
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

দোলে নিতি নব রূপের টেউ-পাথার ঘনশ্যাম তোমারি নয়নে। আমি হেরি যে নিখিল বিশ্বরূপ-সম্ভার তোমারি নয়নে॥ তুমি পলকে ধর নাথ সংহার-বেশ হও পলকে করুণা-নিধান পরমেশ। নাথ ভরা যেন বিষ অমৃতের ভান্ডার তোমার দুই নয়নে॥ ওগো মহা-শিশু, তব খেলা-ঘরে একি বিরাট সৃষ্টি বিহার করে, সংসার চক্ষে তুমিই হে নাথ, সংসার তোমারি নয়নে॥ তুমি নিমেষে রচি নব বিশ্বছবি ফেল নিমেষে মুছিয়া হে মহাকবি, করে কোটি কোটি ব্রহ্মান্ড ভুবন-সঞ্চার তোমারি নয়নে॥ তুমি ব্যাপক ব্রহ্ম চরাচরে জড় জীবজন্তু নারী-নরে, কর কমল-লোচন, তোমার রূপ বিস্তার হে আমারি নয়নে॥
রাগঃ ভীমপলশ্রী
তালঃ কাহার্বা

যবে তুলসীতলায় প্রিয় সন্ধ্যাবেলায় তুমি করিবে প্রণাম, তব দেবতার নাম নিতে ভুলিয়া বারেক প্রিয় নিও মোর নাম।। একদা এমনি এক গোধূলি বেলা যেতেছিলে মন্দির-পথে একেলা, জানি না কাহার ভুল তোমার পূজার ফুল আমি লইলাম — সেই দেউলের পথ সেই ফুলেরই শপথ প্রিয়, তুমি ভুলিলে হায় আমি ভুলিলাম।। পথের দুঁধারে সেই কুসুম ফোটে — হায় এরা ভোলেনি, বেঁধেছিলে তরু শাখে লতার যে ডোর হের আজো খোলেনি। একদা যে নীল নভে উঠেছিল চাঁদ ছিল অসীম আকাশ ভরা অনন্ত সাধ, আজি অশ্রু-বাদল সেথা ঝরে অবিরাম।।
রাগঃ ইমন মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ রওনক আরা রাসেল

স্বদেশ আমার! জানি না তোমার শুধিব মা কবে ঋণ। দিনের পরে মা দিন চ’লে যায় এলো না সে শুভদিন।। খাই দাই আর আরামে ঘুমাই পাগলের যেন ব্যথা-বোধ নাই ললাট-লিখন বলিয়া এড়াই ভীরুতা, শক্তি ক্ষীণ। অভাগিনী তুমি, সন্তান তব সমান ভাগ্যহীন।। কত শতাব্দী করেছি মা পাপ মানুষেরে করি ঘৃণা জানি মা মুক্তি পাব না তাহার প্রায়শ্চিত্ত বিনা। ক্ষুদ্র ম্লেচ্ছ কাঙাল ভাবিয়া রেখেছি যাদেরে চরণে দাবিয়া তাদের চরণ-ধূলি মাখি যদি আসিবে সে শুভদিন নূতন আলোকে জাগিবে পুলকে জননী ব্যথা-মলিন।।
রাগঃ কেদারা
তালঃ একতাল

আকাশে ভোরের তারা মুখ পানে চেয়ে আছে ঝরা-ফুল অঞ্জলি পড়ে আছে,পা'র কাছে। দেবতা গো,জাগো জাগো জাগো।। আঁধার-ঘোমটা খুলি শতদল আঁখি তুলি' পৃথিবী প্রসাদ যাচে দেবতা গো,জাগো।। কপোত-কণ্ঠে শোন তব বন্দনা বাজে তোমারে হেরিতে ঊষা দাঁড়ায় বধূর সাজে। দেবতা,তোমার লাগি'আজি আছি নিশি জাগি’' ভীরু এ মনের কলি হের,দল মেলিয়াছে। দেবতা গো,জাগো।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

মণি-মঞ্জির বাজে অরুণিত চরণে সখি রুনু ঝুনু রুনু ঝুনু মণি-মঞ্জির বাজে। হের গুঞ্জা-মালা গলে বনমালী চলিছে কুঞ্জ মাঝে।। চলে নওল কিশোর, হেলে দুলে চলে নওল কিশোর। হেরি সে লাবনি কৌস্তুভমণি নিষ্প্রভ হ’ল লাজে। চরণ-নখরে শ্যামের আমার চাঁদের মালা বিরাজে।। সখি গো — বঁধূর চলার পথে পরান পাতিয়া র’ব চলিতে দলিয়া যাবে শ্যাম; আমি হইয়া পথের ধূলি বক্ষে লইব তুলি’ চরণ-চিহ্ন অভিরাম। ভুলে যা তোরা রাধারে কৃষ্ণ-নিশির আঁধারে হারায়ে সে গেছে চিরতরে, কালো যমুনার জলে ডুবেছে সে অতল তলে ভেসে গেছে সে শ্যাম-সাগরে।। ঐ বাঁশি বাজিছে শোন রাধা ব’লে, তরুণ তমাল চলে, অঙ্গ-ভঙ্গে শিখি-পাখা টলে। তা’র হাসিতে বিজলি, কাজল-মেঘে যেন উঠিছে উছলি’। রূপ দেখে যা দেখে যা, কোটি চাঁদের জোছনা-চন্দন মেখে যা, মোর শ্যামলে দেখে যা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

বাঁধিয়া দুইজনে দুঁহু ভুজ বন্ধনে কাঁদিছে শ্যাম রাই। মিলনের মাঝে এত বেদনা যে বাজে গো – দেখি নাই, শুনি নাই।। সাগরে মিশে নদী, তবু কাঁদে নিরবধি, বুঝি না কেন গো – বুকে যত পায়, তত তৃষ্ণা বেড়ে যায়, সাধ মেটে না যেন গো।। সাধ কি মেটে গো চাঁদকে হেরে চকোরিণীর সাধ কি মেটে গো – মেঘ দেখে চাতকিনীর সাধ কি মেটে গো। হের, নব নাগরি নব নাগর মাতিল প্রেম-রসে, নব প্রভাত-কমলে যেন বন ভ্রমর বসে। নব সোনার শতদলে যেন নব মেঘের ছায়া কনকমালা ঘিরিল যেন বন নীল গিরি কায়া। গিরিধারীরে ধরিল, ধিরিধিরি রাধা গিরিধারীরে ধরিল।। আধ অধরে ধরে নাক’ হাসি, আধ-অধরে বাঁশি, হেরি’ আধ অঙ্গ দাস হতে চায়, আধ অঙ্গ দাসী; শ্রীচরণ ঘিরিয়া মন মধুকর গাহে, চরণাম্বুজ-রজ মাধুকরী চাহে।। বলে, ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও – ওই চরণ কমল-মধু ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও, ঐ যুগল-রূপ রাধা-শ্যাম দেখি যেন অবিরাম (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি আনন্দ-যমুনা হয়ে, চরণ ধুয়ে যাব বয়ে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি নিত্য হৃদি-ব্রজধামে হেরিব মোর রাধা-শ্যামে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও)।।
বেতার গীতিচিত্রঃ ‘যুগল মিলন’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan