Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

নবীর মাঝে রবির সম আমার মোহাম্মদ রসুল

বাণী

নবীর মাঝে রবির সম আমার মোহাম্মদ রসুল।
খোদার হবিব দীনের নকিব বিশ্বে নাই যার সমতুল।।
	পাক আরশের পাশে খোদার
	গৌরবময় আসন যাঁহার,
খোশ-নসীব উম্মত আমি তাঁর (আমি) পেয়েছি অকূলে কূল।।
	আনিলেন যিনি খোদার সালাম;
	তাঁর কদমে হাজার সালাম;
ফকির দরবেশ জপি' সেই নাম (সবে) ঘর ছেড়ে হলো বাউল।।
	জানি, উম্মত আমি গুনাহগার
	হবো তবু পুলসরাত পার;
আমার নবী হযরত আমার করো মোনাজাত কবুল।।

ফুলমালিনী এনেছ কি মালা

বাণী

ফুলমালিনী! এনেছ কি মালা।
এনেছ কি মালা, ভরি’, তনু-ডালা।।
এনেছ পসারিণী নয়ন-পাতে
প্রেমসুধা-রস মালারই সাথে,
অধরের অনুরাগ রাঙা-পেয়ালা।।
এনেছ প্রীতির মালতী বকুল,
রসে টলমল রূপের মুকুল।
গাঁথ পরান মম তব ফুলহারে
মালার বিনিময়ে লহ আমারে,
বৃথা না যায় শুভ লগ্ন নিরালা।।

ও বন্ধু! দেখলে তোমায় বুকের মাঝে

বাণী

ও বন্ধু! দেখ্‌লে তোমায়, বুকের মাঝে জোয়ার-ভাঁটা খেলে।
আমি এক্‌লা ঘাটে কুলবধূ কেন তুমি এলে
			বন্ধু, কেন তুমি এলে।।
ও বন্ধু, আমার অঙ্গে কাঁটা দিয়ে ওঠে বাজাও যখন বাঁশি
আমি খিড়্‌কি দুয়ার দিয়ে বন্ধু, জল ভরিতে আসি
ভেসে’ নয়ন-জলে ঘরে ফিরি ঘাটে কলস ফেলে।।
আমার পাড়ায়, বন্ধু, তোমার নাম যদি নেয় কেউ
বুকে আমার দুলে ওঠে পদ্মা নদীর ঢেউ বন্ধু পদ্মা নদীর ঢেউ।
	ওগো ও চাঁদ, এনো না আর
	দু’কূল-ভাঙা এমন জোয়ার
কত ছল ক’রে জল লুকাই চোখের কাঁচা কাঠে আগুন জ্বেলে।।

যে পেয়েছে আল্লার নাম সোনার কাঠি

বাণী

	যে পেয়েছে আল্লার নাম সোনার কাঠি,
	তার কাছে ভাই এই দুনিয়া দুধের বাটি॥
	দীন দুনিয়া দুই-ই পায় সে মজা লোটে,
	রোজা রেখে সন্ধ্যাবেলা শিরনি জোটে,
সে	সদাই বিভোর পিয়ে খোদার এশ্‌ক খাঁটি॥
সে	গৃহী তবু ঘরে তাহার মন থাকে না,
	হাঁসের মতন জলে থেকেও জল মাখে না;
তার	সবই সমান খাঁটি সোনা এঁটেল্ মাটি॥
	সবই খোদার দান ভেবে সে গ্রহণ করে,
	দুঃখ-অভাব সুখের মতই জড়িয়ে ধরে,
	ভোগ করে সে নিত্য বেহেশ্‌ত্‌ পরিপাটি॥

মহান তুমি প্রিয়

বাণী

মহান তুমি প্রিয়!
এই কথাটির গৌরবে মোর চিত্ত ভ’রে দিয়ো।।
অনেক আশায় ব’সে আছি যাত্রা শেষের পর,
তোমায় নিয়েই পথের ’পরে বাঁধবো আমার ঘর —
					হে চির-সুন্দর!
পথ-শেষে সেই তোমায় যেন করতে পারি ক্ষমা,
			হে মোর কলঙ্কিনী প্রিয়তমা!
সেদিন যেন বলতে পারি, — ‘এসো এসো প্রিয়,
বক্ষে এসো, এসো আমার পূত কমনীয়।।’
হায় হারানো লক্ষ্মী আমার! পথ ভুলেছ ব’লে
চির-সাথী যাবে তোমার মুখ ফিরিয়ে চ’লে?
জান্ ওঠে হায় মোচড় খেয়ে, চলতে পড়ি ট’লে
অনেক জ্বালায় জ্বলে’ প্রিয় অনেক ব্যথায় গলে’।
বারে বারে নানান রূপে ছ’ল্‌তে আমায় শেষে,
কলঙ্কিনী! হাতছানি দাও সকল পথে এসে,
			কুটিল হাসি হেসে।।
ব্যথায় আরো ব্যথা হানাই যে সে!
তুমি কি চাও তোমার মতই কলঙ্কী এই আমি?
এখন তুমি সুদূর হ’তে আসবে ঘরে নামি’।
হে মোর প্রিয়া হে মোর বিপথ-গামী!
পথের আজো অনেক বাকী, তাই যদি হয় প্রিয় —
পথের শেষে তোমায় পাওয়ার যোগ্য করেই নিও।।

আমি গগন গহনে সন্ধ্যা-তারা

বাণী

আমি	গগন গহনে সন্ধ্যা-তারা
	কনক গাঁদার ফুল গো।
	গোধূলির শেষে হেসে উঠি আমি
	এক নিমেষের ভুল গো।
আমি	কণিকা,
আমি	সাঁঝের অধরে ম্লান আনন্দ-কণিকা
আমি	অভিমানিনীর খুলে ফেলে দেওয়া মণিকা
আমি	দেব-কুমারীর দুল গো।।
	আলতা রাখার পাত্র আমার আধখানা চাঁদ ভাঙা
	তাহারি রং গড়িয়ে পরে (ঐ) অস্ত-আকাশ রাঙা।
আমি	একমুঠো আলো কৃষ্ণা-সাঁঝের হাতে
আমি	নিবেদিত ফুল আকাশ-নদীতে রাতে
	ভাসিয়া বেড়াই যাঁর উদ্দেশে গো
	তার পাই না চরণ-মূল।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan