
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

পুরুষ : তুমি হেরেমের বন্দিনী নহ তুমি যে ঘরের বাতি। স্ত্রী : তুমি যে ঈদের চাঁদ! তব তরে জাগিয়া কাটাই রাতি।। পুরুষ : আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই যবে তুমি মোনাজাত কর গো নীরবে, স্ত্রী : তুমি যে খোদার দেওয়া সওগাত মম বেহেশ্তের সাথি।। পুরুষ : তুমি নারী আগে আনিলে ঈমান দ্বীন ইসলাম ‘পরে, স্ত্রী : তুমি যে বিজয়ী খোদার রহম আনিয়াছ জয় ক’রে! পুরুস : আজি দুর্বল মোরা তোমারে ত্যজিয়া স্ত্রী : দাঁড়াইব পাশে উঠহ জাগিয়া, উভয়ে : হাতে হাত ধরি’ চলি যদি মোরা জাগিবে নূতন জাতি — দুনিয়া আবার উঠিবে মাতি’।।
পাঠান্তরঃ আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

সকল জাতির সব মানুষের বন্ধু, হে মোহসীন। এ যুগে তুমিই শোধ করিয়াছ এক আল্লার ঋণ।। ভোগ করনি ক’ বিপুল বিত্ত পেয়ে ভিখারি হইলে শুধু আল্লারে চেয়ে, মহাধনী হ’লে আল্লার কৃপা পেয়ে — দুনিয়ায় তাই রহিলে কাঙাল দীন।। মানুষের ভালোবাসায় দেখিলে আল্লার ভালোবাসা, সৃষ্টির তরে কাঁদিয়া পুরালে তব স্রষ্টার আশা। তব দান তাই ফুরায়ে নাহি ফুরায় বিত্ত হইলে নিত্য এ দুনিয়ায়, শিখাইয়া গেলে, মুসলিম তারে কয় — অর্থ যাহারে কিনিতে পারে না যে নহে লোভ-মলিন।।
রাগঃ
তালঃ
বিরহের নিশি কিছুতে আর চাহে না পোহাতে ওগো প্রিয়। জাগরণে দেখা দিলে না নাথ স্বপনে আসিয়া দেখা দিও।। হেরিব কবে সে-মোহন রূপ শুকায়েছে মালা, পুড়েছে ধূপ, নিভে যদি যায় জীবন-দীপ তুমি এসে নাথ জ্বালাইও১।। তব আশা-পথ চাহি’ বৃথায় দিবস মাস বরষ যায়, এ জনমে যদি ভুলিলে হায় — পর জনমে না ভুলিও।।
১. নিভাইও
রাগঃ সাহানা
তালঃ একতাল
(মা) আয় মা উমা! রাখ্ব এবার ছেলের সাজে সাজিয়ে তোরে। (ওমা) মা’র কাছে তুই রইবি নিতুই, যাবি না আর শ্বশুর ঘরে।। মা হওয়ার মা কী যে জ্বালা বুঝবি না তুই গিরি-বালা তোরে না দেখলে শূন্য এ বুক কী যে হাহাকার করে।। তোরে টানে মা শঙ্কর-শিব আসবে নেমে জীব-জগতে, আনন্দেরই হাট বসাব নিরানন্দ ভূ-ভারতে। না দেখে যে মা, তোর লীলা হ’য়ে আছি পাষাণ-শীলা আয় কৈলাসে তুই ফির্বি নেচে বৃন্দাবনের নূপুর প’রে।।
রাগঃ
তালঃ একতাল

নাচো শ্যাম-নটবর কিশোর-মুরলীধর অঙ্গ মিশায়ে মম অঙ্গে। তোমার নাচের শ্রী ফুটুক আমার এই নৃত্য-বিভঙ্গে।। মম রক্তে বাজুক তব পায়ের নূপুর আমার কণ্ঠে দাও বাঁশরির সুর, তব বাঁশরির সুর। লীলায়িত হয়ে উঠুক এ তনু তোমার প্রেম-আনন্দ-তরঙ্গে।। আমার মাঝে হরি, নাচো যবে তুমি আমি নাচি আপনা ভুলি’ হরি আমি নাচি আপনা ভুলি’ শরম ভরম যায় এই দেহ যমুনায় ছন্দের হিল্লোল তুলি’। মনে হয় আমি যেন রাসের রাধা জনম জনম আমি নাচি তব সঙ্গে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পঞ্চ প্রাণের প্রদীপ-শিখায় লহ আমার শেষ আরতি। ওগো আমার পরম-পতি, ওগো আমার পরম-পতি।। বহু সে-কাল বাহির-দ্বারে দাঁড়িয়ে আছি অন্ধকারে, এবার দেহের দেউল ভেঙে দেখ্ব নিঠুর, তোমার জ্যোতি।। আমি তোমায় চেয়েছিলাম, শুধু এই সে অপরাধে, ধ্যান ভেঙেছ আমার, ফেলে নিত্য নূতন মায়ার ফাঁদে। আজ মায়ার ঘরে আগুন জ্বেলে পালিয়ে গেলাম পাখা মেলে, জীবন যাহার মিথ্যা স্বপন মরণে তার নাই ক ক্ষতি।। কেটে দিলাম নিঠুর হাতে যে বাঁধনে বেঁধেছিলে, রইল না আর আমার ব’লে কোনো স্মৃতি এ-নিখিলে। আবার যদি তোমার মায়ায় রূপ নিতে হয় নূতন কায়ায়, তোমার প্রকাশ রুদ্ধ যেথায় সেথায় যেন না হয় গতি।।
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan