
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

শ্যালিকা: জামাইবাবু, বলি ও জামাইবাবু । জামাইবাবু: কে? ও, আমার বিরহতুত শালী বুঝি? শ্যালিকা: আহা হা, দিদির বিরহে তোমার চাঁদ মুখ যে অমাবস্যার চাঁদের মত হয়ে উঠেছে । তা, তার বিরহের একটা গান শোনাও? জামাইবাবু: হ্যাঁ, তা মন্দ বলিস নি ভাই, তা মন্দ বলিস নি। তোর মারফতে যদি আমার দুষ্কের কথা তার কাছে গিয়ে পৌঁচয় । শোন্ ভাই, শোন্। আমার বিছানা আছে বালিস আছে বৌ নাই মোর খাটে (ওগো) তার বিরহে বারোটা মাস কেমন ক'রে কাটে ও দাদা গো।। আ, হাহাহা, বিরহে, বিরহে খাট আমার আধখানা হয়ে গেছে বৈশাখ মাস, বৈশাখে প্রাণ ভ'য়সা যেন ধুকে রোদের তাতে (বাবু গো) হাত-পাখা আর নড়ে না ভাই রাতে পিয়ার হাতে জৈষ্ঠি মাস, জৈষ্ঠি মাসের গরমে হিয়ার গুষ্ঠি শুদ্ধু ফাটে ও দাদা গো।। আষাঢ় মাস, আষাঢ় মাসে কট্কটে ব্যাঙ ছট্ফটিয়ে কাঁদে, উহুহুহুহুহু — বাবা রেএএএ ওগো চুলকানি যে উঠলো বেড়ে প্রেমের মইষা দাদে শ্রাবণ মাস, শ্রাবণ মাসে রাবুণে প্রেম জাগে জলের ছাটে, ও দাদা গো।। ভাদ্র মাস, ভাদ্র মাসে আপনার বৌ হলো ভাদ্র বধূ (বাবু গো) আশ্বিন মাসে চাখলাম না হায় পূজার মজার মধু আমার পরাণ লাফায় পাঁঠা যেমন দাপায় হাঁড়িকাঠে ও দাদা গো।। শ্যালিকা: তারপর কি? জামাইবাবু: তারপর? তারপর আর নেই! শ্যালিকা: বা-রে! এই তো মাত্র ভাদ্র-আশ্বিন হলো। আর ছ'মাস যে বাকি রইলো। জামাইবাবু: না-রে ভাই, আর বাকি নেই, আর বাকি নেই, আর বাকি নেই। শ্যালিকা: বলবে না? বলবে না তো? আহা ভাল লাগলো কিনা, তাই এতো খোসামুদি করছি। না গাইবে তো যাও, তোমার সঙ্গে আর আমি কখখনো ... জামাইবাবু : ওরে ওরে ওরে ওরে, শোন্ শোন্ শোন্ শোন্, ও ভাবে যাস্ নি, যাস্ নি। ওরে তুই রাগ করিস নে রে ভাই, তুই রাগ করিস নে। দ্যাখ, এই বার মাস বিরহে বিরহে আমার কাটছে। ওরে তুই আমার একমাত্র শান্ত্বনা। তুই যদি রাগ করে চলে যাস তাহলে আমার অবস্থাটা কি হবে একবার বোঝ্। আচ্ছা, গাইছি শোন্। কার্তিক মাস, হ্যাঁ? কার্তিকে মোর ময়ূরী এই কার্তিককে ফেলে (ওরে) ও তার দাদার ঘরের রাধা হয়ে বেড়ায় পেখম মেলে শ্যালিকা: যাঃ, ভারি দুষ্টু! জামাইবাবু: না, না, সত্যি, সত্যি, সত্যি, শোন্ না, শোন্ না। অঘ্রাণ, অঘ্রাণে ধান কাটে চাষা আমার কেঁদে কাটে ও দাদা গো।। পৌষ মাস, পৌষে আমার বৌ সে কোথায় গুড়ের পিঠা খায় (বাবু গো) আর হেথায় আমার জিহ্বা দিয়া নাল ঝরিয়া যায় মাঘ মাস, ওরে মাঘ মাসে যার মাগ নাই সে যাক না শ্মশান ঘাটে ও বাবু গো।। ফাল্গুন মাস, ফাল্গুনে ছাই ডাল-নুনে কি মেটে প্রেমের খিদে হাতের কাছে কাকে খুঁজি রাতের বেলায় নিদে (আমি) চৈত্র মাস, চৈত্র মাসে মধু খুঁজি হায়রে কদুর বাটে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

আল্লাকে যে পাইতে চায় হজরতকে ভালবেসে। আরশ্ কুরসি লওহ কালাম, না চাহিতেই পেয়েছে সে।। রসুল নামের রশি ধ’রে যেতে হবে খোদার ঘরে, নদী-তরঙ্গে যে পড়েছে ভাই, দরিয়াতে সে আপনি মেশে।। তর্ক ক’রে দুঃখ ছাড়া কি পেয়েছিস্ অবিশ্বাসী, কি পাওয়া যায় দেখ্ না বারেক হজরতে মোর ভালবাসি’। এই দুনিয়ায় দিবা-রাতি ঈদ্ হবে তোর নিত্য সাথী, তুই যা চাস্ তাই পাবি রে ভাই আহমদ চান যদি হেসে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

আশা-নিরাশায় দিন কেটে যায় হে প্রিয় কবে আসিবে? প্রতি নিঃশ্বাসে নয়ন প্রদীপ মোর আসিছে নিভে।। ফুল ঝরে যায় হায়, পুন ফুল ফোটে কৃষ্ণা তিথির শেষে চাঁদ হেসে ওঠে আমারি নিশীথের অসীম আঁধার ওগো চাঁদ কবে নাসিবে।। শীত যায় মনোবনে ফাল্গুন আসে গো আসিল না আমারই ফাল্গুন চাঁদের কিরণে পৃথিবী শীতল হায় মোর বুকে জ্বালে সে আগুন। নিশীথে বকুল শাখে পিয়া পিয়া পাপিয়া ডাকে আমারই প্রিয়তম ‘জাগো পিয়া’ বলে কবে ডাকিবে।।
রাগঃ
তালঃ
আমার নয়নে কৃষ্ণ-নয়নতারা হৃদয়ে মোর রাধা-প্যারী। আমার প্রেম-প্রীতি-ভালোবাসা শ্যাম-সোহাগী গোপ-নারী।। আমার স্নেহে জাগে সদা পিতা নন্দ মা যশোদা, ভক্তি আমার শ্রীদাম-সুদাম আঁখি-জল যমুনা-বারি।। আমার সুখের কদম-শাখায় কিশোর হরি বংশী বাজায় আমার দুখের তমাল ছায়ায় — লুকিয়ে খেলে বন-বিহারী।। মুক্ত আমার প্রাণের গোঠে চরায় ধেনু রাখাল-কিশোর, আমার প্রিয়জনে নেয় সে হরি’, সেই ত ননী খায় ননী-চোর। রাধা-কৃষ্ণ-কথা শুনায় — দেহ ও মন শুক-শারী।।
রাগঃ সিন্ধু মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

আজি ঘুম নহে, নিশি জাগরণ। চাঁদেরে ঘিরি’ নাচে ধীরি ধীরি তারা অগণন।। প্রখর-দাহন দিবস-আলো, নলিনী-দলে ঘুম তখনি ভালো। চাঁদ চন্দন চোখে বুলালো খোলো গো নিঁদ-মহল-আবরণ।। ঘুরে ঘুরে গ্রহ, তারা, বিশ্ব, আনন্দে নাচিছে নাচুনি ঘূর্ণির ছন্দে। লুকোচুরি-নাচ মেঘ তারা মাঝে নাচিছে ধরণী আলোছায়া-সাজে, ঝিল্লির ঘুমুর ঝুমুঝুমু বাজে খুলি’ খুলি’ পড়ে ফুল-আভরণ।।
রাগঃ দরবারি কানাড়া
তালঃ কাওয়ালি

আজ উদার আকাশে ছুটির শঙ্খ-ঘণ্টা বাজায় কে। প্রবাসীর মন উচাটন, শোনে — ‘দীপ জ্বাল্, উলু দে’।। আর মন লাগে নাকো কাজে, শ্রবণের কাছে চুড়ি-কঙ্কণ বাজে। এলোমেলো বায়ে এলো, কবরীর সৌরভ এলো যে।। কোথা আনন্দ-নন্দিনী কার চন্দন বুঝি ঘষে; মন মেতে ওঠে মৌমাছি-সম, নন্দন-মধু রসে। তৃতীয়া চাঁদের রসকলি পরি’ বৈষ্ণবী সেজে এলো বিভাবরী; বাউল-হৃদয়! চল্ রে বাহিরে, হাতে একতারা নে।।
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan