Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

তব গানের ভাষায় সুরে

বাণী

তব গানের ভাষায় সুরে বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি
এত দিনে পেয়েছি তারে আমি যারে খুঁজেছি।।
ছিল পাষাণ হয়ে গভীর অভিমান
সহসা, এলো সহসা আনন্দ-অশ্রুর বান।
বিরহ-সুন্দর হয়ে সেই এলো
দেবতা বলে যাঁরে পুজেছি
			বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি।।
তোমার দেওয়া বিদায়ের মালা পুন প্রাণ পেল প্রিয়
হ’য়ে শুভদৃষ্টি মিলন-মালিকা বুকে ফিরে এলো — এলো প্রিয়।
	যাহারে নিষ্ঠুর বলেছি
	নিশীথে গোপনে কেঁদেছি
নয়নের বারি হাসি দিয়ে মুছেছি
			বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি।।

তুমি আনন্দ ঘনশ্যাম আমি প্রেম-পাগলিনী রাধা

বাণী

তুমি আনন্দ ঘনশ্যাম আমি প্রেম-পাগলিনী রাধা।
তব ডাক শুনে ছুটে যাই বনে আমি না মানি কুলের বাধা।।
	শূন্য প্রাণের গাগরি ঘিরে
	নিতি আসি রস-যমুনার তীরে
অঙ্গ ভাসায়ে তরঙ্গ-নীরে শুনি তব বাঁশি সাধা।।
যুগ-যুগান্ত অনন্ত কাল হৃদয়-বৃন্দাবনে
তোমাতে আমাতে এই লীলা, নাথ! চলেছে, সঙ্গোপনে।
	মোর সাথে কাঁদে প্রেম-বিগলিতা
	ভক্তি ও প্রীতি বিশাখা-ললিতা।
তোমারে যে চায়, মোর মতো, হায়! সার শুধু তার কাঁদা।।

তুমি নন্দন-পথ ভোলা

বাণী

তুমি নন্দন-পথ ভোলা।।
তুমি মন্দাকিনী-ধারা উতরোলা।।
তোমার প্রাণের পরশ লেগে
কুঁড়ির বুকে মধু উঠ্‌ল জেগে,
দোলন-চাঁপায় লাগে দোলা।।
তোমারে হেরিয়া পুলকে ওঠে ডাকি’
বকুল বনের ঘুমহারা পাখি,
ধরার চাঁদ তুমি চির-উতলা।।

তুই মা হ’বি না মেয়ে হ’বি দে মা উমা ব’লে

বাণী

(তুই) মা হ’বি না মেয়ে হ’বি দে মা উমা ব’লে
তুই আমারে কোল্‌ দিবি, না আমিই নেব কোলে।।
	মা হয়ে তুই মা গো আমার,
	নিবি কি মোর সংসার-ভার।
দিন ফুরালে আসব ছুটে, মা তোর চরণ-তলে।
(তুই) মুছিয়ে দিবি দুঃখ-জ্বালা, তোর স্নেহ-অঞ্চলে।।
এক হাতে মোর পূজার থালা ভক্তি-শতদল।
(ও মা) আর এক হাতে ক্ষীর নবনী, কি নিবি তুই বল্।
		ওমা কি নিবি তুই বল্।
	মেয়ে হ’য়ে মুক্ত কেশে,
	খেল্‌বি ঘরে হেসে হেসে,
ডাকলে মা তুই ছুটে এসে, জড়াবি মোর গলে।
(তোরে) বক্ষে ধ’রে শিব-লোকে যাব আমি চলে।।

ত্রিজগত আলো করে আছে

বাণী

	ত্রিজগত আলো করে আছে কালো মেয়ের পায়ের শোভা।
	মহাভাবে বিভোর শঙ্কর, ঐ পা জড়িয়ে মনোলোভা।।
	দলে দলে গগন বেয়ে গ্রহ তারা এলো ধেয়ে,
ঐ	চরণ শোভা দেখবে বলে, ঐ পায়ের নূপুর হওয়ার ছলে
সেই	শোভা কেমন বলতে গিয়ে ব্রহ্ম হলো চিরমৌনী বোবা।।
ঐ	চরণ শোভা দেখার তরে, যোগী থাকেন ধেয়ান ধ'রে
	ত্রিভুবন ভুলে অনন্তকাল যোগী থাকেন ধেয়ান ধ'রে।
	ও শুধু চরণ শোভা নয়, ঐ যে পরব্রহ্ম জ্যোতি
	শ্রী চণ্ডী বেদ পুরাণে ওরই প্রেম-আরতি
মা	দেখ্‌ত যদি নিজের চরণ নিজেই দিত বিল্বজবা
	আপনার ঐ রাঙা পায়ে নিজেই দিত বিল্বজবা।।

তুম প্রেমকে হো ঘনশ্যাম

বাণী

তুম প্রেমকে হো ঘনশ্যাম ম্যায় প্রেম কি শ্যাম-প্যায়ারী।
প্রেমকা গান তুমহারে দান ম্যায় হুঁ প্রেম-ভিখারি।।
	হৃদয় বিচমে যমুনা তীর
	তুমহারি মুরলী বাজে ধীর,
নয়ন নীর কি বহত যমুনা প্রেম সে মাতোয়ারী।।
যুগ যুগ হোয়ে তুমহারি লীলা মেরে হৃদয় বনমে,
তুমহারে সুন্দর-মন্দির মোহন সোহত মেরে মনমে।
	প্রেম-নদী নীর নিত বহি যায়
	তুমহারে চরণ কো কবহুঁ না পায়,
রোয়ে শ্যাম-প্যায়ারী সাথ ব্রিজনারী আও মুরলীধারী।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan