
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

দ্বৈত : আবার শ্রাবণ এলো ফিরে তেমনি ময়ুর ডাকে, দোলনা কেন বাঁধলে না গো এবার কদম-শাখে।। স্ত্রী : সঙ্গে ল'য়ে গোপ-গোপীরে পুরুষ : ব্রজের কিশোর যাবে ফিরে দ্বৈত : লীলা-কিশোর শ্যাম যে লীলা-সাথীর সাথে থাকে।। দ্বৈত : দোলনা বেঁধে রইবো চেয়ে আমরা মেঘের পানে আয় ওরে আয়, নির্জন বনকে জাগাই সেই কাজরি গানে গানে। স্ত্রী : বৃষ্টি ধারায় টাপুর টুপুর পুরুষ : শুনব তাহার পায়ের নূপুর দ্বৈত : বিজলিতে তার চপল চাওয়া দেখব মেঘের ফাঁকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

‘দেশপ্রিয় নাই’ শুনি ক্রন্দন সহসা প্রভাতে জাগি’। আকাশে ললাট হানিয়া কাঁদিছে ভারত চির-অভাগী।। বহুদিন পরে আপনার ঘরে মা’র কোলে মাথা রাখি’, ঘুমাতে এসেছে শ্রান্ত সেননী, জাগায়ো না তারে ডাকি’। দেশের লাগিয়া দিয়াছে সকলি, দেয়নি নিজেরে ফাঁকি — তাহারি শুভ্র শান্ত হাসিটি অধরে রয়েছে লাগি’।। স্বার্থ অর্থ বিলাস বিভব গৌরব সম্মান মায়ের চরণে দিয়াছে সে-বীর অকাতরে বলিদান, রাজ-ভিখারির ছিল সম্বল শুধু দেহ আর প্রাণ তাই দিয়ে দিল শেষ অঞ্জলি দানবীর বৈরাগী।।
প্রথম খন্ড
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ বৈতালিক

মহাবিদ্যা আদ্যাশক্তি পরমেশ্বরী কালিকা। পরমা প্রকৃতি জগদম্বিকা, ভবানী ত্রিলোক-পালিকা।। মহাকালি মহাসরস্বতী, মহালক্ষ্মী তুমি ভগবতী তুমি বেদমাতা, তুমি গায়ত্রী, ষোড়শী কুমারী বালিকা।। কোটি ব্রক্ষ্মা, বিষ্ণু, রুদ্র মা মহামায়া তব মায়ায়, সৃষ্টি করিয়া করিতেছ লয় সমুদ্রে জলবিম্ব-প্রায়। অচিন্ত্য পরমাত্মারূপিণী, সুর-নর চরাচর-প্রসবিনী। নমস্তে শিরে অশুভ নাশিনী, তারা মঙ্গল চন্ডিকা। নমস্তে শিরে অশুভ নাশিনী, তারা মঙ্গল সাধিকা।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ তেওড়া

তোরা সব জয়ধ্বনি কর! তোরা সব জয়ধ্বনি কর! ঐনূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখির ঝড় তোরা সব জয়ধ্বনি কর!! আস্ল এবার অনাগত প্রলয়–নেশায় নৃত্য–পাগল, সিন্ধু–পারের সিংহ–দ্বারে ধমক হেনে ভাঙল আগল! মৃত্যু–গহন অন্ধকুপে, মহাকালের চন্ড–রূপে ধূম্র–ধূপে বজ্র–শিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর! ওরে ওই হাসছে ভয়ংকর! তোরা সব জয়ধ্বনি কর!! দ্বাদশ রবির বহ্নি–জ্বালা ভয়াল তাহার নয়ন–কটায়, দিগন্তরের কাঁদন লুটায় পিঙ্গল তার ত্রস্ত জটায়! বিন্দু তাহার নয়ন –জলে সপ্ত মহাসিন্ধু দোলে কপোল–তলে! বিশ্ব –মায়ের আসন তারই বিপুল বাহুর ‘পর – হাঁকে ঐ “জয় প্রলয়ংকর!” তোরা সব জয়ধ্বনি কর!! মাভৈঃ, ওরে মাভৈঃ, মাভৈঃ, মাভৈঃ জগৎ জুড়ে প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে জরায়–মরা মুমূর্ষুদের প্রাণ–লুকানো ঐ বিনাশে। এবার মহা–নিশার শেষে আসবে ঊষা অরুণ হেসে করুণ্ বেশে! দিগম্বরের জটায় লুটায় শিশু–চাঁদের কর! আলো তার ভরবে এবার ঘর! তোরা সব জয়ধ্বনি কর!!
রাগঃ মালকোষ-ভৈরব-মেঘ-বসন্ত-হিন্দোল-শ্রী-পঞ্চম-নটনারায়ণ
তালঃ দ্রুত–দাদ্রা
শিল্পীঃ স্বাগতালক্ষী

এলো আবার ঈদ ফিরে এলো আবার ঈদ, চলো ঈদগাহে। যাহার আশায় চোখে মোদের ছিল না রে নিদ, চলো ঈদ্গাহে।। শিয়া সুন্নী, লা-মজহাবী একই জামাতে এই ঈদ মোবারকে মিলিবে এক সাথে, ভাই পাবে ভাইকে বুকে, হাত মিলাবে হাতে; আজ এক আকাশের নীচে মোদের একই সে মসজিদ, চলো ঈদগাহে।। ঈদ এনেছে দুনিয়াতে শিরণী বেহেশ্তী, দুশ্মনে আজ গলায় ধ'রে পাতাব ভাই দোস্তী, জাকাত দেব ভোগ-বিলাস আজ গোস্সা ও বদ্মস্তি; প্রাণের তশ্তরীতে ভ'রে বিলাব তৌহীদ — চলো ঈদ্গাহে।। আজিকার এই ঈদের খুশি বিলাব সকলে, আজের মত সবার সাথে মিল্ব গলে গলে, আজের মত জীবন-পথে চলব দলে দলে প্রীতি দিয়ে বিশ্ব-নিখিল ক'রব রে মুরীদ্ — চলো ঈদগাহে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

উভয়ে : কপোত কপোতী উড়িয়া বেড়াই সুদূর বিমানে আমরা দু’জনে। কানন-কান্তর শিহরি’ ওঠে মোদের প্রণয়-মদির কূজনে।। স্ত্রী : ভ্রমর গুঞ্জে মঞ্জুল গীতি, হেরিয়া আমার বঁধূর প্রীতি, পুরুষ : আমার প্রিয়ার নয়নে চাহি’ কুসুম ফুটে ওঠে বিপিনে বিজনে।। স্ত্রী : তোমা ছাড়া স্বর্গ চাহি না, প্রিয়! মোদের প্রেমে চাঁদ আসে নেমে মাটির পাত্রে পান করি অমিয়।। পুরুষ : বিশ্ব ভুলায়ে ও-রাঙা পায়ে আমারে বেঁধেছে জীবনে মরণে।।
রাগঃ পিলু বারোয়াঁ
তালঃ ত্রিতাল

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan