
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম প্রিয়। আমার কথার ফুল গো, আমার গানের মালা গো — কুড়িয়ে তুমি নিও।। আমার সুরের ইন্দ্রধনু রচে আমার ক্ষণিক তনু, জড়িয়ে আছে সেই রঙে মোর অনুরাগ অমিয়।। আমার আঁখি-পাতায় নাই দেখিলে আমার আঁখি-জল, আমার কণ্ঠের সুর অশ্রুভারে করে টলমল। আমার হৃদয়-পদ্ম ঘিরে কথার ভ্রমর কেঁদে ফিরে, সেই ভ্রমরের কাছে আমার মনের মধু পিও।।
গীতি আলেখ্য: ‘আকাশবাণী’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আজ সুদিনের আসল ঊষা, নাই অভাব আজ নাই অভাব। অরুণ রবির মতন রাঙা পেয়ালা ভরি’ আন্ শারাব।। ঊষার করে পেয়ালা রবির, উপচে পড়ে কিরণ-মদ, মধুর উজল সময় এমন, আজ করো না দিল্ খারাব।। শান্ত কুটির, বন্ধু সাকি, মধুর-কণ্ঠ গায় গজল, আয়েশ-সুখের আরাম গো তায় নৌ-জোয়ানী বে-হিসাব।। নাচছে প্রিয়া সাকির সাথে, সুর-পিয়াসি দেয় তালি, সাকির আঁখির মদির লীলা টুটায় মদের বদ্-খোয়াব।। মদের নেশায় মিঠার লোভে, সাবাস চতুর ফুল-মালী — লুকিয়ে রাখ সুবজ পাতায় শারাব-মধুর লাল গোলাব।। পর্ল প্রিয়া যেদিন কানে গানের মোতি হাফিজের, সেদিন হতে উর্বশী মোর শুনছে গানের বীণ্-রবাব্।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাওয়ালি
আমার হরিনামে রুচি, কারণ, পরিণামে লুচি আমি ভোজনের লাগি করি ভজন। আমি মালপোর লোভে এ কল্পলোকে তল্পী বাঁধিয়া এসেছি মন।। ‘রাধা-বল্লভী’ লোভে পূজি রাধা-বল্লভে, আসি রসগোল্লার তরে রাস মোচ্ছবে। আমার গোল্লায় গেছে মন, দাদা গো, রসগোল্লায় গেছে মন। ও তো রসগোল্লা কভু নয় যেন ন্যাড়া-মাথা বাবাজী থালাতে হয়েন উদয়! (আর) গজা দেখে প্রেম যে গজায় হৃদিতলে রে, পানতোয়া দেখে প্রাণ নাচে হরি ব’লে রে! ঐ গোলগাল মোয়া এই মায়াময় সংসার দেয় গো ভুলিয়ে, আর ক্ষীরের খোয়াতে খোয়াইতে কুল মন ওঠে চুলবুলিয়ে। (আমার) মন বলে হরি হরি হাত বলে হর হে, যত অরসিকে তেড়ে আসে বলে ব্যাটায় ধর হে! আর এই সংসারে রসিক শুধু রাঁধুনী ও ময়রাই — সেই দুই ভাই আজি এসেছে রে! যারা ময়দা খেয়ে মালপো ঢালে সেই দুই ভাই আজি এসেছে রে! আমি চিনি মেখে গায় যোগী হব দাদা যাব ময়রার দেশে, আর রসকরার কড়াই-এ ডুবিয়া মরিব গলে সন্দেশ ঠেসে। ভোজন ভজহরি-র শোনো এই তথ্য গো-ময় সংসারে ভজনই সত্য।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

আমি চিরতরে দূরে চলে যাব তবু আমারে দেব না ভুলিতে আমিবাতাস হইয়া জড়াইব কেশ বেণী যাবে যবে খুলিতে।। তোমার সুরের নেশায় যখন ঝিমাবে আকাশ কাঁদিবে পবন রোদন হইয়া আসিব তখন তোমার বক্ষে দুলিতে।। আসিবে তোমার পরমোৎসব — কত প্রিয়জন কে জানে, মনে প’ড়ে যাবে কোন্ সে ভিখারি পায়নি ভিক্ষা এখানে। তোমার কুঞ্জ-পথে যেতে হায় চমকি’ থামিয়া যাবে বেদনায় দেখিবে কে যেন ম’রে মিশে আছে তোমার পথের ধূলিতে।।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ অনুপ ভট্টাচার্য্য

(আমার) আনন্দিনী উমা আজো এলো না তার মায়ের কাছে। হে গিরিরাজ! দেখে এসো কৈলাসে মা কেমন আছে॥ মোর মা যে প্রতি আশ্বিন মাসে মা মা ব’লে ছুটে আসে, ‘মা আসেনি’ ব’লে আজও ফুল ফোটেনি লতায় গাছে ॥ তত্ত্ব-তলাশ নিইনি মায়ের তাই বুঝি মা অভিমানে, না এসে তার মায়ের কোলে ফিরিছে শ্মশান মশানে। ক্ষীর নবনী ল’য়ে থালায় কেদে ডাকি, ‘আয় উমা আয়’। যে কন্যারে চায় ত্রিভুবন তাকে ছেড়ে মা কি বাঁচে॥
রাগঃ
তালঃ যৎ

আল্লাকে যে পাইতে চায় হজরতকে ভালবেসে। আরশ্ কুরসি লওহ কালাম, না চাহিতেই পেয়েছে সে।। রসুল নামের রশি ধ’রে যেতে হবে খোদার ঘরে, নদী-তরঙ্গে যে পড়েছে ভাই, দরিয়াতে সে আপনি মেশে।। তর্ক ক’রে দুঃখ ছাড়া কি পেয়েছিস্ অবিশ্বাসী, কি পাওয়া যায় দেখ্ না বারেক হজরতে মোর ভালবাসি’। এই দুনিয়ায় দিবা-রাতি ঈদ্ হবে তোর নিত্য সাথী, তুই যা চাস্ তাই পাবি রে ভাই আহমদ চান যদি হেসে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan