
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

পুরুষ : কিশোরী বাসন্তী ডাকিছে তোমায় ফুলবন। স্ত্রী : ডাকে হে শ্যাম, তোমায় তাল ও তমাল বন শন্ শন্।। পুরুষ : তুমি ফুলের বারতা স্ত্রী : তুমি বন-দেবতা, উভয়ে : আমরা আভাস ফাল্গুনের, দূর স্বর্গের পরশন।। পুরুষ : কল্প-লোকের তুমি রূপ-রানী গো প্রিয়া, অপাঙ্গে ফোটাও যুঁই-চম্পা-টগর-মোতিয়া। স্ত্রী : নিঠুর পরশ তব (হায়) যাচিয়া জাগে বনভূমি ফুলদল পড়ে ঝরি’ তব চারু পদ চুমি’, উভয়ে : আমরা ফুলশর-ঊর্বশী দেব-সভার মোরা হরষণ।।
রাগঃ
তালঃ
তেমনি চাহিয়া আছে নিশীথের তারাগুলি। লতা-নিকুঞ্জে কাঁদে আজও বন-বুলবুলি — ফিরে এসো, ফিরে এসো প্রিয়তম।। ঘুমায়ে পড়েছে সবে, মোর ঘুম নাহি আসে তুমি যে ঘুমায়ে ছিলে সেদিন আমার পাশে, সাজানো সে-গৃহ তব ঢেকেছে পথের ধূলি — ফিরে এসো, ফিরে এসো প্রিয়তম।। আমার চোখের জলে মুছে যায় পথ-রেখা রোহিণী গিয়াছে চলি’, চাঁদ কাঁদে একা একা, কোন্ দূর তারা-লোকে কেমনে রয়েছে ভুলি’ — ফিরে এসো, ফিরে এসো প্রিয়তমা।।
রাগঃ
তালঃ
সখি আমি-ই না হয় মান করেছিনু তোরা তো সকলে ছিলি। ফিরে গেল হরি, তোরা পায়ে ধরি, কেন নাহি ফিরাইলি।। তা'রে ফিরায় যে পায়ে ধরি' (তার) পায়ে পায়ে ফেরেন হরি পরিহরি মান, অভিমান (তা'রে) কেন নাহি ফিরাইলি। তোরা তো হরির স্বভাব জানিস। তা'র স্ব-ভাবের চেয়ে পরভাব বেশি তোরা তো হরির স্বভাব জানিস্। তা'র স্বভাব জেনেও রহিলি স্ব-ভাবে ডাকিলি না পরবোধে। তা'রে প্রবোধ কেন দিলি নে সই, তোরা তো চিনিস্ হরিরে প্রবোধ কেন দিলি নে সই। (কেন) ডাকিলি না পরবোধে। (হরি) প্রহরী হইয়া রহিত রাধার ঈষৎ অনুরোধে (তা'রে) অনুরোধ কেন করলি নে সই তোরা যে আমার অন্তরাধা অনুরোধ কেন করলি নে সই। তোরা যে রাধার অনুবর্তিনী অনুরোধ কেন করলি নে সই (কেন) ডাকিলি না পরবোধে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ঘন ঘোর বরিষণ মেঘ-ডমরু বাজে শ্রাবণ রজনী আঁধার। বেদনা-বিজুরি-শিখা রহি’ রহি’ চমকে মন চাহে প্রেম অভিসার॥ কোথা তুমি মাধব কোথা তুমি শ্যামরায়? ঝরিছে নয়ন-বারি অঝোর ধারায়, কদম-কেয়া-বনে ডাহুকী আনমনে — সাথি বিনা কাঁদে অনিবার॥
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল
কিশোরীরা : মোরা ফুটিয়াছি বঁধু হের তোমারি আশায়। ১ম কিশোরী : আমি অনুরাগ-রাঙা, আমি গোলাব-শাখায়।। ২য় কিশোরী : বন-কুন্তলে গরবী, আমি কানন-করবী। ৩য় কিশোরী : আমি সরসী-কমলা, আমি ষোড়শী কমলা ৪র্থ কিশোরী : আমি চম্পক খোঁপায়।। নিভিল আলেয়া-আলো পথ চলিতে, প্রজাপতিদ্বয় : তোমরা আসিলে কি গো মন ছলিতে। কিশোরীরা : মোরা অনির্বাণ-শিখা দীপ্তিমতী, আমরা কুসুম-রাঙা আমরা জ্যোতি। প্রজাপতিদ্বয় : আমরা চাহি নাকো প্রেম, চাহি মোহিনী মায়ায়।।
নাটক : ‘আলেয়া’
রাগঃ
তালঃ
আমার যাবার সময় হলো, দাও বিদায়। মোছ আঁখি, দুয়ার খোলো, দাও বিদায়।। ফোটে যে ফুল আঁধার রাতে ঝরে ধূলায় ভোর বেলাতে আমায় তারা ডাকে সাথে - আয় রে আয়। সজল করুণ নয়ন তোলো, দাও বিদায়।। অন্ধকারে এসেছিলাম থাকতে আঁধার যাই চ’লে; ক্ষণিক ভালোবেসেছিলেম চিরকালের না-ই হ’লে। হ’লো চেনা হ’লো দেখা নয়ন-জলে রইলো লেখা দূর বিরহের ডাকে কেকা বরষায় ফাগুন স্বপন ভোলো ভোলো,দাও বিদায়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ সতীনাথ

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan