Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে গানের পাখি নজরুলের প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে গানের পাখি নজরুলের প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে গানের পাখি নজরুলের প্রতি জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম প্রিয়

বাণী

	আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম প্রিয়।
	আমার কথার ফুল গো,
	আমার গানের মালা গো —
			কুড়িয়ে তুমি নিও।।
	আমার সুরের ইন্দ্রধনু
	রচে আমার ক্ষণিক তনু,
	জড়িয়ে আছে সেই রঙে মোর
			অনুরাগ অমিয়।।
আমার	আঁখি-পাতায় নাই দেখিলে
			আমার আঁখি-জল,
আমার	কণ্ঠের সুর অশ্রুভারে
			করে টলমল।
	আমার হৃদয়-পদ্ম ঘিরে
	কথার ভ্রমর কেঁদে ফিরে,
	সেই ভ্রমরের কাছে আমার
			মনের মধু পিও।।

গীতি আলেখ্য: ‌‘আকাশবাণী’

হংস-মিথুন ওগো যাও ক’য়ে যাও

বাণী

হংস-মিথুন ওগো যাও ক’য়ে যাও।
বৈশাখী তৃষ্ণার জল কোথা পাও।।
কোন মানস-সরোবর জলে
পদ্মপাতার ছায়া-তলে,
পাখায় বাঁধিয়া পাখা দু’জনে প্রখর বিরহ দাহন জুড়াও।।
অলস দুপুর মোর কাটে না একা,
ঝ’রে যায় চন্দন-পত্রলেখা।
কখন আসিবে মেঘ নভে
মিটিবে আমার তৃষ্ণা কবে,
তৃষায় মূর্ছিতা চাতকী কোথায় তাহার ঘনশ্যাম, ব’লে দাও।।

প্রিয়তম হে বিদায়

বাণী

	প্রিয়তম হে, বিদায়
আর	রাখিতে নারি, আশা-দীপ নিভে যায় দুরন্ত বায়।।
	কত ছিল বলিবার, হায় হ’লো না বলা
	ঝুঁরিতেছে চামেলির বন উতলা
যেন	অনন্ত দিনের দিকে হায় হায়।।
কে	কাঁদে দিকে দিকে হায় হায়।।
	রহিল ছড়ানো মোর প্রাণের তিয়াস হুতাস পবনে;
	জড়ানো রহিল মোর করুণ প্রীতি ধূসর গগনে।
	তুমি মোরে স্মরিও
যদি	এই পথে কোনদিন চলিতে প্রিয়
	নিশিভোরে ঝরা ফুল দ’লে যাও পায়।।

বাঁধিয়া দুইজনে দুঁহু ভুজ

বাণী

বাঁধিয়া দুইজনে দুঁহু ভুজ বন্ধনে কাঁদিছে শ্যাম রাই।
মিলনের মাঝে এত বেদনা যে বাজে গো – দেখি নাই, শুনি নাই।।
সাগরে মিশে নদী, তবু কাঁদে নিরবধি, বুঝি না কেন গো –
বুকে যত পায়, তত তৃষ্ণা বেড়ে যায়, সাধ মেটে না যেন গো।।
সাধ কি মেটে গো চাঁদকে হেরে চকোরিণীর সাধ কি মেটে গো –
মেঘ দেখে চাতকিনীর সাধ কি মেটে গো।
হের, নব নাগরি নব নাগর মাতিল প্রেম-রসে,
নব প্রভাত-কমলে যেন বন ভ্রমর বসে।
নব সোনার শতদলে যেন নব মেঘের ছায়া
কনকমালা ঘিরিল যেন বন নীল গিরি কায়া।
গিরিধারীরে ধরিল, ধিরিধিরি রাধা গিরিধারীরে ধরিল।।
আধ অধরে ধরে নাক’ হাসি, আধ-অধরে বাঁশি,
হেরি’ আধ অঙ্গ দাস হতে চায়, আধ অঙ্গ দাসী;
শ্রীচরণ ঘিরিয়া মন মধুকর গাহে, চরণাম্বুজ-রজ মাধুকরী চাহে।।
বলে, ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও –
ওই চরণ কমল-মধু ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও,
ঐ যুগল-রূপ রাধা-শ্যাম দেখি যেন অবিরাম (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও)
আমি আনন্দ-যমুনা হয়ে, চরণ ধুয়ে যাব বয়ে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও)
আমি নিত্য হৃদি-ব্রজধামে
হেরিব মোর রাধা-শ্যামে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও)।।

বেতার গীতিচিত্রঃ ‌‘যুগল মিলন’

মানবতাহীন ভারত শ্মশানে

বাণী

মানবতাহীন ভারত শ্মশানে দাও মানবতা হে পরমেশ।
কি হবে লইয়া মানবতাহীন ত্রিশ কোটি মানুষ মেষ।।
		কলের পুতুল এরা প্রাণহীন
		পাষাণ আত্মা বিশ্বাসহীন,
নিজেরে ইহারা চিনে না জানে না, কেমনে চিনিবে নিজের দেশ।।
		ভারত শ্মশানে ফেরে প্রেতপাল,
		নর নাই, শুধু নর-কঙ্কাল;
এই চির অভিশপ্তের মাঝে জাগাও হে প্রভু প্রাণের রেশ।।
		ভায়ে ভায়ে হেথা নাহি প্রেমবোধ,
		কেবলি কলহ, কেবলি বিরোধ;
হে দেশ-বিধাতা, দূর কর এই লজ্জা ও গ্লানি, এ দীন বেশ।।

আমি কুল ছেড়ে চলিলাম ভেসে বলিস ননদীরে

বাণী

আমি	কুল ছেড়ে চলিলাম ভেসে বলিস ননদীরে সই, বলিস ননদীরে।
	শ্রীকৃষ্ণ নামের তরণীতে প্রেম-যমুনার তীরে বলিস ননদীরে
				সই, বলিস্‌ ননদীরে।।
	সংসারে মোর মন ছিল না, তবু মানের দায়ে
আমি	ঘর করেছি সংসারেরি শিকল বেঁধে পায়ে
	শিক্‌লি-কাটা পাখি কি আর পিঞ্জরে সই ফিরে।।
	বলিস গিয়ে কৃষ্ণ নামের কলসি বেঁধে গলে
	হডুবেছে রাই কলঙ্কিনী কালিদহের জলে।
	কলঙ্কেরই পাল তুলে সই, চললেম অকূল-পানে
	নদী কি সই, থাকতে পারে সাগর যখন টানে।
	রেখে গেলাম এই গোকুলে কুলের বৌ-ঝিরে।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan