Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

চক্র সুদর্শন ছোড়কে মোহন

বাণী

চক্র সুদর্শন ছোড়কে মোহন তুম ব্যনে বনওয়ারী।
ছিন লিয়ে হ্যয় গদা-পদম্‌ সব মিল করকে ব্রজনারী।।
	ছার ভুজা আব দো বনায়ে
	ছোড়কে বৈকুণ্ঠ ব্রিজ মে আয়ে,
রাস রচায়ে ব্রিজ্‌কে মোহন ব্যন্ গ্যয়ে মুরলী-ধারী।।
	সত্যভামাকো ছোড়কে আয়ে
	রাধা প্যারী সাথমে লায়ে,
বৈতরণী কো ছোড়কে ব্যন গ্যয়ে যমুনাকে তটচারী।।

সাম্যের গান গাই (দ্বিতীয় খন্ড)

বাণী

সাম্যের গান গাই-
আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই!
পুরুষ-হৃদয়হীন,
মানুষ করিতে নারী দিল তারে আধেক হৃদয় ঋণ।
ধরায় যাদের যশ ধরে না ক’ অমর মহামানব,
বরষে বরষে যাদের স্মরণে, করি মোরা উৎসব,
খেয়ালের বশে তাদের জম্ম দিয়াছে বিলাসী পিতা।
লব-কুশে বনে ত্যাজিয়াছে রাম, পালন করেছে সীতা!
নারী সে শিখাল শিশু-পুরুষেরে, স্নেহ প্রেম, দয়া মায়া,
দীপ্ত নয়নে পরল কাজল বেদনার ঘন ছায়া।
সে-যুগ হয়েছে বাসি,
যে যুগে পুরুষ দাস ছিল না ক’, নারীরা আছিল দাসী!
বেদনার যুগ, মানুষের যুগ, সাম্যর যুগ আজি,
কেহ রহিবেনা বন্দী কাহারও, উঠিছে ডঙ্কা বাজি’!
নর যদি রাখে নারীরে বন্দী, তবে এর পর যুগে
আপনারি রচা ঐ কারাগারে পুরুষ মরিবে ভুগে।
যুগের ধর্ম এই-
পীড়ন করিলে সে পীড়ন এসে পীড়া দেবে তোমাকেই!
স্বর্ণ-রৌপ্য অলঙ্কারের যক্ষপুরিতে নারী
করিল তোমায় বন্দিনী, বল, কোন্‌ সে অত্যাচারী?
যে ঘোম্‌টা তোমা করিয়াছে ভীরু, উড়াও সে আবরণ!
দূর ক’রে দাও দাসীর চিহ্ন যেথা যত আভরণ!
কখন আসিল “প্লুটো” যমরাজা নিশিথ পাখায় উড়ে,
ধরিয়া তোমায় পুড়িল তাহার আঁধার বিবর-পুরে!
ভেঙ্গে যম্পুরী নাগিনীর মত আয় মা পাতাল ফুঁড়ি’।
আধাঁরে তোমায় পথ দেখাবে মা তোমারি ভগ্ন চুড়ি!
পুরুষ যমের ক্ষুধার কুকুর মুক্ত ও-পদাঘাতে
লুটায়ে পড়িবে ও-চরণ-তলে দলিত যমের সাথে!
সেদিন সুদূর নয়-
যে দিন ধরণী পুরুষের সাথে গাহিবে নারীরও জয়।

কবিতাঃ নারী (দ্বিতীয় খন্ড)

তুমি আমার সকাল বেলার সুর

বাণী

তুমি আমার সকাল বেলার সুর
হৃদয় অলস–উদাস–করা অশ্রু ভারাতুর।।
ভোরের তারার মত তোমার সজল চাওয়ায়,
ভালোবাসার চেয়ে সে যে কান্না পাওয়ায়
রাত্রি–শেষের চাঁদ তুমি গো বিদায়–বিধুর।।
তুমি আমার ভোরের ঝরা ফুল
শিশির–নাওয়া শুভ্র–শুচি পূজারিণীর তুল।
অরুণ তুমি, তরুণ তুমি, করুণ তারো চেয়ে
হাসির দেশে তুমি যেন বিষাদ–লোকের মেয়ে
তুমিইন্দ্র–সভার মৌন–বীণা নীরব নূপুর।।

বদ্‌না গাড়ুতে বসে মুখোমুখী

বাণী

বদ্না গাড়ুতে বসে মুখোমুখী দিব্বি হয়েছে ভাব!
বদনা চাহিছে শুক্তুনী আর – চাহিছে গাড়ু কাবাব।।
গাড়ু বলে এসো বদনা ভাইটি হোক শুভ চোখাচোখি।
তুমি মোর হাতে পেঁয়াজ দাও আর আমি দিই হরতকি।।
[শুনে বদনা ভাবে গদগদ হয়ে বলছেন
‘গাড়ুদাদা দাড়িতে একবার টিকিতে বুলাও না’]
ও গাড়ু দাদা দাড়িতে বুলাও টিকি –
ছুরি ও নাদ্না রাখি দোঁহে এসো আস্‌নাই করা শিখি।।
[গাড়ু তখন ভাব জমিয়ে বলছেন]
পাখিদের মাঝে বামুন যে রাম পাখি।
কেননা মাথায় উহার জবা-ফুল বাঁধা টিকি
দেখ নাকি তাহা দেখ নাকি?
[বদনা তখন বদন ব্যাদন করে বলছেন]
ও তো টিকি নয় দাদা ও যে তুর্কী ফেজ্।
পাখিদের মাঝে উনি মোল্লাজী হ্যাঁদু নয় হরগেজ।।
[গাড়ু তখন বদনার পিঠে নল বুলিয়ে বলছেন]
হাতে দিব ক্ষীর নাড়ু ভাই, ছেড়ে দাও খাওয়া ঐ বড়টা।
[শুনে বদনা অবাক – বল্লে]
রে মদনা তাহলে কি দিয়ে খাইব পরটা?
গাড়ু বলে, আহা দোস্তীর তরে ছাড়িতে হয়।
এসা দাদা এসো জড়াজড়ি করি বদ্না গড়ায়ে কয়।।
জড়াজড়ি থেকে গড়াগড়ি দুই নলে প্রেমবারি ঝরে।
সেই ভাব দেখে বিদেশী কেটলী রাগে টগবগ করে।।

‘ভাই ভাই এক-ঠাঁই’

আমার গহীন জলের নদী

বাণী

আমার		গহীন জলের নদী
আমি		তোমার জলে ভেসে রইলাম জনম অবধি।।
ও ভাই		তোমার বানে ভেসে গেল আমার বাঁধা ঘর
আমি		চরে এসে বস্‌লাম রে ভাই ভাসালে সে চর।
এখন		সব হারিয়ে তোমার জলে রে আমি ভাসি নিরবধি।।
		ঘর ভাঙিলে ঘর পাব ভাই ভাঙ্‌লে কেন মন
ও ভাই		হারালে আর পাওয়া না যায় মনেরি রতন।
ও ভাই		জোয়ারে মন ফেরে না আর রে ও সে ভাটিতে হারায় যদি।।
তুমি		যখন ভাঙ রে নদী (ভাঙ যখন কূল রে নদী) ভাঙ একই ধার
আর		মন যখন ভাঙ রে নদী দুই কূল ভাঙ তার
ও ভাই		চর পড়ে না মনের কূলে রে
ও সে		একবার সে ভাঙে যদি, ও ভাই একবার সে ভাঙে যদি।।

আমার কোন কুলে আজ ভিড়লো তরী

বাণী

আমার	কোন্‌ কূলে আজ ভিড়লো তরী
			এ কোন সোনার গাঁয়
আমার	ভাটির তরী আবার কেন
			উজান যেতে চায়
		তরী	উজান যেতে চায়
	কোন কূলে মোর ভিড়লো তরী
	এ কোন্‌ সোনার গাঁয়।।
আমার	দুঃখেরে কান্ডারী করি’
আমি	ভাসিয়েছিলাম ভাঙা তরী
তুমি	ডাক দিলে কে স্বপন–পরী
			নয়ন ইশারায়।।
	নিভিয়ে দিয়ে ঘরের বাতি
	ডেকেছিলে ঝড়ের রাতি
তুমি	কে এলে মোর সুরের সাথী গানের কিনারায়।
তুমি 	কে এলে? ওগো কে এলে মোর সুরের সাথী
			গানের কিনারায়?
	সোনার দেশের সোনার মেয়ে,
ওগো তুমি	হবে কি মোর তরীর নেয়ে,
	ভাঙ্গা তরী চলো বেয়ে রাঙা অলকায়।।

১. ‘অন্তরা’ অংশ গ্রামোফোন রেকর্ডে গাওয়া হয়নি।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan