ছাত্রদল॥ মোদের কক্ষচ্যুত ধূমকেতু-প্রায় লক্ষ্যহারা প্রাণ, আমরা ভাগ্যদেবীর যজ্ঞবেদীর নিত্য বলিদান। যখন লক্ষীদেবী স্বর্গে উঠেন আমরা পশি নীল অতল। আমরা ছাত্রদল॥ আমরা ধরি মৃত্যু রাজার যজ্ঞ-ঘোড়ার রাশ, মোদের মৃত্যু লেখে মোদের জীবন-ইতিহাস। হাসির দেশে আমরা আনি সর্বনাশী চোখের জল। আমরা ছাত্রদল॥ সবাই যখন বৃদ্ধি যোগায়, আমরা করি ভুল। সাবধানীরা বাঁধ বাঁধে সব, আমরা ভাঙি কূল। দারুণ রাতে আমরা তরুণ রক্তে করি পথ পিছিল। আমরা ছাত্রদল॥ মোদের চক্ষে জ্বলে জ্ঞানের মশাল বক্ষে ভরা বাক্, কণ্ঠে মোদের কুণ্ঠা-বিহীন নিত্য-কালের ডাক। আমরা তাজা খুনে লাল করেছি সরস্বতীর শ্বেত-কমল। আমরা ছাত্রদল॥ ঐ দারুণ উপপ্লবের দিনে আমরা দানি শির, মোদের মাঝে মুক্তি কাঁদে বিংশ-শতাব্দীর! মোরা গৌরবেরি কান্না দিয়ে ভরেছি মা’র শ্যাম আঁচল। আমরা ছাত্রদল॥ আমরা রচি ভালোবাসার আশার ভবিষ্যৎ, মোদের স্বর্গ-পথের আভাস দেখায় আকাশ-ছায়াপথ! মোদের চোখে বিশ্ববাসীর স্বপ্ন দেখা হোক সফল। আমরা ছাত্রদল॥
রাগঃ
তালঃ লোফা

এলো রমজানেরি চাঁদ এবার দুনিয়াদারি ভোল সারা বরষ ছিলি গাফেল এবার আঁখি খোল।। এই একমাস রোজা রেখে পরহেজ থাক গুনাহ থেকে কিয়ামতের নিয়ামত তোর ঝুলি ভরে তোল।। বন্দী রহে এই মাসে শয়তান মালাউন (তার) এই মাসে যা করবি সওয়াব দর্জা হাজার গুণ। ভোগ বিলাসে মাখলি যে পাঁক রমজানে তা হবে রে সাফ এফতারে তোর কর রে সামান আল্লা রসুল বোল।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan